সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

শ্রমিকনেতারা ‘আগ্রহী নন’, তবু পরিবহন ধর্মঘট

ফাইল ছবি
আপডেটেড
১৫ নভেম্বর, ২০২২ ১০:৫২
দেবাশীষ দেবু, সিলেট
প্রকাশিত
দেবাশীষ দেবু, সিলেট
প্রকাশিত : ১৫ নভেম্বর, ২০২২ ১০:৫১

আগামী ১৯ নভেম্বর সিলেটে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিএনপির সমাবেশের আগের দিন থেকেই পরিবহন ধর্মঘট- এমনটিই ঘটেছে দেশের ছয় বিভাগে। সিলেটেও কি এর পুনরাবৃত্তি ঘটবে? এখানেও কি বিএনপির সমাবেশের আগেই ধর্মঘটে যাবেন পরিবহন শ্রমিকরা?

সিলেটের পরিবহন শ্রমিকনেতারা বলছেন, ধর্মঘট ডাকার কোনো পরিকল্পনা নেই তাদের। মালিকপক্ষও এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে কেন্দ্রীয় নেতারা নির্দেশনা দিলে সিলেটেও ধর্মঘট হবে।

বিএনপি নেতাদের আশা, সিলেটের সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের কথা বিবেচনা করে ধর্মঘট থেকে বিরত থাকবেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা। তবে ধর্মঘট হলেও সমাবেশ সফল করতে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া আছে বলে জানিয়েছেন তারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পরিবহন শ্রমিকদের এক নেতা দৈনিক বাংলাকে জানান, সোমবার সিলেটের কয়েকজন পরিবহন শ্রমিকনেতার সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান। এই বৈঠকে ১৭, ১৮ ও ১৯ নভেম্বর পরিবহন ধর্মঘট ডাকার ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী একজন বলেন, ১৭ নভেম্বর এইচএসসি পরীক্ষা থাকায় ওই দিন ধর্মঘট নাও ডাকা হতে পারে। কেবল ১৮ ও ১৯ নভেম্বর পরিবহন ধর্মঘট থাকবে। দু-এক দিনের মধ্যেই এ ঘোষণা আসবে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দেশের সব বিভাগে গণসমাবেশ করছে বিএনপি। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা, রংপুর, বরিশাল ও ফরিদপুরে সমাবেশ সম্পন্ন হয়েছে। সব বিভাগেই সমাবেশের আগের দিন থেকে শুরু হয় পরিবহন ধর্মঘট। এতে সমাবেশে আসা নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি দুর্ভোগ পোহাতে হয় সাধারণ মানুষকেও। সমাবেশের আগে ডাকা পরিবহন ধর্মঘট নিয়ে সমালোচনা সত্ত্বেও সব বিভাগেই ঘটছে এমন ঘটনা।

সিলেটে বিএনপির সমাবেশের আগে ধর্মঘট ডাকা হবে কি না- এমন প্রশ্নে সিলেট জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মইনুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্মঘট ডাকার কোনো চিন্তা বা লক্ষ্য আমাদের নেই। আমরা শ্রমিকরা সর্বদলীয়। সবার সঙ্গেই আমরা আছি।’

তবে মালিকপক্ষ পরিবহন বন্ধ রাখলে তাদের করার কিছু থাকবে না জানিয়ে এই পরিবহন শ্রমিকনেতা বলেন, মালিকপক্ষ যদি সড়কে গাড়ি বের না করে, তাহলে শ্রমিকরা চালাতে পারবে না। ফলে মালিকপক্ষ এ ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা দেখতে হবে।

ধর্মঘটের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি জানিয়ে বাস মালিক সমিতি সিলেট জেলা শাখার সভাপতি আবুল কালাম বলেন, ‘সবকিছু বিবেচনা করেই আমাদের চলতে হয়। সরকারের কথাও শুনতে হয়। তা ছাড়া যানবাহন ও যাত্রীদের নিরাপত্তার কথাও আমাদের ভাবতে হয়।’

‘সবকিছু বলাও ঠিক নয়’ উল্লেখ করে এই পরিবহন মালিক সমিতির নেতা বলেন, পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় নেতারা বসে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। গতকাল সোমবার ঢাকায় এ নিয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। শিগগিরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

তবে পরিবহন শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকলেও বিএনপির সমাবেশে তার কোনো প্রভাব পড়বে না জানিয়ে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ধর্মঘটে কোথাও সমাবেশের ক্ষতি হয়নি। সাধারণ মানুষেরই ভোগান্তি হয়েছে কেবল। তাই আমরা আশা করব জনদুর্ভোগ এড়াতে এবং সিলেটের রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্প্রীতির কথা বিবেচনায় রেখে এখানে পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হবে না।

তবে ধর্মঘট ডাকলেও সমাবেশে লোকসমাগম ঘটাতে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বিকল্প সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছি। কোনো গাড়ি না চললেও ১৯ তারিখে সিলেটে জনতার ঢল নামবে। কেবল আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ নয়, পুরো সিলেট সেদিন সমাবেশের নগর হবে।’

এ প্রসঙ্গে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম জালালী পংকী বলেন, ‘প্রশাসন ও পরিবহন শ্রমিকদের ব্যবহার করে সরকার বিএনপির সমাবেশে বাধা দেয়ার চেষ্টা করছে। রোববার বিভিন্ন জায়গায় লিফলেট বিতরণকালে পুলিশ আমাদের বাধা দিয়েছে, নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া একটি পেশাজীবী গোষ্ঠীকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করে বিতর্কিত করা হচ্ছে। আশা করছি আমাদের পরিবহন শ্রমিক ভাইয়েরাও এটা বুঝতে পারছেন।’


খুলনায় নজরুল বর্ষ উদযাপনে প্রস্তুতি সভা 

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

‘নজরুল বর্ষ’ ২০২৬-২৭ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা খুলনা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কানিজ ফাতেমা লিজার সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে হয়েছে।

সোমবারের (১৩ জুলাই) এই সভায় কাজী নজরুল ইসলামের গান, কবিতা, নাটক, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও সাহিত্যকর্মের মাসিক থিমভিত্তিক খসড়া ক্যালেন্ডার কার্যক্রমের ওপর পর্যালোচনা করা হয়।

প্রস্তুতিমূলক সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম, জেলা শিক্ষা অফিসার এস এম ছায়েদুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক শেখ দিদারুল আলম, নজরুল একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ মাহমুদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।


নওগাঁয় ভুয়া পুলিশ সেজে মহাসড়কে ডাকাতি, ডিবির জালে ধরা ২ ডাকাত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর মহাদেবপুরে ভুয়া পুলিশের রূপ ধারণ করে মহাসড়কে দস্যুতার অভিযোগে দুই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বগুড়া জেলার বড় রেললাইন হিন্দু পাড়ার মানিক চন্দ্রের ছেলে খোকন চন্দ্র (৩৩) এবং গাজিপুর জেলার কোনাবাড়ি থানার আমবাগ জয়ের টেক এলাকার মহিউদ্দিনের ছেলে শুভ (২৮)।

সোমবার (১৩জুলাই) তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।

এর আগে গত শনিবার (১১জুলাই) দিনগত রাতে গাজিপুর থকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেলা ডিবি পুলিশের সদস্যরা ঢাকা, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় ধারাবাহিক এই অভিযান পরিচালনা করে।

জানা যায়, চলতি বছর গত ২৯এপ্রিল ভোর আনুমানিক ৪ টার সময় মহাদেপুর উপজেলার নওহাটা থেকে মহাদেপুর গামি ফাকা রাস্তায় একদল দস্যু প্রাইভেট কার নিয়ে পুলিশের রিফ্লেটিং ভেষ্ট পরে এবং লেজার লাইট ব্যবহার করে সিগন্যাল দিয়ে একটা অটোরিকশা থামায়। এরপর চালক ও এক যাত্রীকে জোর করে প্রাইভেট কারে তুলে চোখ -মুখ ও হাত বেঁধে ফেলে। অপর ডাকাত অটোরিকশাটি নিয়ে চলে যায়। পরে ডাকাত দল তাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা ও মোবাইল কেড়ে নেয়। পরবর্তীতে অটো চালক ও যাত্রীকে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করে দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে ফেলে দেয়।

ঘটনার পর মহাদেপুর থানায় একটা মামলা রুজু হলে পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। এরপর তথ্য প্রযুক্তি ব্যাবহার করে এই ডাকাত দলের অন্যতম হোতা বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার শিমুল বাড়ি এলাকার আজাদুলের ছেলে আব্দুর রহমান ওরফে শাওন ওরফে স্বাধীনকে প্রায় দেড় মাস আগে গাইবান্দা জেলায় অভিযান চালিয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আসামি আব্দুর রহমান ডাকাতির ঘটনা স্বীকার করে। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্য মতে এই ডাকাতির সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন জায়গায় একাধিকবার অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, গত এপ্রিল মাসে ঘটনার পর প্রথমে আব্দুর রহমান ওরফে শাওন ওরফে স্বাধীনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্য ও প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে নামে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস দল। কিন্তু আসামিরা বারবার পালিয়ে যেত। এবং তারই লক্ষ্যে ঢাকা, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ জেলা ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অনেক দিন চেষ্টার পর অবশেষে গত ১১জুলাই রাতে গাজিপুর থকে দুই ডাকাত খোকন ও শুভকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসপি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে পুলিশ পরিচয় মহাদেবপুরে মহাসড়কে দস্যুতার ঘটনা স্বীকার করে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে আসামি খোখন চন্দ্র বিজ্ঞ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেছে বলেও জানার এসপি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।


টানা বৃষ্টিতে টাঙ্গাইলে বিপর্যস্ত জনজীবন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শামীম আল মামুন, টাঙ্গাইল

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে টাঙ্গাইল জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। টানা বর্ষণ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় শহরের নিচু এলাকাগুলোতে বৃষ্টির পানি জমে অস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও যানজট। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শহরের কর্মজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষ।

তবে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, জেলার সব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। আপাতত জেলায় বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

গত শুক্রবার (১০ জুলাই) থেকে সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে টাঙ্গাইল পৌরসভার পার্ক বাজার, আকুর-টাকুর পাড়া, দক্ষিণ থানাপাড়া, বিশ্বাস বেতকা, সাবালিয়া, কোদালিয়া ও কান্দাপাড়াসহ বেশ কিছু এলাকার রাস্তা-ঘাট হাঁটু সমান পানিতে ডুবে গেছে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার প্রধান সড়কগুলোতেও পানি জমে থাকায় রোগী ও অ্যাম্বুলেন্স চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বিশ্বাস বেতকার বাসিন্দা নাজমুল মিয়া বলেন, ‘একটু বৃষ্টি হলেই আমাদের ঘরে পানি ওঠে। খালগুলো দখল হয়ে যাওয়ায় পানি নামার কোনো জায়গা নেই। এর মাঝে কারেন্টও নেই। বাচ্চা নিয়ে খুব কষ্টে আছি।’

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টাঙ্গাইল শহরে কাগজ-কলমে ২৭টি খাল থাকলেও বাস্তবে বেশিরভাগ খাল প্রভাবশালীদের দখলে। খাল ভরাট করে মার্কেট, বাসা-বাড়ি ও রাস্তা নির্মাণ করায় শহরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।

টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক সমাজের সভাপতি আকিবুর রহমান ইকবাল বলেন, ‘সাবালিয়া খাল, শ্যামা বাবুর খাল, কচুয়াডাঙ্গা খালসহ শহরের প্রধান খালগুলো উদ্ধার না করলে প্রতি বছরই এমন জলাবদ্ধতা হবে। এখনই খাল উদ্ধারে জেলা প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে।’

টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে টাঙ্গাইল-ঢাকা ও টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কে যান চলাচল ধীরগতিতে চলছে। শহরের অটোরিকশা চালকরা যাত্রী পেলেও পানির কারণে ভাড়া দ্বিগুণ আদায় করছেন।

পার্ক বাজারের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দোকানে পানি ঢুকে মালামাল নষ্ট হয়েছে। ক্রেতাও নেই। গত ৩ দিনে বিক্রি একদম নেই বললেই চলে।’

প্যারাডাইস পাড়ার চা দোকানদার গনেশ চৌহান বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে দোকানে কাস্টমার নেই বললেই চলে। ফলে আমাদের জীবনযাপন স্থবির হওয়ার পথে।’

বৃষ্টির কারণে শহরের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং ও ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবাও বিঘ্নিত হচ্ছে।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসায় পরীক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

টাঙ্গাইল পৌরসভার পক্ষ থেকে জলাবদ্ধ এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার ও পানি নিষ্কাশনের কাজ চলছে বলে জানানো হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মনিটরিং করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের জামাল উদ্দিন জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় টাঙ্গাইলে ৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় টাঙ্গাইলে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাইনুদ্দিন জানান, টাঙ্গাইলের কোনো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত টাঙ্গাইলে বন্যা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে টানা বৃষ্টিতে জেলার কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। যমুনার তীরে ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে কাজ করছে।

টানা বৃষ্টি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেও টাঙ্গাইল শহরের জলাবদ্ধতা অনেকাংশেই মানবসৃষ্ট। খাল দখল, ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা ও অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে প্রতি বছরই এমন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে। খাল উদ্ধার ও টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত টাঙ্গাইলবাসীর এই দুর্ভোগ চলতেই থাকবে।


বাগেরহাটে র‍্যাবের অভিযানে ৩৩ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

বাগেরহাট সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে মোট ৩৩ কেজি গাঁজাসহ দুইজন কথিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৬, সদর কোম্পানি।

র‍্যাব জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে গত রোববার (১২ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাট সদর পৌরসভার দশানী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ১১ কেজি গাঁজাসহ মিঠু মণ্ডল (২১), পিতা বিভাস মণ্ডল, গ্রামের বাড়ি খরখরিয়া, থানা মংলা এবং ইয়াসিন ফকির (২৫), পিতা বেদার ফকির, গ্রামের বাড়ি ফুলহাতা, থানা মোড়েলগঞ্জ, জেলা বাগেরহাট থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের ফুলতলা এলাকায় মিঠু মণ্ডলের বসতবাড়িতে আরেকটি অভিযান চালানো হয়। সেখানে তল্লাশি করে আরও ২২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাবের দাবি, দুই অভিযানে মোট ৩৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধার আলামতসহ গ্রেপ্তার দুইজনকে বাগেরহাট সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


ভাঙ্গুড়ায় গ্রামীণ সড়ক বিষয়ক কর্মশালা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গ্রামীণ সড়ক মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন (জিআইএস-ভিত্তিক) প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক এক কর্মশালা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০টায় ভাঙ্গুড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ভাঙ্গুড়ার আয়োজনে এ কর্মশালা হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন এলজিইডি পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম। কর্মশালায় জিআইএস অ্যানালিস্ট মো. মারুফ খান আকাশ , উপজেলা জামাতের আমির মাওলানা মহির উদ্দিন, জামায়াত নেতা অধ্যাপক হালিম মাজাহার নূর, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমেকর্মীরা ছিলেন।

এ সময় গ্রামীণ সড়কের বর্তমান অবস্থা, কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণ, উন্নয়নের অগ্রাধিকার, জিআইএস প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় ও উপজেলা জামায়াতের আমির ও সাংবাদিক মেহেদী হাসান বলেন চাটমোহরের সমাজ হ‌ইতে ভাঙ্গুড়ার মধ্যে দিয়ে উল্লাপাড়ার উধুনিয়া বাজার পর্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এই রাস্তা করা খুব জরুরি। কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালাটি পরিচালনায় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান বেটশ বেটস কনসালটিং সার্ভিসেস লিমিটেড সহযোগিতা করে।


পাবনায় ২০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানে দুইশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. সুমন (৩২) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) ভোরে জেলার আতাইকুলা থানাধীন পুষ্পপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সুমন পুষ্পপাড়া এলাকার মো. মোফাজ্জল হকের ছেলে।

ডিবি পুলিশ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি দল পুষ্পপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে সুমনকে আটক করা হয়। পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তার দেহ তল্লাশি করে একটি নীল রঙের জিপার ব্যাগ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উৎস থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে আতাইকুলাসহ আশপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীদের কাছে বিক্রি করে আসছিল বলে স্বীকার করেছে।

এ বিষয়ে পাবনা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ছুফি উল্লাহ বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রয়েছে। পাবনা জেলাকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত করতে জেলা পুলিশের এই বিশেষ অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।


বৃষ্টিতে যানবাহন সংকট, পরীক্ষা দেওয়া হলো আফসানার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

টানা ভারী বৃষ্টিতে যানবাহন সংকটের কারণে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে না পেরে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি মুন্সীগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী আফসানা আক্তার। সোমবার (১৩ জুলাই) পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষা ছিল তার।

আফসানা মুন্সীগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। তবে তার পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল মুন্সীগঞ্জ শহরের সরকারি হরগঙ্গা কলেজ। তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চর সৈয়দপুর এলাকার আবু তালেবের কন্যা, ওই এলাকাতেই তারা বসবাস করেন। বাসা থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে সাধারণত প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগে।

আফসানা অভিযোগ করে জানান, পরীক্ষা শুরুর প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই তিনি বাসা থেকে বের হন। কিন্তু সকাল থেকে ভারী বৃষ্টির কারণে রাস্তায় হাঁটুপানি জমে যায়। অনেকটা পথ ভিজে হেঁটে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত গেলেও কোনো যানবাহন পাননি।

তিনি বলেন, মুক্তারপুর সেতুর টোল প্লাজার সামনে অটো ও মিশুক থাকলেও চালকদের অনেক অনুরোধ করেছি। আমি পর্দা করি, আমি পরীক্ষার্থী বলেও জানিয়েছি। কিন্তু কেউ আমাকে নিতে রাজি হননি। পরে হেঁটে সেতু পার হওয়ার চেষ্টা করি। কিছুদূর যাওয়ার পর সময়ের কথা ভেবে আবার ফিরে আসতে বাধ্য হই।

তার ভাষ্য, বৃষ্টিতে তার প্রবেশপত্র ও নিবন্ধন কার্ডও ভিজে যায়। একপর্যায়ে তিনি বুঝতে পারেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানো সম্ভব হবে না। পরে সকাল ১১টা ২২ মিনিটের দিকে হতাশ হয়ে বাসায় ফিরে যান।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্ট দেন আফসানা। সেখানে তিনি লেখেন, গত কয়েকটি পরীক্ষায় প্রতিদিন বৃষ্টিতে ভিজে কেন্দ্রে যেতে হয়েছে। আইসিটি পরীক্ষা দিয়ে ১০৩ ডিগ্রি জ্বর নিয়েও পদার্থবিজ্ঞানের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। কিন্তু সোমবারের ভারী বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা এবং যানবাহনের সংকটের কারণে শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।

পোস্টে তিনি আরও লেখেন, আজ সকাল থেকে এত বৃষ্টি ছিল যে, এক ঘণ্টার পথ যেতে দেড় ঘণ্টা আগে বের হয়েছিলাম। পথে হাঁটুপানি, কোথাও তারও বেশি পানি। রাস্তায় মানুষ তো দূরের কথা, একটি কুকুরও ছিল না। অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে ছিলাম। পরে হেঁটে সেতু পার হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু সময় শেষ হয়ে যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়ে বাসায় ফিরে আসি। মনে হচ্ছে, একটি বছর নষ্ট হয়ে গেল। আমার স্বপ্ন ভেঙে গেছে।

আফসানার প্রবেশপত্রে থাকা তথ্য অনুযায়ী, তার নিবন্ধন নম্বর ২১১০৭৯১৮০৭, রোল নং- ১৭৮৯৪২। তিনি ঢাকা বোর্ডের অধীনে বিজ্ঞান বিভাগের এইচএসসি পরীক্ষার্থী।


মানি লন্ডারিং মামলায় গাইবান্ধার আলোচিত হরিদাস গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় পলাশবাড়ীতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণের প্রতিষ্ঠিতা বিতর্কিত হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে নতুন একটি মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মূর্তিটি নির্মাণে সর্বমহলে যখন উত্তেজনা-অস্থিরতা হচ্ছিলো তখনই গ্রেপ্তার হলেন হরিদাস।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ারে আলম খান তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গেল গভীর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকার ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টর (সিআইডি) একটি টিম।

এরআগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ছবি এডিটের মাধ্যমে সংযুক্ত করে তার (প্রধানমন্ত্রীর) পরিবারের সদস্যদের ভুয়া প্রটোকল অফিসার পরিচয়ে বদলি বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে ২০২২ সালের ৭ নভেম্বর রাতে রাজধানীর বনানী থেকে হরিদাস চন্দ্রসহ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৩ এর একটি দল।

গ্রেপ্তার হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের গোপিনাথ চন্দ্র তরণী দাসের ছেলে।

পলাশবাড়ী থানার ওসি সরোয়ারে আলম খান জানান, গেল রাত ১২ টার দিকে শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির থেকে হরিদাসকে গ্রেপ্তার করে ঢাকার সিআইডির একটি টিম।

এসময় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানার একটি মানি লন্ডারিং মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


মহেশপুরে দুস্থ মানুষের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের মহেশপুরে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় অন্তত ১০০ পরিবারের মাঝে এসব ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার সীমান্তবর্তী খোশালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর তোয়াছিন হাবিব হাসান ও সহকারী পরিচালক মুন্সি ইমদাদুল হক এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে বিজিবি। তারই ধারাবাহিকতায় মহেশপুরের সীমান্তবর্তী এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ১০০টি পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, লবণ ও আলুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি যেকোনো দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে বিজিবি সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে।


কুমিল্লায় কোমরসমান পানি পেরিয়ে কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১৩ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৫
তরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা দক্ষিণ প্রতিনিধি

টানা বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও বন্যার মধ্যেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কোথাও কোমরসমান পানি পেরিয়ে, কোথাও নৌকা কিংবা ভ্যানে চড়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন মহল। অনেকেই পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) দেশজুড়ে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ষষ্ঠ দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এবং এর অধীনস্থ মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ১৬ জুলাই পর্যন্ত নির্ধারিত পরীক্ষাগুলো আগেই স্থগিত করা হয়েছে। অন্য আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে বৃষ্টি উপেক্ষা করে পরীক্ষার্থীরা উপস্থিত হতে থাকেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন উদ্বিগ্ন অভিভাবকরাও। তবে কুমিল্লাসহ কয়েকটি অঞ্চলে পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত দুর্ভোগপূর্ণ। ভারী বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এবং শত শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে।

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ এবং ভাষাসৈনিক অজিত গুহ কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্রের আশপাশেও জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। বিশেষ করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রের কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, অনেক পরীক্ষার্থী কোমরসমান পানি পেরিয়ে, কেউ নৌকা ও কেউ ভ্যানে করে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছেন।

এসব দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অনেকেই এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা স্থগিত করা উচিত ছিল বলে মত প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে এক ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থী জান্নাতুল মাআলা বলেন,

“শুধু বৃষ্টিই নয়, কোমরসমান পানি, পাশে ড্রেনের ময়লা, সঙ্গে সাপের ভয়—সব মিলিয়ে খুবই আতঙ্কের মধ্যে কেন্দ্রে যেতে হয়েছে। যারা সাঁতার জানে না, তাদের নিয়ে অভিভাবকেরা আরও বেশি উদ্বিগ্ন ছিলেন।”

এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক বলেন, এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি ছিল। তাদের দাবি, দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় পরীক্ষার আগে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল।


নওগাঁয় নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর মহাদেবপুরে নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতরা হলেন, উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামের লোকমান মন্ডল (৫৫) ও তার স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম (৪৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- রাতের খাবার খেয়ে দুজনে ঘুমাতে যান। সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর ৪টা দিকে নিহতদের ছেলে মুক্তার হোসেন প্রতিবেশীদের খবর দিলে খাটের উপর এসে তাদের মরদেহ দেখতে পায়। স্থানীয়দের দাবি, ছেরে মুক্তার হোসেন নেশা ও মোবাইলে জুয়ায় আসক্ত। নেশার জন্য বাবা-মার কাছে টাকা চাইলে দিতে অস্বীকার করলে বিষাক্ত কিছু খাইয়ে এই ঘটনা ঘটাতে পারে।

মহাদেবপুর থানার ওসি ওমর ফারুক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিষাক্ত কিছু খাবারের মাধ্যমে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।


ক্যাম্পাসে সাপের উপদ্রব ঘিরে চবির বিজয় ২৪ হলে ‘সচেতনতা বৃদ্ধি’ সেমিনার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বিজয় ২৪ হলে নারী শিক্ষার্থীদের সাপ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ চলাচল বিষয়ে ধারণা দিতে ‘Snake Awareness Seminar’ শীর্ষক একটি সেমিনার হয়েছে।

গত রোববার (১২ জুলাই) বিজয় ২৪ হল সংসদ, Society for Snake & Snakebite Awareness (3SA) এবং হল প্রশাসনের সহযোগিতায় এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের দাবি, বিজয় ২৪ হলে এটিই এ ধরনের প্রথম সেমিনার। ক্যাম্পাসে সম্প্রতি সাপের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমিন।

বিজয় ২৪ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক সাদিয়া মাহসীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জান্নাত আরা পারভীন। তিনি এ আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চবি উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান তার বলেন, ‘সাপ হত্যা বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে ধরা কোনো সমাধান নয়; সাপও বাস্তুতন্ত্রের (ইকোসিস্টেম) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পলিথিন দিয়ে সাপ ধরা গ্রহণযোগ্য নয়। বর্ষাকালে চলাচলের সময় ব্যক্তিগত সতর্কতা অবলম্বন এবং সচেতনতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় অতীত ফিরিয়ে আনতে শিক্ষার্থীদের সঠিক পথে থাকার গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমিন বলেন, ‘সাধারণত সাপ খোলা আলোতে বা পরিষ্কার জায়গায় দেখা যায় না। তাই ঝোপঝাড় ও অনিরাপদ পরিবেশে চলাচলের সময় বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।’

অনুষ্ঠানে চাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনি, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিব, এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আফনান হাসান ইমরান, আলোচক প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহিম খলিল আল হায়দার, বিজয় ২৪ হলের সিনিয়র আবাসিক শিক্ষক ড. আকিকুল হক, হল সংসদের ভিপি সানু আক্তার (নদী), এজিএস শাম্মী আক্তার সুরভী, দপ্তর সম্পাদক আবিদা সুলতানা, সমাজসেবা, পরিবেশ ও মানবাধিকার সম্পাদক তাহিয়া রহমান নুহা, ডাইনিং, ক্যাফেটেরিয়া ও রিডিং রুম সম্পাদক সাদিয়া নাসরিন, নির্বাহী সদস্য রেহানা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।


ভৈরবে ধসে পড়ল শত বছরের ভবনের একাংশ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে রাতে হঠাৎ ধসে পড়ল শত বছরের পুরোনো বিল্ডিংয়ের একাংশ। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচল দোকানি ও পথচারীরা।

গত রোববার (১২ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ভৈরব শহরের দুধ বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে ভৈরব বাজার সাপ্তাহিক বন্ধের দিন থাকায় লোক সমাগম কম থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভৈরব পৌর শহরের দুধ বাজার এলাকায় ব্যবসায়ী তারিক আহমেদের মালিকানাধীন শত বছরের পুরোনো বিল্ডিংটি ভৈরব পৌর কর্তৃপক্ষ ভবনটি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অপসারণের জন্য একাধিক নোটিশ দেওয়া হলেও কোনো কর্ণপাত করেনি। সেই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে পুরোনো দুইতলা ভবনের বিভিন্ন রুমে গুদামঘর ও নিচ তলায় দোকানে ব্যবসা পরিচালনা করছিল। গত রোববার (১২ জুলাই) সন্ধ্যার পর হঠাৎ করে শত বছরের পুরোনো ভবনের একাংশ বারান্দার ছাদ ধসে পড়ে। এ সময় ভবনের নিচে থাকা কয়েকজন পাইকারি ডিম ব্যবসায়ী বিকট শব্দ শোনে দোকানঘর থেকে দৌড়ে প্রাণ রক্ষা করে। পরে খবর পেয়ে ভৈরব বাজার ফায়ার স্টেশনের লোকজন এসে দুর্ঘটনা স্থলটি জনসমাগম রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে দুর্ঘটনা স্থলটি পরিদর্শন করেন ভৈরব পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাতেন।

ভৈরব বাজারের পাইকারি ডিম ব্যবসায়ী নজরুল মিয়া বলেন, ‘প্রতিদিনের মতোই সন্ধ্যায় দোকানে বসে ডিম বিক্রি করছিলাম। আজকে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন থাকায় ক্রেতা কম ছিল। হঠাৎ করে একটা শব্দ শোনে দ্রুত দোকানঘর থেকে দৌড়ে বের হয়। এ সময় দোকানের পাশে থাকা শত বছরের পুরোনো ভবনের বারান্দার ছাদের অংশ ধসে পড়ে। অল্পের জন্য আমার জীবনটা রক্ষা পেলাম।’

স্থানীয় বাসিন্দা রক্ত সৈনিক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এই ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। পৌর কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে এই ভবনটিতে ব্যবসায়ী কার্যক্রম চালাচ্ছিল। আজকে সন্ধ্যায় হঠাৎ করে ভবনের অংশ ধসে পড়ল। এখন যদি দ্রুত এই ভবনটি অপসারণ না করা হয় তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি থাকবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ভবনটি অপসারণের কাজ শুরু করা।’

ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল আমিন বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জনসমাগম রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’

ভৈরব পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ জানান, ভবনটি দীর্ঘদিন আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করে মালিককে অপসারণের জন্য একাধিক নোটিশ দেওয়ার পরও অপসারণ করেনি। এলাকাটি অত্যন্ত জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ যদি ভবনটি দ্রুত অপসারণ না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার প্রবণতা রয়েছে। ভবন মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


banner close