বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
১৫ মাঘ ১৪৩২

জামালপুরে জুলাই শহীদ ও আহতদের পাশে দাঁড়িয়েছে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

রাজু আহমেদ ফুয়াদ, জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত
রাজু আহমেদ ফুয়াদ, জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৭ আগস্ট, ২০২৫ ২২:০৪

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ২০২৪ এর গণঅভ্যুথানে শহীদ ও আহতদের চিকিৎসা সহায়তা ও অটোরিকসা প্রদান করেছে আমরা বিএনপি পরিবার নামের একটি সামাজিক সংগঠন।

বুধবার (২৭ আগষ্ট) বিকালে দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আমরা বিএনপি পরিবার এর আয়োজন করে। আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে যারা আহত ও নিহত হয়েছেন তাদের পাশে দাঁড়াতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সামাজিক ও মানবিক সংগঠন করেছেন আমরা বিএনপি পরিবার। শুধু তাই নয় যারা খেলাধুলায়, মেধা চর্চায় কৃতিত্ব অর্জন করেছে এবং সমাজে বিভিন্নভাবে অবদান রেখেছে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এই সংগঠন আমরা বিএনপি পরিবার। তিনি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছেন, যেই আদর্শ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান দেখিয়েছেন। এ সময় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ এম,রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা.মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ মনিরুর রহমান মনিরসহ আরো অনেক।

এ সময় আমরা বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে আহত ৯জন ও নিহত ২জন মোট ১১ জনকে চিকিৎসা সহায়তা ও একটি অটোরিকসা প্রদান করা হয়।


ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য: এবার শিক্ষক সমিতির পদ গেল বহিষ্কৃত জামায়াত নেতার

ছবি: বহিষ্কৃত শামীম আহসান
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বরগুনা প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদকে (ডাকসু) ‘মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা’ বলে মন্তব্য করা জামায়াতে ইসলামীর বহিষ্কৃত নেতা শামীম আহসানকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ)। পাথরঘাটা উপজেলা কিরণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে শামীম বিটিএর পাথরঘাঁটা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক পদে ছিলেন।
এর আগে বরগুনা জেলা কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলের পদ থেকে অব্যাহতি ও সদস্য পদ (রুকন) স্থগিত করে তাকে বহিষ্কার করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বিটিএর পাথরঘাঁটা উপজেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. গোলাম করিব গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বলেন, ডাকসু নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষর্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে মানসিকভাবে আঘাত করেছেন। তাই মঙ্গলবার পাথরঘাঁটা উপজেলা শাখা বিটিএ কমিটি সভা করে তাকে উপজেলা কমিটির আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উপজেলা বিটিএ মঙ্গলবারই তার অব্যাহতিপত্র ইস্যু করেছে।
শনিবার রাতে শামীম আহসান এক নির্বাচনি জনসভায় বলেন, ‘আমরা দেখছি ডাকসু নির্বাচনের পরে যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। তাই এই বাংলাদেশ থেকে সকল প্রকার অন্যায়, সকল প্রকার চাঁদাবাজ, সকল প্রকার দুর্নীতি এটা উৎখাত করতে জামায়াতে ইসলামী সক্ষম।’


কাপাসিয়ার ইকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ইকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জাঁকজমকপূর্ণ, বর্ণাঢ্য ও আনন্দঘন পরিবেশে দুদিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী ফ ম মমতাজ উদ্দীন রেনু।

অনুষ্ঠিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী পর্বে আনুষ্ঠানিকতার সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক মো. রাশেদুল হক।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। এ সময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন কাপাসিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এফ এম কামাল হোসেন, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক ও প্রাইভেট হাসপাতাল ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের নেতা মো. শহীদুল আমিন, স্থানীয় বিশিষ্ট্য সমাজসেবক তারা মিয়া, আলতাফ হোসেন, জাহিদুল হক, রিটু প্রমুখ। এছাড়া বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরা, শিক্ষকরা, অভিভাবক ও স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকৃত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধান অতিথি উৎসাহমূলক বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। আর সেই শিক্ষা হতে হবে সুশিক্ষা। শিক্ষার পাশাপাশি মানসিক বিকাশ ও শরীর গঠনের জন্য খেলাধুলা অত্যন্ত জরুরি। পরিবারের শিক্ষার পরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাকে ধারণ করে। সবাইকে শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। প্রকৃত মানুষ হিসাবে গড়ে উঠার জন্য শৃঙ্খলা, সময়জ্ঞান ও নিয়মানুবর্তিতার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষার্থীরা সজ্জিত মাঠে সুশৃঙ্খল সমাবেশে মিলিত হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও গীতা পাঠ করে। উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত অতিথিদের সাথে সমবেত কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন এবং জাতীয় পতাকা ও প্রতিষ্ঠানের পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া বিশেষ ভাবে মশাল প্রজ্বলন করা হয়। প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ইভেন্টে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। আজ বৃহস্পতিবার সমাপনী দিনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।


ইবিতে নিয়োগ ঠেকাতে বিভাগীয় সভাপতিকে অপহরণের অভিযোগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইবি প্রতিনিধি

নিয়োগ বোর্ড আটকাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম জুয়েলকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদের বিরুদ্ধে। এতে ক্ষুব্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পরে বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৯ টার দিকে ঝিনাইদহের নিজ বাসভবনের সামনে থেকে মোটরসাইকেলে তাকে তুলে নেওয়ার একটি সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়।

ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিভাগের সভাপতি বাসা থেকে বের হলে তাকে একটি বাইকে তুলে নিতে দেখা যায়। পরে ওই শিক্ষকের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিভাগের প্রভাষক নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ড ছিল। বিভাগের সভাপতি এ উদ্দেশে সকাল আটটার দিকে তার ঝিনাইদহের বাসা থেকে বের হয়ে ক্যাম্পাসের উদ্দেশে রওয়ানা হলেন। এ সময় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান।

এ দিকে সকাল ১০ টায় নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ড এর সময় নির্ধারিত থাকলেও ১ ঘণ্টা পরে বিভাগের সভাপতি ছাড়াই বোর্ড অনুষ্ঠিত হয়। এই বোর্ডে ইতোমধ্যে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে। দুপুরের পর মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা যায়। ৩২ জন প্রার্থীর মধ্যে ২১ জন উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত অপহরণকৃত ওই শিক্ষক সেখানে উপস্থিত হননি। তবে ওই শিক্ষককে বাড়িতে পৌছে দিছে বলে দাবি সাহেদ আহম্মেদের।

শরিফুল ইসলামের পরিবার জানায়, সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বোর্ডে উপস্থিত হওয়ার জন্য কল দিচ্ছিলো। তিনি অসুস্থ থাকাতে প্রথমে যেতে পারবেন না বলে ওনাদের বলেন। কিন্তু ওনাকে বারবার কল দেওয়াতে অসুস্থ অবস্থায় ক্যাম্পাসে যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে বেরিয়ে পড়ে। তিনি যখন বাসার নিচে নামে তখন একটা মোটরসাইকেলের শব্দ শুনি। তখন ভাবছিলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গাড়ি পাঠিয়েছে তাকে নিতে। কারণ মোবাইলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যিনি কল দিছিলেন তিনি গাড়ি পাঠাচ্ছেন এমন বলেন। কিন্তু এর প্রায় আধাঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গাড়ি চালক হাসমত নামের একজন কল দিয়ে তার অবস্থান জানতে চান। তিনি বলেন, তিনি নাকি তাকে (জুয়েল) নিতে আসছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, ‘প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার অস্ত্রের মুখে ট্যুরিজমের সভাপতিকে তড়িঘড়ি করে নিয়োগ বোর্ড করাচ্ছে, এর আগে তাকে প্রক্টরের মাধ্যমে কিছু শিক্ষার্থীরা গিয়ে হুমকিও দিয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ ডিলিট করছে। জুয়েল (স্যার) নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, তাই আমাকে কল দিলে নিরাপত্তার জন্য নিয়ে আসলাম। পরে বাড়িতে দিয়ে আসলাম।’

এদিকে তিনি এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘প্রিয় শিক্ষার্থী এবং সাংবাদিক ভাইয়ের আমার অবস্থান সুস্পষ্ট। গতকাল বুধবার সকালে THM বিভাগের সন্মানিত চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম জুয়েল নিরাপত্তাহীনতায় থাকায় আমাকে সকালে ফোন দিয়েছিল এবং আমি নিজে সশরীরে গিয়ে তাকে নিয়ে আসি। সহকারী অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম জুয়েল আমার দীর্ঘদিনের পরিচিত ছোট ভাই। উল্লেখ্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং রেজিস্ট্রার ব্যক্তিগতভাবে তাকে হুমকি-ধামকি দিয়েছে এবং গত সোমবার প্রক্টরের নির্দেশে THM বিভাগে গুটিকয়েক লোক পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করে তাদের ৪ জন শিক্ষককে জোর পূর্বক মারধর ও হুমকি দিয়ে শিক্ষক নিয়োগের প্ল্যানিং করেছে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। ৪ জন শিক্ষককে প্রাননাশের হুমকি এবং সিসি ক্যামেরা ফুটেজ জোরপূর্বক ডিলিট করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার এবং গতকাল বুধবার প্রক্টর তাকে হুমকি-ধামকি দিয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক বলেন, ‘সকালে আমি কল দিয়েছিলাম, বলল- অসুস্থ। এখানে হুমকি দেওয়া হয়নি। অসুস্থ হলে আগে জানাবে এটা তো নিয়ম।’

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ‘ওনি (সভাপতি) সকালেই জানালো অসুস্থতার কারণে আসতে পারবেন না। যদি নিরাপত্তার প্রয়োজন হতো, আমরা নিরাপত্তা দিতাম। অপহরণের বিষয়ে সে এখনও অভিযোগ করেননি। এদিকে নিয়োগ বোর্ড কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।’


নির্ধারিত কসাইখানা না থাকায় ভেড়ামারাতে যত্রতত্র পশু জবাই

ভেড়ামারা নির্ধারিত কসাইখানা না থাকায় যত্রতত্র পশু জবাই করছেন মাংস ব্যবসায়ীরা।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া ভেড়ামারা পৌরসভার নির্ধারিত কোন কসাইখানা নেই। যত্রতত্র জায়গায় পশু জবাই করায় বজ্রের দুর্গন্ধে হুমকীর মুখে পড়েছে জনস্বাস্থ্য। সচেতন মহল জরুরি ভিত্তিতে প্রশাসনের নিকট নির্ধারিত জায়গায় কসাইখানা তৈরির দাবি জানিয়েছেন।

সরকারি কসাইখানা বা আধুনিক জবাইখানা (slaughterhouse) না থাকার কারণে যত্রতত্র পশু জবাইয়ের ফলে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। এতে রোগাক্রান্ত পশুর মাংস মানুষের খাদ্যচক্রে মিশছে এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করায় জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে। এছাড়াও, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে শহরের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পশু জবাই ও মাংস পরীক্ষা নীতিমালার কোন তোয়াক্কা না করে ভেড়ামারা বিভিন্ন বাজারের যত্রতত্র পশু জবাই করে পরিবেশ নষ্ট করছেন। পশু জবাইয়ের কোন নিয়মনীতি না মেনে পৌর এলাকায় যত্রতত্র পশু জবাই ও মাংস বিক্রি করছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কানিস ফারজানা জানান, পৌরসভার মধ্যে একটা কসাইখানা খুব জরুরি। নির্দিষ্ট কসাইখানা থাকলে এতে পশু জবাই এর আগে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা যায়। যত্রতত্র পশু জবাই করা ঠিক নয়। এতে পরিবশে নষ্ট হয়। বিষয়টি নিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সাথে কথা বলবেন।

এ ব্যাপারে মাংস ব্যাবসায়ীরাসহ সচেতন মহল জরুরি ভিত্তিতে প্রশাসনের নিকট নির্ধারিত কসাইখানা তৈরির দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পশু জবাই ও মাংস পরীক্ষা নীতিমালায় বলা হয়েছে, জবাই খানায় পশু রাখার শেড থাকতে হবে। ঝুলিয়ে পশুর চামড়া ছাড়াতে হবে যাতে মাটি স্পর্শ করতে না পারে। কমপক্ষে তিনদিন পশু রেখে ডাক্তারি পরীক্ষায় সার্টিফিকেট মিললেই জবাইয়ের জন্য নেওয়া হবে। চাকু দিয়ে চামড়া তোলা যাবে না, পুলিং চেইন ব্যবহার করতে হবে। জবাই করার পর মাংস কুলিং অবস্থায় ৮ থেকে ২৪ ঘণ্টা রাখতে হবে যাতে মাংসের ওপর চর্বির কোটিং পড়ে। এতে মাংস জীবাণুমুক্ত থাকবে।

প্রসেসিং রুমে প্যাকেটিং করার আগে ভেটেরিনারি সার্জন পয়জন ও অ্যান্টিবায়োটিকসহ অন্যান্য পরীক্ষার পর বাজারজাতের সার্টিফিকেট দেবেন। বাজারজাতের উপযুক্ত হলে সিলম্যান গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়ার জন্য আলাদা আলাদা সিল দেওয়া হবে। এরপর সরকারি চার্জ হিসেবে টাকা নিবেন।

জবাইখানায় ৮ ঘণ্টা হিসেবে প্রতি শিফটে একজন ভেটেরিনারি ডাক্তার, হুজুর, পরিদর্শক, সিলম্যান এবং ক্লিনার থাকবে। এভাবে পশু জবাই হলেই কেবল স্বাস্থ্যসম্মত মাংস পাওয়া যাবে। সরকার অনুমোদিত জবাইখানার বাইরে এবং সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া পশু জবাই করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিধান রেখে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ বিল ২০১১ পাস হয়েছে।


নারী উদ্যোক্তাদের জন্য আলাদা উদ্যোক্তা সহায়তা সেল গঠন: ফরিদপুরে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফরিদপুর প্রতিনিধি

নারী উদ্যোক্তাদের হাত ধরেই দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে; এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও তরুণ নেতৃত্বের অন্যতম মুখ চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। তিনি বলেছেন, তারুণ্যের শক্তি ও নারীর সৃজনশীল উদ্যোগ একত্রিত হলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বহুগুণে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় শহরের ঐতিহ্যবাহী কমলাপুর ময়েজ মঞ্জিলে ফরিদপুরে নারী উদ্যোক্তা ও তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ এসব কথা বলেন।

চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বলেন, ‘নারীরা আজ আর পিছিয়ে নেই। সংসার সামলানোর পাশাপাশি তারা নিজ নিজ উদ্যোগে ব্যবসা গড়ে তুলছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে—নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ ঋণ, প্রশিক্ষণ ও বাজার সুবিধা নিশ্চিত করা।

চৌধুরী নায়াব ইউসুফ জানান, ভবিষ্যতে তিনি নির্বাচিত হলে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য আলাদা উদ্যোক্তা সহায়তা সেল গঠন, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং পণ্য বিপণনে সরকারি সহযোগিতা নিশ্চিত করতে কাজ করবেন। বিশেষ করে গ্রাম ও মফস্বলের নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর তিনি জোড় দেন।

গেট রেডি বুটিক শপের স্বত্বাধিকারী পাপড়ি আক্তার বৃষ্টির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একেএম কিবরিয়া স্বপন, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের সেজ কন্যা চৌধুরী সাদাব ইউসুফ, চৌধুরী নায়াব ইউসুফের কনিষ্ঠ পুত্র আরশিয়ান আহমেদ, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল, নন্দিতা সুরক্ষার তাহিয়াতুল জান্নাত রেমী, মায়ের চোয়া রান্না ঘরের লাকি ইসলাম, হলি ডে মার্কেট ফরিদপুরের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক লুবাবা জান্নাত, বেসা বুটিকসের মিতা ইসলাম, লিজা মেকওভার বিউটি পার্লারের লিজা আক্তারসহ ফরিদপুর জেলার কয়েকশ নারী উদ্যক্তারা উপস্থিত ছিলেন।


মীরসরাইয়ে ট্রাক চাপায় শিক্ষার্থীসহ নিহত ২

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মীরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

মীরসরাইয়ে বেপরোয়া গতির একটি ট্রাক চাপায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে আরও ৫ জন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে মীরসরাইয়ে উপজেলার বড়তাকিয়া বাজারের জাহেদিয়া দাখিল মাদ্রাসার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে এ দুর্ঘটনা হয়।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে হাত ধরাধরি করে মাদ্রাসায় যাচ্ছিল তিন বোন। দূরের পথ পাড়ি দিয়ে মাদ্রাসার ফটকের সামনেও চলে এসেছিল তারা। তখনই হঠাৎ পাশের মহাসড়ক থেকে ধেয়ে আসা একটি বেপরোয়া ট্রাক চাপা দেল তাদের। ঘটনাস্থলেই তিন বোনের একজনের মৃত্যু হয়, গুরুতর আহত হয় বাকি দুই বোনসহ আরও পাঁচজন। তাদের পাশে থাকা পথচারী এক তরুণও মারা যান ঘটনাস্থলেই। তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি তার নাম ও পরিচয়।

দুর্ঘটনায় বড়তাকিয়া জাহেদিয়া দাখিল মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থী খাদিজা মাশমুম (১৫) ও এক পথচারী তরুণের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হয় খাদিজার বোন জাহেদিয়া মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী তোফিয়া তাবাসসুম (১৩) ও সপ্তম শ্রেণির উম্মে হাবিবা (১১) এবং পথচারী আবুল খায়ের (৪০) ও নাম না জানা আরও দুই ব্যক্তি। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

হাইওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাদ্রাসাটির অবস্থান ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনের ঠিক পাশেই। তিন বোন মহাসড়ক পার হয়ে মাদ্রাসার ফটকের সামনে পৌঁছে যায় ঘটনার ঠিক আগে। যে স্থানে ট্রাকটি তাদের চাপা দেয়, তার পাশেই দাঁড়ানো ছিল সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশা। গোখাদ্যবোঝাই দ্রুতগতির ট্রাকটি হঠাৎ এসে অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। সেটি ছিটকে পাশের পুকুরে পড়ে যায়। এরপর ট্রাকটি পাশে থাকা তিন বোন আর কয়েকজন পথচারীকেও চাপা দেয়। এরপর ট্রাকটি পুকুরে গিয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বড়তাকিয়া জাহেদিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মো. নুরুজ্জামান বলেন, ‘সাড়ে ৯টার দিকে বিকট শব্দ শুনে তিনি পেছনে ফিরে তাকান। তখন দেখেন, সড়ক থেকে ছিটকে অটোরিকশাটি পুকুরে গিয়ে পড়েছে। দুর্ঘটনায় হতাহত ব্যক্তিরা পড়ে ছিল সড়কের ওপর।’

দুর্ঘটনার শিকার তিন বোন উপজেলার খৈয়াছড়া ইউনিয়নের পোলমোগরা গ্রামের নাছির উদ্দিনের মেয়ে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নাছির উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামবাসী ভিড় করেছেন বাড়ির সামনে। উঠানের এক পাশে পর্দা টানিয়ে ভেতরে রাখা হয়েছে খাদিজার লাশ। সেখানে আহাজারি করছিলেন আত্মীয়-স্বজনরা। তিন মেয়ের শোকার্ত বাবা নাছির উদ্দিন নির্বাক বসেছিলেন। তার কথা বলার শক্তি ছিল না। কয়েকজন স্বজন জানান, নাছিরের তিন মেয়ে। সবাই একই মাদ্রাসায় পড়ত। বাড়ি থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে মাদ্রাসায় হেঁটে যেত তিন বোন। কেউ কখনো ভাবেননি এমন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মীরসরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাদিম হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘তিনি নির্বাচনী কাজে মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। পরে দুর্ঘটনা দেখতে পেয়ে ঘটনাস্থলে নামেন। এখন পর্যন্ত তারা দুজনের মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছেন। আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’


শৃঙ্খলা ও মানবিকতার ওপর আরও গুরুত্ব দিতে হবে: শিল্প সচিব

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি বিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ, নবীনবরণ ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, দুধ মল্লিক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, আব্দুল গনি একাডেমি, কালেক্টরেট কলেজিয়েট স্কুলসহ একযোগে পাঁচটি বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে নবীনবরণ, পুরস্কার বিতরণ, কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল কাদের, মাগুরা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম শফিক প্রমুখ। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বরণ, পুরস্কার বিতরণ এবং কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। দিনব্যাপী বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।


নন্দীগ্রামে মাটি কাটা ও বিক্রয়ের দায়ে এস্কেভেটরসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার নন্দীগ্রামে অবৈধভাবে মাটি কাটা, মাটি বিক্রয় ও জমি ভরাটের দায়ে একটি মালিকবিহীন এস্কেভেটরের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামাদি জব্দ করেছে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের রিধইল গ্রামে অভিযান চালিয়ে এস্কেভেটরের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামাদি জব্দ করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রিধইল গ্রামে অনুমোদন ছাড়াই মাটি কাটা, মাটি বিক্রয় ও জমি ভরাট করা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে এস্কেভেটর পাওয়া গেলেও এর মালিক বা চালককে পাওয়া যায়নি। কাউকে না পেয়ে এস্কেভেটরের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামাদি জব্দ করে নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার বলেন, ‘আইন অমান্য করে অবৈধভাবে মাটি কর্তন, মাটি বিক্রয় ও জমি ভরাট করা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। মালিকানা নিশ্চিত না হওয়ায় প্রাথমিকভাবে এস্কেভেটরের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামাদি জব্দ করে নিয়ে আসা হয়েছে। অবৈধভাবে মাটি কর্তন, মাটি বিক্রয় ও জমি ভরাটের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


টুঙ্গিপাড়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৩৬ কেজি গাঁজাসহ আটক ১

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যৌথ বাহিনীর এক অভিযানে ৩৬ কেজি গাঁজাসহ ১ জনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। গোপালগঞ্জ সেনাক্যাম্প থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত টুঙ্গিপাড়া সেনাক্যাম্পের উদ্যোগে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নিলফা বাজার-সংলগ্ন মহাসড়কে এ চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। চেকপোস্ট চলাকালে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, বাস ও ট্রাকসহ সকল প্রকার যানবাহন নিবিড়ভাবে তল্লাশি করা হয়। এ সময় ‘ওয়েলকাম এক্সপ্রেস’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস তল্লাশিকালে মো. কাওসার (২৮) নামের এক ব্যক্তিকে ৩৬ কেজি ৬০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়। আটককৃত কাওসার পিরোজপুর জেলার পিরোজপুর উপজেলার শংকর পাশা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের ফজলুল শেখের পুত্র।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, ঢাকার গুলিস্তান এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে পিরোজপুর জেলার উদ্দেশে নিয়ে যাচ্ছিল। টুঙ্গিপাড়া সেনাক্যাম্পের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা চেকপোস্ট স্থাপন করি। অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। অপরদিকে টুঙ্গিপাড়া থানার এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

যৌথ বাহিনীর এমন তৎপরতায় এলাকায় মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।’ পরবর্তীতে চেকপোস্টে প্রাথমিক ও বিশদ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটককৃত ব্যক্তিকে আইনানুগব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোপালগঞ্জ জেলার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনীর এ ধরনের চেকপোস্ট, টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে। মাদক চোরাচালানসহ সকল প্রকার অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে।


কুমিল্লায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কুমিল্লা নগরীর ধর্মসাগর পশ্চিমপাড় এলাকার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম।

নিহত ফারজানা আক্তার লিমা (২২) কুমিল্লা হাউসিং স্টেট দুই নম্বর সেকশনের শাহী জামে মসজিদ এলাকার মৃত রহিম মিয়ার মেয়ে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী। তার ছেলে শিফায়েত হোসেনের বয়স ৩ বছর এবং মেয়ে মরিয়াম আক্তারের বয়স ১৮ মাস।

অভিযুক্ত স্বামী শিপন মিয়া কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার নেয়ামতকান্দি গ্রামের মৃত সুজন মিয়ার ছেলে। শিপন স্বপরিবারে কুমিল্লা ধর্মসাগর পশ্চিমপাড় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের বাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি পেশায় পিঠা বিক্রেতা ছিলেন।

নিহতের বড় ভাই রায়হান জানান, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে শিপন ফোন করে তাকে দ্রুত ধর্মসাগর পশ্চিমপাড় এলাকায় আসতে বলেন। ফোনালাপের সময় চিৎকার ও চেঁচামেচির শব্দ শোনা যায়। পরে রায়হানসহ পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লিমাকে ঘরের মেঝেতে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। ঘটনার পরপরই শিপন ও তার বড় ভাই রিপন পালিয়ে যান। পরে লিমাকে উদ্ধার করে পাশের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রায়হান আরও জানান, প্রায় পাঁচ বছর আগে লিমা ভালোবেসে শিপনকে বিয়ে করেন। শিপন গরমকালে ডাব এবং শীতকালে পিঠা বিক্রি করতেন, এতে লিমাও তাকে সহযোগিতা করতেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় তারা ধর্মসাগর পাড় এলাকায় পিঠা বিক্রি করছিলেন। এ সময় পাশের বাড়ির এক নারী থেকে একটি নারকেল কুড়ানি আনেন লিমা। পরে কুড়ানি ফেরত দিতে গিয়ে বাসায় না পেয়ে শাশুড়ি ও ননদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শিপন বাসায় এলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় এবং এরপরই হত্যার ঘটনা ঘটে।

রায়হানের অভিযোগ, দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে শিপন তার বোনকে নির্যাতন করে আসছিলেন। তবে নিজের পছন্দে বিয়ে করার কারণে লিমা এসব বিষয় পরিবারকে জানাতেন না। তার দাবি, শিপনসহ পরিবারের সদস্যরা মিলে লিমাকে হত্যা করেছে।

এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শরিফ ইবনে আলম জানান, ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই রায়হান বাদী হয়ে স্বামী শিপনসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারভুক্ত আসামি শিপনের বোন রবি আক্তার এবং তার বড় ভাই রিপনের স্ত্রী সুমি আক্তারকে পুলিশ ধর্মসাগরপাড় এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।


আমতলী ভুমি অফিসের ড্রাইভার ও তার স্ত্রীর নামে খালের জমি বন্দোবস্ত, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলী উপজেলায় সরকারি দায়িত্বে থাকা ভুমি অফিসের এক ড্রাইভার ও তার স্ত্রীর নামে প্রবাহমান খালের জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রভাব খাটিয়ে খালের জমিকে খাল-নাল হিসেবে দেখিয়ে বেআইনিভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কালীবাড়ী এলাকায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে কালীবাড়ী প্রবাহমান খালের মধ্যে ৩০ শতাংশ জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয় আমতলী ভুমি অফিসের ড্রাইভার মো. সোহেল ও তার স্ত্রী সানিয়া আক্তারের নামে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে অভিযুক্ত সোহেল তার লোকজন নিয়ে খালের ভেতরে পাইলিং কাজ শুরু করলে এলাকাবাসী বাধা দেয়। স্থানীয়দের তীব্র প্রতিরোধের মুখে কাজ বন্ধ করে সেখান থেকে তারা সরে যেতে বাধ্য হয় ।

এ ঘটনার পরপরই কয়েকশ নারী-পুরুষ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে খালের জমির বন্দোবস্ত বাতিলের দাবি জানান।

তথ্য অনুযায়ী, বন্দোবস্ত কেস নং ৬০/২০১৯-২০২০ এর মাধ্যমে উপজেলা খাসজমি বন্দোবস্ত কমিটি কালীবাড়ী প্রবাহমান খালের মধ্যে ৩০ শতাংশ খাল-নাল জমি দেখিয়ে মো. সোহেল পিতা- আব্দুর রহিম ও তার স্ত্রী সানিয়া আক্তারের নামে বন্দোবস্ত অনুমোদন দেয় এবং তা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়। পরে জেলা খাসজমি বন্দোবস্ত কমিটি উপজেলা কমিটির সুপারিশ ও অনুমোদনের ভিত্তিতে উক্ত জমির বরাদ্দ চূড়ান্ত করে।

ভুক্তভোগী মো. মোমেন আকন বলেন, এই কালীবাড়ী খাল প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ। খালের দুই পাড়ের দুই শতাধিক পরিবার দৈনন্দিন ব্যবহার ও কৃষি সেচের জন্য এ খালের ওপর নির্ভরশীল। শত শত একর কৃষিজমিতে এই খালের পানি ব্যবহ্নত হয়। অথচ খালের মুখে ৩০ শতাংশ জমি বন্দোবস্ত দিয়ে পানিপ্রবাহ বন্ধ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের দায়িত্বশীল একজন কর্মচারী কীভাবে প্রবাহমান খালের জমি নিজের নামে নিতে পারে—এই প্রশ্নই এখন এলাকাবাসীর।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী কার্যালয় থেকে নেমে এসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করেন। তিনি তদন্তের আশ্বাস দেন।

বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন চাওড়া ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি মো. মোমেন আকন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাকিবুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রিয়াজ, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন মিরাজসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, বন্দোবস্ত প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, ভুক্তভোগীদের বক্তব্য শোনা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


নড়াইলে ঘটনার ৩৮দিন পর সেপটিট্যাঙ্ক থেকে গলিত লাশ উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নড়াইল প্রতিনিধি

তথ্য প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ঘটনার এক মাস আট দিন পর নিহত আল্পনা খানমের গলিত লাশ উদ্ধার করেছে কালিয়া থানা পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আল্পনার স্বামী আল আমীন মন্ডল ওরফে ইয়ানুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ এবং এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানাগেছে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে কালিয়া উপজেলার বাবরা-হাচলা ইউনিয়নের শুক্তগ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিট্যাঙ্ক থেকে গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো.ইদ্রিস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেশি হোসনে আরার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,আল আমিন বিদেশে যেতে চায়। এ জন্য বাবার বাড়ী থেকে ৮ লাখ টাকা এনে দেবার জন্য আল্পনাকে প্রায়ই বলতো। টাকা এনে দিতে রাজি না হলে তাকে মারধর করা হতো। তিনি বলেন,এক মাসের বেশি হয়েছে একদিন সন্ধ্যা রাতে দুজনের মধ্যে ঝগড়া বাধে। কিছু সময় পর আল্পনাকে উচ্চস্বরে বাচাও বাচাও চিৎকারের আওয়াজ শুনতে পাই । পাড়ার কোন মানুষ ওদের বাড়ীতে যায় না। সকালে জানা গেল আল্পনা রাগ করে বাবার বাড়ী চলে গেছে। এই কথা ইয়ানুর নিজেই গ্রামের বাজারে মানুষের কাছে প্রচার করে।তিনি বলেন,গ্রামের মানুষের সঙ্গে ইয়ানুরের সম্পর্ক ভালো না থাকায় ওদের বাড়ীতে কেউ যায় না।

নিহত আল্পনার ভাই সাকিব মোল্যা বলেন,গত ১৯ ডিসেম্বর রাত ১০টার পর আল্পনা স্বামীর বাড়ী থেকে নিখোজ হয়। আমরা বিভিন্ন স্থানে খোজ করেছি। তার কোন সন্ধান পায়নি। এক পর্যায়ে কালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমার বোনের সন্ধান পায়। মঙ্গলবার বিকেলে বোনের স্বামী ইযানুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে ইয়ানুর বোনের হত্যা রহস্যের কথা স্বীকার করে।

সহকারি পুলিশ সুপার কালিয়া সার্কেল রবীন হালদার বলেন,নিখোজের জিডি হওয়ার পর পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরপর নিহতের স্বামীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্য়ায়ে তিনি হত্যা করে মরদেহ গুমের চেষ্টা করেছেন । তিনি বলেন,তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মরদেহটি বাড়ীর পাশের কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন,এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা পক্রিয়াধীনের কাজ চলছে।


নন্দীগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় দুই স্কুল ছাত্র নিহত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার নন্দীগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই স্কুল ছাত্র নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন, নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের ভরতেঁতুলিয়া গ্রামের রতন আলীর ছেলে তামিম হাসান নেহাল (১৬) ও নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার আব্দুলপুর গ্রামের লিটন আলীর ছেলে মিজানুর রহমান লিমন (১৬)। তারা দুইজনই নন্দীগ্রাম মা কেজি স্কুল এন্ড হাই স্কুলের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলো। নন্দীগ্রাম উপজেলার দলগাছা এলাকায় কাথম-কালীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে মোটরসাইকেল যোগে তামিম হাসান নেহাল ও মিজানুর রহমান লিমন ভরতেঁতুলিয়া থেকে নন্দীগ্রামের দিকে আসছিলেন। পথিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছিলে পিছন দিক থেকে একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নন্দীগ্রাম স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, হাসপাতাল থেকে মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


banner close