শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শ্রমিকনেতারা ‘আগ্রহী নন’, তবু পরিবহন ধর্মঘট

ফাইল ছবি
আপডেটেড
১৫ নভেম্বর, ২০২২ ১০:৫২
দেবাশীষ দেবু, সিলেট
প্রকাশিত
দেবাশীষ দেবু, সিলেট
প্রকাশিত : ১৫ নভেম্বর, ২০২২ ১০:৫১

আগামী ১৯ নভেম্বর সিলেটে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিএনপির সমাবেশের আগের দিন থেকেই পরিবহন ধর্মঘট- এমনটিই ঘটেছে দেশের ছয় বিভাগে। সিলেটেও কি এর পুনরাবৃত্তি ঘটবে? এখানেও কি বিএনপির সমাবেশের আগেই ধর্মঘটে যাবেন পরিবহন শ্রমিকরা?

সিলেটের পরিবহন শ্রমিকনেতারা বলছেন, ধর্মঘট ডাকার কোনো পরিকল্পনা নেই তাদের। মালিকপক্ষও এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে কেন্দ্রীয় নেতারা নির্দেশনা দিলে সিলেটেও ধর্মঘট হবে।

বিএনপি নেতাদের আশা, সিলেটের সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের কথা বিবেচনা করে ধর্মঘট থেকে বিরত থাকবেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা। তবে ধর্মঘট হলেও সমাবেশ সফল করতে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া আছে বলে জানিয়েছেন তারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পরিবহন শ্রমিকদের এক নেতা দৈনিক বাংলাকে জানান, সোমবার সিলেটের কয়েকজন পরিবহন শ্রমিকনেতার সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান। এই বৈঠকে ১৭, ১৮ ও ১৯ নভেম্বর পরিবহন ধর্মঘট ডাকার ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী একজন বলেন, ১৭ নভেম্বর এইচএসসি পরীক্ষা থাকায় ওই দিন ধর্মঘট নাও ডাকা হতে পারে। কেবল ১৮ ও ১৯ নভেম্বর পরিবহন ধর্মঘট থাকবে। দু-এক দিনের মধ্যেই এ ঘোষণা আসবে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দেশের সব বিভাগে গণসমাবেশ করছে বিএনপি। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা, রংপুর, বরিশাল ও ফরিদপুরে সমাবেশ সম্পন্ন হয়েছে। সব বিভাগেই সমাবেশের আগের দিন থেকে শুরু হয় পরিবহন ধর্মঘট। এতে সমাবেশে আসা নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি দুর্ভোগ পোহাতে হয় সাধারণ মানুষকেও। সমাবেশের আগে ডাকা পরিবহন ধর্মঘট নিয়ে সমালোচনা সত্ত্বেও সব বিভাগেই ঘটছে এমন ঘটনা।

সিলেটে বিএনপির সমাবেশের আগে ধর্মঘট ডাকা হবে কি না- এমন প্রশ্নে সিলেট জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মইনুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্মঘট ডাকার কোনো চিন্তা বা লক্ষ্য আমাদের নেই। আমরা শ্রমিকরা সর্বদলীয়। সবার সঙ্গেই আমরা আছি।’

তবে মালিকপক্ষ পরিবহন বন্ধ রাখলে তাদের করার কিছু থাকবে না জানিয়ে এই পরিবহন শ্রমিকনেতা বলেন, মালিকপক্ষ যদি সড়কে গাড়ি বের না করে, তাহলে শ্রমিকরা চালাতে পারবে না। ফলে মালিকপক্ষ এ ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা দেখতে হবে।

ধর্মঘটের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি জানিয়ে বাস মালিক সমিতি সিলেট জেলা শাখার সভাপতি আবুল কালাম বলেন, ‘সবকিছু বিবেচনা করেই আমাদের চলতে হয়। সরকারের কথাও শুনতে হয়। তা ছাড়া যানবাহন ও যাত্রীদের নিরাপত্তার কথাও আমাদের ভাবতে হয়।’

‘সবকিছু বলাও ঠিক নয়’ উল্লেখ করে এই পরিবহন মালিক সমিতির নেতা বলেন, পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় নেতারা বসে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। গতকাল সোমবার ঢাকায় এ নিয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। শিগগিরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

তবে পরিবহন শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকলেও বিএনপির সমাবেশে তার কোনো প্রভাব পড়বে না জানিয়ে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ধর্মঘটে কোথাও সমাবেশের ক্ষতি হয়নি। সাধারণ মানুষেরই ভোগান্তি হয়েছে কেবল। তাই আমরা আশা করব জনদুর্ভোগ এড়াতে এবং সিলেটের রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্প্রীতির কথা বিবেচনায় রেখে এখানে পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হবে না।

তবে ধর্মঘট ডাকলেও সমাবেশে লোকসমাগম ঘটাতে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বিকল্প সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছি। কোনো গাড়ি না চললেও ১৯ তারিখে সিলেটে জনতার ঢল নামবে। কেবল আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ নয়, পুরো সিলেট সেদিন সমাবেশের নগর হবে।’

এ প্রসঙ্গে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম জালালী পংকী বলেন, ‘প্রশাসন ও পরিবহন শ্রমিকদের ব্যবহার করে সরকার বিএনপির সমাবেশে বাধা দেয়ার চেষ্টা করছে। রোববার বিভিন্ন জায়গায় লিফলেট বিতরণকালে পুলিশ আমাদের বাধা দিয়েছে, নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া একটি পেশাজীবী গোষ্ঠীকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করে বিতর্কিত করা হচ্ছে। আশা করছি আমাদের পরিবহন শ্রমিক ভাইয়েরাও এটা বুঝতে পারছেন।’


নীলফামারী জেলা পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে নানা সামগ্রী বিতরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীর জলঢাকায় বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হতদরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে ফ্যান, বাই-সাইকেল, স্কুল ব্যাগ, টিফিন বক্স, পানির বোতল ও খেলার সামগ্রী বিতরণ করেছে জেলা পরিষদ।

শনিবার (১৬ মে) দুপুরে জলঢাকা ডাকবাংলো মাঠে নীলফামারী জেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির বিশেষ বরাদ্দের অর্থায়নে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে সামগ্রী তুলে দেন নীলফামারী জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জলঢাকা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আলী, জলঢাকা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আলমগীর হোসেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। তাদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে হবে। জেলা পরিষদ পিছিয়ে পড়া ও হতদরিদ্র শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের শিক্ষাজীবন সহজ ও আনন্দময় করতে কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান প্রজন্মকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে শিক্ষা ও খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাই শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণের এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠানে সামগ্রী পেয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা এ ধরনের উদ্যোগকে শিক্ষাবান্ধব ও মানবিক কার্যক্রম হিসেবে অভিহিত করেন।


নিখোঁজের পাঁচদিন পর গলায় ইট -কোমরে বস্তা বাঁধা অবস্থায় কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

নিখোঁজের পাঁচদিন পর কিশোরগঞ্জের ইটনা থেকে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৬ মে) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের কালিবাড়ি চরের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় কিশোরটির গলায় ইট ও কোমরে বস্তা বাঁধা ছিল।

নিহত কিশোরের নাম আরিক মিয়া (১২)। সে নেত্রকোনার খালিয়াজুড়ি উপজেলার পাঁচহাট গ্রামের রেজেক মিয়ার ছেলে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, গত ১১ মে রাত ১টার দিকে আরিক বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরদিন খালিয়াজুড়ি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার পরিবার।

শনিবার দুপুরে পাশ্ববর্তী ইটনা উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের কালিবাড়ি চরে কয়েকজন যুবক ঘাস কাটতে গিয়ে একটি ডোবায় মরদেহটি দেখতে পান। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি আরিকের বলে শনাক্ত করেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

স্বজনদের দাবি, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এছাড়াও তার গলায় ইট এবং কোমরে বালুর বস্তা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়।

ইটনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেব মিয়া জানান, ১১ মে নিজ বাড়ি থেকে ছেলেটি নিখোঁজ হয়। পরদিন তার পরিবার খালিয়াজুড়ি থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। শনিবার ইটনার ধনপুর কালিবাড়ি চর এলাকা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে আধুনিক শিক্ষার বিকল্প নেই: দীপেন দেওয়ান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিজয় ধর, রাঙামাটি প্রতিনিধি

আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত জাপানি শিক্ষা পদ্ধতি ‘কুমন’ প্রশিক্ষণের যাত্রা রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে। এমইউএফজি ব্যাংক লিমিটেডের সহায়তায় ব্র্যাক কুমন লিমিটেড ও মোনোঘরের যৌথ উদ্যোগে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্ত্বা জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৪০ জন শিক্ষার্থী গণিত বিষয়ে ‘কুমন’ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।

আজ শনিবার (১৬ মে) দুপুরে রাঙামাটির রাঙ্গাপানি মোনোঘর আবাসিক বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কুমন লার্নিং সেন্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, নতুন প্রজন্মকে দক্ষ, আত্মনির্ভরশীল ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে যোগ্য করে গড়ে তুলতে আধুনিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। পার্বত্য অঞ্চলের অবহেলিত ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এই ধরনের আধুনিক উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষায় দীক্ষিত করতে বিদেশী আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি যাতে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা সহজেই আয়ত্ত করতে পারে, সেই সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার সবসময় আন্তরিক এবং এই ধরনের আন্তর্জাতিক উদ্যোগকে সরকার বিশেষভাবে উৎসাহিত ও সহযোগিতা করে আসছে। এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মেধা ও দক্ষতা বিকাশে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ শীঘ্রই পুনঃগঠন করা হবে। পুরো বিষয়টি এখন প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। এটি একটি বড় এবং জটিল প্রক্রিয়া, তাই এখানে কোনো প্রকার ভুল হতে দেওয়া যাবে না। তবে পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন আইনের বিধান মেনেই সকল জাতিসত্ত্বার সদস্যসহ সব জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করে এই জেলা পরিষদগুলো গঠন করা হবে। অচিরেই তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ গঠনের বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, জাপানে উদ্ভাবিত এবং বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশে সমাদৃত ‘কুমন’ পদ্ধতি শিশুদের আত্মশিক্ষা, মনোযোগ বৃদ্ধি এবং যেকোনো জটিল সমস্যা সমাধানের দক্ষতা অর্জনে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের শিশুদের আধুনিক শিক্ষায় এগিয়ে নিতে এই লার্নিং সেন্টারটি অনন্য অবদান রাখবে।

মোনোঘরের সভাপতি উদয় শংকর মহাথের-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক কুমন লিমিটেডের চিফ বিজনেস অফিসার নেহাল বিন হাসান, এমইউএফজি ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর কিমুরা কেঞ্জি, ভাইস প্রেসিডেন্ট গোলাম কিবরিয়া, মোনঘরের মহাসচিব কীর্তি শিখান চাকমা এবং জাইকা (JICA) বাংলাদেশ অফিসের স্পেশাল অ্যাডভাইজার কিয়োকো আমাদা।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক কুমন লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজার অনন্য হকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং ৮ শতাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী পর্ব শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।


জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার এক জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (১৬ মে) বিকেলে উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের ইমান আলী বাজার এলাকার একটি বাড়ি থেকে চালগুলো উদ্ধার করা হয়।

অভিযুক্ত মো. আবদুস সামাদ ওরফে ডাক্তার সামাদ স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমীর বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়িতে সরকারি চাল মজুত করে রাখা হচ্ছিল। পরে এসব চাল বেশি দামে বিক্রি করা হতো। গতকাল শনিবার সকালে এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পেরে সামাদের বাড়িতে যান। সেখানে একটি কক্ষে বিপুল পরিমাণ সরকারি চালের বস্তা দেখতে পান তারা। পরে বিষয়টি প্রশাসন ও পুলিশকে জানানো হয়।

খবর পেয়ে প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে ৯৯ বস্তা চাল উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে রাখেন।

এ বিষয়ে আবদুস সামাদ বলেন, ‘আমার ছোট ভাই ডাক্তার আজগর একজন ডিলার। নূরানী মাদ্রাসার সরকারি বরাদ্দের চাল তিনি কিনে এনেছেন। পরে সেগুলো বাড়িতে রাখা হয়েছিল।’

সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, ‘স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে চালগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। চাল কেনার বিষয়ে বৈধ কাগজপত্র আছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


নলছিটিতে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম পরিদর্শনে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বরিশাল প্রতিনিধি

ঝালকাঠীর নলছিটি উপজেলায় চলমান খাল পুনঃখনন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন এলজিইডি ঝালকাঠির নির্বাহী প্রকৌশলী জিএম শাহাবুদ্দিন এবং উপজেলা প্রকৌশলী আজিজুল হক। শনিবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলমান খনন কাজ ঘুরে দেখেন।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন খালগুলো খনন না হওয়ায় পানি প্রবাহ কমে গিয়ে কৃষি কাজে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছিল। বিশেষ করে শুকনো মৌসুমে জমিতে সেচ দিতে কৃষকদের নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো। বর্তমানে খাল পুনঃখননের ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরে আসবে,এবং কৃষকরা সহজেই চাষাবাদের জন্য পানি ব্যবহার করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

এলাকাবাসী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত বাস্তবমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনার আলোকে খাল পুনরুদ্ধার ও জলাধার সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রামীণ কৃষি ও পরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ ধরনের প্রকল্প কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নে অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে। সারাদেশে পুকুর ও খাল উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প(IPCP) এলজিইডি, নলছিটি, ঝালকাঠী এর আওতায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে (RDPP No-16) এর আওতায় মল্লিকপুর হতে তেরলা ব্রিজ পর্যন্ত কুদেরধন খাল, বচন বাড়ি খাল, বড় তালুকদার বাড়ি হয়ে মোনাই বাড়ি পর্যন্ত এবং চন্দ্রকান্দা বাজার হতে ভরতকাঠি জিপিএস এবং জুরকাঠী শাখা খাল পর্যন্ত, পুনঃখননের কাজ চলমান রয়েছে।


জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার এক জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের ইমান আলী বাজার এলাকার একটি বাড়ি থেকে চালগুলো উদ্ধার করা হয়।

অভিযুক্ত মো. আবদুস সামাদ ওরফে ডাক্তার সামাদ স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমীর বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়িতে সরকারি চাল মজুদ করে রাখা হচ্ছিল। পরে এসব চাল বেশি দামে বিক্রি করা হতো। শনিবার সকালে এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পেরে সামাদের বাড়িতে যান। সেখানে একটি কক্ষে বিপুল পরিমাণ সরকারি চালের বস্তা দেখতে পান তারা। পরে বিষয়টি প্রশাসন ও পুলিশকে জানানো হয়।

খবর পেয়ে প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে ৯৯ বস্তা চাল উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে রাখেন।

এ বিষয়ে আবদুস সামাদ বলেন, “আমার ছোট ভাই ডাক্তার আজগর একজন ডিলার। নূরানী মাদরাসায় সরকারি বরাদ্দের চাল তিনি কিনে এনেছেন। পরে সেগুলো বাড়িতে রাখা হয়েছিল।”

সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে চালগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। চাল কেনার বিষয়ে বৈধ কাগজপত্র আছে কি না তা যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ঝিনাইদহে জেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে জেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে শহরের জোহান ড্রীম ভ্যালী পার্কে এ সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদের সভাপতি সামছুল আলমের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা'র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. মোঃ আব্দুল মজিদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মমিনুর রহমান ও চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন।
সভায় জেলার বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এসময় উন্নয়ন কার্যক্রম, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এনজিওগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।


বাকৃবিতে পর পর দুটি আবাসিক হলে চুরি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আরাফাত হোসাইন, বাকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) দুটি আবাসিক হলে পৃথক চুরির ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিকন্যা হল এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে চুরির ঘটনাগুলো ঘটে।

শনিবার (১৬ মে) রাতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ডি ব্লকের চার তলার ৪৪১ ও ৪৪০ নম্বর কক্ষেও চুরির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, চোর জানালার দুটি স্টিলের শিক কেটে কক্ষে প্রবেশ করে মূল্যবান মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। এর কয়েক ঘণ্টা আগে শুক্রবার (১৫ মে) রাতে কৃষিকন্যা হলের খ ব্লকের ১৩ নম্বর কক্ষে সিলিং ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, চোর সিলিংয়ের পথ দিয়ে কক্ষে প্রবেশ করে নগদ প্রায় ৪ হাজার টাকা, আইডি কার্ডসহ দুটি ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায়।

এক শিক্ষার্থী জানান, রিডিং রুম থেকে ফিরে দরজা ভেতর থেকে আটকানো দেখতে পেয়ে জানালা দিয়ে চোরকে দেখতে পান। পরে চিৎকার করলে চোর দ্রুত সিলিংয়ের পথ দিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় হলের নারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ঈদের ছুটিতে অধিকাংশ ছাত্রী বাড়িতে চলে যাওয়ায় হল তুলনামূলক ফাঁকা ছিল এবং সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে চোর।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের দাবি, চারদিকে বাউন্ডারি ওয়াল থাকা সত্ত্বেও চোর কীভাবে চার তলায় উঠে জানালার শিক কেটে কক্ষে প্রবেশ করলো, তা নিয়ে প্রশাসনের জবাবদিহি প্রয়োজন। তারা বলেন, সম্প্রতি একের পর এক চুরির ঘটনায় আবাসিক হলগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে।

শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে উচ্চ রেজুলেশনের সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, নিরাপত্তা কর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত এবং হল এলাকায় নিয়মিত নজরদারি বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন।

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থী মেজবাউল হক মিজু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যেখানে চারতলার মতো জায়গায় উঠে জানালার শিক কেটে চুরি করা সম্ভব হয়, সেখানে হলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।”

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি কৃষি কন্যা হলেও সিলিং কেটে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসময় অনেক সিনিয়র শিক্ষার্থী চাকরির পরীক্ষার জন্য ঢাকায় অবস্থান করায় হলের কিছু কক্ষ ফাঁকা ছিল। চোরেরা সেই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে উচ্চ রেজুলেশনের সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের দাবি জানাচ্ছি। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও হল প্রভোস্টের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছি।

কৃষিকন্যা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বলেন, হলের নির্মাণ কাজ চলমান। সেখানে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী সংখ্যা অনেক কম। আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু আজকের এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত। এটি পরিকল্পিত কোনো ঘটনা হতে পারে অথবা কোনো নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি সুযোগ বুঝে এই কাজ করেছে বলে অনুমান করছি।

অন্যদিকে সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্লা বলেন, সোহরাওয়ার্দী হলের আজকের চুরির ঘটনাটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তৎপর রয়েছে। উক্ত ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং প্রক্রিয়া উদঘাটনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, শিক্ষার্থীরা রুমে থাকা অবস্থাতেই জানালা কেটে এই চুরির ঘটনা ঘটেছে, যা কিছুটা অস্বাভাবিক এবং বর্তমানে তদন্তাধীন পর্যায়ে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মীদের কোনো প্রকার অবহেলা ছিল কি না, তাও গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ামাত্রই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিরাপত্তা শাখাকে অবহিত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাকৃবির নিরাপত্তা কাউন্সিলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোর নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা স্বাধীন রক্ষী থাকলেও, সার্বিক নজরদারির স্বার্থে সেন্ট্রাল সিকিউরিটি সেকশন থেকে আমরা সর্বদা তৎপর আছি। কৃষিকন্যা হলের চুরির ঘটনার পর পরই চিফ সিকিউরিটি অফিসারকে পাঠিয়ে একটি সম্ভাব্য প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে এবং কারণসমূহ চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে বিশাল এই ক্যাম্পাসে জনবল সংকট একটি বড় সমস্যা, যার সুযোগ নিয়ে চোরেরা অন্ধকার ও আড়ালে থাকা সীমানাগুলোকে টার্গেট করে।

এ বিষয়ে বাকৃবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. কাজী ফরহাদ কাদির বলেন, আমরা হলগুলোর প্রভোস্টদের সাথে কথা বলেছি। হলের নিরাপত্তার দায়িত্ব মূলত প্রভোস্টের। হলের ভেতরের নিরাপত্তার বিষয়টাতেও ঘাটতি আছে, যেটা প্রভোস্টের এখতিয়ারে পড়ে। সেখানে সিসি ক্যামেরারও বোধহয় কভারেজ নাই। তো সেই দিকগুলোতে আসলে আমাদের একটু জোরদার করতে হবে। আমাদের অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী হলের শান্তিশৃঙ্খলার দায়িত্বে প্রক্টোরিয়াল বডি আছে, নিরাপত্তার জন্য নিরাপত্তা সেকশন আছে, ফ্যাকাল্টিগুলোতে ডিন মহোদয় এবং হলগুলোতে প্রভোস্টের দায়িত্ব আছে। এদের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে আসলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সবাইকে কাজ করা দরকার।


কোরবানির পশু থেকে মানুষে ছড়াতে পারে প্রাণঘাতী রোগ, সতর্ক করলেন বাকৃবি অধ্যাপক 

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আরাফাত হোসাইন, বাকৃবি প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট। তবে এই সময়ে গবাদিপশুর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু সংক্রামক রোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা এবং ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ বা খুরা রোগের মতো জুনোটিক রোগ (প্রাণী থেকে মানুষে ছড়ায় এমন রোগ) নিয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

কোরবানির হাটের মাধ্যমে এসব রোগ মানুষে সংক্রমণের ঝুঁকি, রোগ প্রতিরোধ এবং করণীয় বিষয় নিয়ে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আমিমুল এহসান।

তিনি বলেন, ‘দেশে কিছুদিন আগে রংপুর ও গাইবান্ধায় অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত হয়েছে। এ সময় মানুষের মধ্যে চামড়ায় ক্ষত, চোখ ফোলা এবং অন্যান্য উপসর্গ দেখা গেছে। অ্যানথ্রাক্স একটি ভয়াবহ জুনোটিক রোগ, যা আক্রান্ত প্রাণীর রক্ত, মাংস এবং দেহের বিভিন্ন অংশের সংস্পর্শে এলে মানুষের শরীরে সংক্রমিত হতে পারে। হাটে যদি কোনো আক্রান্ত পশু থাকে, তাহলে সেখান থেকে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে রোগটি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। তবে নিয়মিত টিকাদান এবং হাটে প্রাণীর প্রবেশপথে বিশেষজ্ঞ টিম দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা গেলে এ ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।’

আক্রান্ত পশু শনাক্তকরণ সম্পর্কে অধ্যাপক জানান, ‘অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত পশু অনেক সময় লক্ষণ প্রকাশের আগেই মারা যায়। তবে লক্ষণ দেখা দিলে পশুর শরীরের তাপমাত্রা সাধারণত ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই প্রাণীটি মারা যায়। মারা যাওয়ার পর নাক, মুখ ও পায়ুপথ দিয়ে আলকাতরার মতো কালো রক্ত বের হয়। এই রক্ত বাতাসের সংস্পর্শে এলে জীবাণুটি “স্পোর” তৈরি করে, যা দীর্ঘ সময় সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম। এ ছাড়া পশুর জিহ্বা, নাক বা গলায় কালচে কিংবা সাদা দাগ ও ফোসকা দেখা দিতে পারে। আচরণগত পরিবর্তন হিসেবে অস্বাভাবিক উত্তেজনা বা অতিরিক্ত শান্তভাবও লক্ষ করা যেতে পারে।’

কোরবানির পশুদের মধ্যে অ্যানথ্রাক্সের পর আরও একটি ভয়াবহ রোগ হলো ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ, যা খুরা রোগ নামে বেশি পরিচিত।

অধ্যাপক বলেন, ‘খুরা রোগ অত্যন্ত ছোঁয়াচে এবং বাতাসের মাধ্যমে প্রায় ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। কোরবানির সময় এ রোগ মহামারি আকারে দেখা দেয়। দিনাজপুর বা চট্টগ্রামের কোনো আক্রান্ত গরু যখন ঢাকায় বিক্রির জন্য আনা হয়, তখন পুরো পথজুড়ে এবং আশপাশের সব গরুর মধ্যে এ জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। তাই খামারিদের প্রতি অনুরোধ, অসুস্থ পশু কোনোভাবেই হাটে বা ট্রাকে তোলা উচিত নয়। আগে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে পশুকে সুস্থ করে তারপর কোরবানির জন্য বাছাই করা উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণত কোরবানির পরও অনেক গরু অবিক্রিত থেকে যায়। এসব পশু হাটে এসে আক্রান্ত হয়ে নিজ এলাকায় গিয়ে অন্যান্য সুস্থ পশুকেও সংক্রমিত করতে পারে। তবে ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ মানুষে সংক্রমিত হলেও অ্যানথ্রাক্সের মতো জটিল পর্যায়ে যায় না।’

হাটে যাওয়ার সময় ক্রেতাদের উদ্দেশে অধ্যাপক বলেন, ‘অসুস্থ মনে হওয়া প্রাণী স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। বিশেষ করে শরীরে কোনো ক্ষত বা কাটা থাকলে তা ঢেকে হাটে যাওয়া উচিত, কারণ ক্ষতস্থান দিয়ে অ্যানথ্রাক্স বা টিটেনাসের মতো জীবাণু সহজেই শরীরে প্রবেশ করতে পারে। পশুর সংস্পর্শে আসার পর দ্রুত হাত ও পা সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।’

ড. আমিমুল আরও বলেন, ‘হাটের বর্জ্য ও রক্ত যাতে যত্রতত্র না পড়ে, সে বিষয়ে হাট কর্তৃপক্ষকে নজর দিতে হবে। কোরবানির পর পশুর বর্জ্য নিরাপদ স্থানে মাটিতে পুঁতে ফেলা এবং মাংস সঠিকভাবে রান্না করা নিশ্চিত করতে হবে।’ সন্দেহজনক কোনো পশু হাটে দেখা গেলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বা ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।


অসুস্থ শিশুকে ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে প্রাণ গেল মায়ের, আহত শিশু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে অসুস্থ শিশুসন্তানকে ডাক্তার দেখিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকের চাপায় বীথি আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে তার তিন বছরের ছেলে আব্দুর রহমান। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে দেবীগঞ্জ-ডোমার মহাসড়কের ফার্মগেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বীথি আক্তার দেবীগঞ্জ উপজেলার পামুলী ইউনিয়নের একতা মোড় এলাকার অটোভ্যান চালক জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিশুসন্তানের কানের সমস্যার চিকিৎসার জন্য স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে পাশ্ববর্তী নীলফামারীর ডোমারে গিয়েছিলেন জাহিদুল ইসলাম। রাতে চিকিৎসা শেষে অটোভ্যানে করে বাড়ি ফেরার পথে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। ফার্মগেট এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবাহী ট্রাকের তীব্র আলোয় অটোভ্যানটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে নির্মাণকাজের জন্য রাখা বালুর স্তূপে ধাক্কা লাগে। এতে অটোভ্যানটি উল্টে গেলে বীথি আক্তার ও তার শিশুসন্তান সড়কে ছিটকে পড়েন। এ সময় দ্রুতগতির ট্রাকটি বীথি আক্তারকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হয় শিশুটি।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও দেবীগঞ্জ থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। পরে শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে যান। দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে এবং যানজটের সৃষ্টি হয়।

দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আটক ট্রাকটি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বসতবাড়ি থেকে জেলেদের জন্য বরাদ্ধকৃত ৭৮০ কেজি চাল উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি বসতবাড়ির শয়নকক্ষ থেকে জেলেদের বরাদ্ধকৃত সরকারী ৭৮০ কেজি চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আমিরাবাদ গ্রামের ইতালি বাড়ী নামে পরিচিত ইমরান হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এসব চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো সরকারী সিলযুক্ত ২৬টি বস্তায় মজুদ করা ছিলো। এছাড়া এসময় আরও ২৪ টি খালি বস্তা উদ্ধার করা হয়।

কলাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক মো কামরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।তবে এই ঘটবার সাথে জড়িতদের খুজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চালগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। বাড়িটিতে শুধুমাত্র নারী সদস্য থাকায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ধারনা করা হচ্ছে, বিক্রির উদ্দেশ্যে ইউনিয়ন পরিষদ সংশ্লিষ্ট যে কেউ চালগুলো ওই বাড়িতে মজুদ করেছিলো।


জীবননগর থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ গ্রেফতার ২

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 

জীবননগর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ একজন আটক হয়েছে। শুক্রবার দিনগত রাতে জীবননগর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের নতুন চাকলা ও বাঁকা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃত সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেন- নতুন চাকলা গ্রামের শহিদুল মুন্সির ছেলে সাজেদুল ইসলাম (৩৪) এবং গাঁজাসহ আটক হয়েছে বাঁকা গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে ইসরাফুল হক (২১)।

জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান সেখ বলেন, শুক্রবার রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। একই সাথে গাঁজাসহ আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। আসামীদেরকে শনিবার সকালে চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।


কুয়েটে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দাবা প্রতিযোগিতা শুভ উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সৈকত মোঃ সোহাগ, খুলনা ব্যুরো 

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)-এ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে “আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দাবা প্রতিযোগিতা ২০২৫-২০২৬”। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় দেশের ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড় ও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) প্রফেসর ড. মোঃ হাসান আলী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ বলেন, “দাবা এমন একটি বুদ্ধিবৃত্তিক খেলা, যা মানুষের চিন্তাশক্তি, ধৈর্য, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও দূরদর্শিতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সফল হতে হলে শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করলেই হবে না, পাশাপাশি সৃজনশীল চিন্তা, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতাও অর্জন করতে হবে। দাবা সেই দক্ষতা বিকাশের অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। তিনি আরও বলেন, “আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দাবা প্রতিযোগিতার মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য, নেতৃত্বের গুণাবলি ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একত্রিত করার মাধ্যমে এ ধরনের আয়োজন জ্ঞান, সংস্কৃতি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়েরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। কুয়েট সবসময় একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমকে সমান গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আমি বিশ্বাস করি, এ প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে আরও বড় সাফল্য অর্জনে তাদের অনুপ্রাণিত করবে।”

সভাপতির বক্তব্যে পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) প্রফেসর ড. মোঃ হাসান আলী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দাবা প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলবে।” তিনি সফলভাবে অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক ও ক্রীড়া পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ মাহমুদুল আলাম। এছাড়া বক্তব্য রাখেন ছাত্র কল্যাণ দপ্তরের উপ-পরিচালক ও আয়োজক কমিটির সদস্য-সচিব রাজন কুমার রাহা, প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল্লাহ ইলিয়াস আক্তার, প্রোভোস্ট, খানজাহান আলী হল এবং বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য-সচিব মোঃ মাহবুবুল আলম।

উল্লেখ্য, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ হলো— খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় এবং হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


banner close