মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২১ মাঘ ১৪৩২

চাটখিলে সক্রিয় মানব পাচারকারী খপ্পরে পড়ে ২ যুবক দিশেহারা

খোরশেদ আলম, নোয়াখালী উত্তর 
প্রকাশিত
খোরশেদ আলম, নোয়াখালী উত্তর 
প্রকাশিত : ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৪৭

মধ্যপ্রাচ্যে মানব পাচার করে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে রুবিনা আক্তার শিল্পী ও তার ২ ছেলে মো: ছিদ্দিক আকবর সানি এবং সোলেমান হোসেন রণি। চাটখিল উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের পরানপুর গ্রামে সক্রিয় রয়েছে এ চক্রটি। তারা তমিজ উদ্দিন মিজি বাড়ীর মোশারফ হোসেনের স্ত্রী ও পুত্র।

এই মানব পাচারকারী চক্রটির বিরুদ্ধে কোটে একাধিক মামলা ও বিভিন্ন থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ রয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।

জানা যায়, মো: ছিদ্দিক আকবর সানি এবং সোলেমান হোসেন রণি সৌদি আরব রয়েছে। সৌদি আরব নিয়ে চাকুরী দেয়ার কথা বলে তাদের মা রুবিনা আক্তার শিল্পীর মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা লেনদেন করে মানব পাচার করছে সেখানে। প্রথমে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা চুক্তি করে মানব পাচার করে। পরবর্তীতে আটকে রেখে বিভিন্ন অযুহাতে আরো বেশি টাকা দাবি করে এ চক্রটি। টাকা দিতে রাজি না হলে প্রাণ নাশের সহ বিভিন্ন রকম হুমকি দিতে থাকে।

চাটখিল উপজেলার পরানপুর গ্রামের আবু মো: নুর হোসেনের ছেলে নাইমুল ইসলাম সজলকে সৌদি আরব নিয়ে ফাস্ট ফুড দোকানে ম্যানেজার হিসেবে চাকুরী দেয়ার কথা বলে সাড়ে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে আবু মো: নুর হোসেন তার ছেলের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাদের দাবিকৃত টাকা প্রদান করে। এর কিছু দিন পর চক্রটি নাইমুল ইসলাম সজলকে সৌদি আরব নিয়ে যায়। কিন্তু, শর্ত অনুযায়ী চাকুরী না দিয়ে তাকে আটক করে রাখে। বিভিন্ন হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আরো সাড়ে ৩ লাখ সহ মোট ৯ লাখ টাকা আদায় করে। এ বিষয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগীর বাবা আবু মো: নুর হোসেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে নোয়াখালী গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) কে তদন্তভার প্রদান করেন।

অপরদিকে একই উপজেলার পরানপুর গ্রামের শাহজান মাষ্টার বাড়ীর মো: দুলালের ছেলে রহমান হোসেন রায়হানকে সৌদী আরব নিয়ে চাকুরী দেয়ার কথা বলে সাড়ে ৬ লাখ টাকা নেয় একই চক্র। চুক্তি অনুযায়ী চাকরি না দিয়ে রায়হানকে আটক করে আরো টাকা দাবি করে বিভিন্ন হুমকি দেয়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর মা রুমকি আক্তার বাদী হয়ে চাটখিল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

আবু মো: নুর হোসেন বলেন, তার ছেলে নাইমুল ইসলাম সজলকে সৌদি আরব নিয়ে ফাস্ট ফুড দোকানে ম্যানেজার হিসেবে চাকুরী দেয়ার কথা বলে সাড়ে ৫ লাখ টাকা দাবি করে রুবিনা আক্তার শিল্পী সহ মো: সিদ্দিক আকবর সানি ও সোলেমান হোসেন রণি। পরবর্তীতে আবু মো: নুর হোসেন তার ছেলের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাদের দাবিকৃত টাকা প্রদান করে। এর কিছু দিন পর চক্রটি নাইমুল ইসলাম সজলকে সৌদি আরব নিয়ে যায়। কিন্তু, শর্ত অনুযায়ী চাকুরী না দিয়ে তাকে আটক করে রাখে। বিভিন্ন হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আরো সাড়ে ৩ লাখ সহ মোট ৯ লাখ টাকা আদায় করে।

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে রুবিনা আক্তার শিল্পীর মুঠোফোনে কল দিলে তিনি জানান, বিদেশে তারা লোক নেন এটা সত্য। তবে তারা বিদেশে গিয়ে কাজও করছেন।

চাটখিল থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র), অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ফিরোজ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, এই চক্রটির বিরুদ্ধে থানায় ও কোর্টে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।


৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন  ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি

৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে পাবনার সাঁথিয়য় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাবনার সাঁথিয়য় সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা পরিষদের সামনে সাঁথিয়া এবং উপজেলা সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন ও সাইফুল ইসলাম এর পরিচালনায় উক্ত কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কেএম শামসুল হক, বোয়ালমারী কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডক্টর আব্দুল্লাহ, সহকারী অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন রানা, সহকারী অধ্যাপক এম এ হাই, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির আহবায়ক নাড়িয়াগোদাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান, শালঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম রিপন,সাঁথিয়া সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসেন, সাংগঠনিক বজলুর রহমান, ইসমাইল হোসেন কিরণ, আনিসুর রহমান লিটন , ডাক্তার আব্দুল্লাহ আল হাদি, কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য ফার্মাসিস্ট রাসেল আহমেদ সোহাগ, প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, আরিফা আঞ্জুমান আরা, প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, ২১ জানুয়ারি কমিশন রিপোর্ট জমা দিলেও অর্থ উপদেষ্টা গেজেট প্রকাশ না করে কমিটি গঠনের মাধ্যমে কালক্ষেপণ করছেন। ৬ তারিখের আগে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে ৬ তারিখের মহাসমাবেশে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো সমাবেশ থেকে।

এ সময় এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল কলেজ এবং মাদ্রাসার শিক্ষকরা এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারী কর্মকর্তারা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।


পবিত্র শবে-বরাত উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে বিনামূল্যে গরুর গোস্ত বিতরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের উত্তর চাকামইয়া মানবিক সোসাইটির উদ্যোগে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে গরিব ও অসহায় মানুষের মাঝে বিনামূল্যে গরুর গোস্ত বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের উত্তর চাকামইয়া মীরা বাড়ির সামনে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে সোসাইটির পক্ষ থেকে একটি গরু জবাই করে স্থানীয় অসহায় দরিদ্র পরিবার ও মিয়া বাড়ি মসজিদে গোস্ত বিতরণ করা হয়।

কর্মসূচিতে সংগঠনের সভাপতি তানজিল মীর ও সাধারণ সম্পাদক নাঈম দফাদার ও সিনিয়র সহ সভাপতি মোসাঃ এমি এর নেতৃত্বে অন্যান্য সদস্যরা অংশ নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিববুল্লা, কোষাধ্যক্ষ কাওসার সিকদার, প্রচার সম্পাদক জাকারিয়া মীর, এলী, সহ সভাপতি নোমান, হারুন মীর, হাকিম মুসুল্লি, ইদ্রিস, মহসিন, কামাল মীর, তামিম মীরসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য। তারা বলেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়রা জানান, উত্তর চাকামইয়া মানবিক সোসাইটি নিয়মিতভাবে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ, রমজানে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। মানবিক উদ্যোগের কারণে সংগঠনটির কার্যক্রম এলাকায় ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।


সারিয়াকান্দিতে অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ন্ত্রণে অভিযান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে বাঙ্গালী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আনুমানিক বিকাল ৪ ঘটিকায় সারিয়াকান্দি উপজেলাধীন সদর ইউনিয়নের পাইকপাড়া নামক স্থানে বাঙ্গালী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেছেন ভ্রাম‍্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম‍্যাজিসস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আতিকুর রহমান।

অভিযানকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীরা পালিয়ে যায়। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত মেশিনটি অপসারণ করা হয়।

এছাড়াও বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত পাইপ ভেঙে বিনষ্ট করা হয়। জনস্বার্থে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন ঐ কর্মকর্তা।


হালদা নদীতে আরও এক মৃত ডলফিন, ২০১৭ সাল থেকে ৪৮ মৃত ডলফিন উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের হালদা নদীতে আরেকটি মৃত ডলফিন উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা দুইটার দিকে হাটহাজারী উপজেলার উত্তর মাদার্শা ইউনিয়নের রামদাস মুন্সির হাট এলাকায় নদীতে মৃত অবস্থায় ভাসমান ডলফিনটি উদ্ধার করা হয়।

ওই এলাকার বাসিন্দা মো. আলমগীর মৃত ডলফিনটি উদ্ধার করেন। পরে তিনি নৌ পুলিশ ও মৎস্য বিভাগকে জানান।

এর আগে গত ১৬ ডিসেম্বর রামদাস মুন্সির হাট এলাকা থেকেই আরেকটি মৃত ডলফিন উদ্ধার হয়েছিল; আঘাতের কারণে যেটির মৃত্যু হয়েছিল বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন।

এদিকে হাটহাজারী উপজেলার সিনিয়র মৎস্য অফিসার মো. শওকত আলী বলেন, নদীর মদুনাঘাটের দিক থেকে জোয়ারের সময় ডলফিনটি ভেসে এসেছিল। এটির দৈর্ঘ্য্ চার ফুট দুই ইঞ্চি এবং প্রস্ত এক ফুট। ওজন প্রায় ২৭ কেজি। বয়স আনুমানিক ২ বছর হতে পারে।

তিনি বলেন, তিন-চারদিন আগে ডলফিনটি মারা গেছে। জালে আটকা পড়ে অথবা শক্ত কিছুর সাথে আঘাতে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। শরীরে বড় কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে পঁচন ধরেছিল। পরে সেটি মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে।

হালদা নদীর মদুনাঘাট অংশে কিছু ড্রেজার চলাচল করে জানিয়ে সিনিয়র মৎস্য অফিসার মো. শওকত আলী বলেন, গত বছর হালদায় চারটি মৃত ডলফিন পাওয়া গেছে। এই ডলফিনটি অপ্রাপ্ত বয়স্ক। স্বাভাবিক মৃত্যুর বয়স হয়নি।

হালদা নদীর গড়দুয়ারা, রামদাস মুন্সির হাট ও মাছুয়াঘোনা এলাকায় এখনো নিয়মিত ডলফিন দেখা যায়। কিন্তু নিয়মিতভাবে ডলফিনের মৃত্যু আশঙ্কাজনক। ডলফিন রক্ষায় সবার আরো সচতেন হওয়া উচিত।

হালদা নদীতে মারাত্নক দূষণ, ইঞ্জিত চালিত ড্রেজারের অবৈধ প্রবেশ, অবৈধ জাল এর ব্যবহারের কারণে ডলফিনের মৃত্যু বাড়ছে উল্লেখ করে বিষয়টি হালদা নদীর জীববৈচিত্রের জন্য হুমকি বলেও জানান তিনি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিসার্চ ল্যাবরেটরির তথ্য অনুসারে, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে আজ পর্যন্ত হালদায় ৪৮টি ডলফিনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

এর আগে গত বছরের ২৫ অগাস্ট হালদা নদীর কাটাখালী খাল থেকে একটি মৃত ডলফিন উদ্ধার করা হয়েছিল। তার আগে ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের রাউজার উপজেলার পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের কাগতিয়া খালে একটি মৃত ডলফিন পাওয়া গিয়েছিল। গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাউজান উপজেলার বিনাজুরি ইউনিয়নের সিপাহিঘাট এলাকায় হালদা নদী থেকে আরেকটি মৃত ডলফিন উদ্ধার করা হয়।

২০২৪ সালেও হালদায় মোট চারটি মৃত ডলফিন পাওয়া গিয়েছিল। দক্ষিণ এশিয়ায় কার্প জাতীয় মাছের অন্যতম প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী। এই নদী দেশের মিঠাপানির ডলফিনেরও অন্যতম প্রধান বিচরণ ক্ষেত্র। এক সময় কর্ণফুলী নদীতেও ডলফিনের আনাগোনা ছিল। তবে দূষণের কারণে এখন তা খুবই কমে গেছে।


নির্বাচনে জননিরাপত্তা নিশ্চিতে মৌলভীবাজারে আনসার-ভিডিপির প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মৌলভীবাজার জেলায় এক বিশেষ প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদ নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বাহিনীর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা কৌশলের বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, এই সমাবেশে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা বিগত প্রায় দেড় বছর ধরে নিরবচ্ছিন্ন যাচাই-বাছাই ও আধুনিক প্রশিক্ষণ কারিকুলামের মধ্য দিয়ে নিজেদের যোগ্য হিসেবে প্রমাণ করেছেন। নির্বাচনী নিরাপত্তার কারিগরি দিক তুলে ধরে তিনি জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে মোট ১৩ জন সদস্য সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করবেন এবং অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ৩ জন ও সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে ২ জন অস্ত্রধারী সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে যেকোনো তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে দুইজন সদস্যকে বিশেষভাবে নির্বাচনী সুরক্ষা সফটওয়্যারে ‘End User’ বা প্রথম সাড়াদানকারী হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

সমাবেশে জানানো হয় যে, মৌলভীবাজার জেলার মোট ৫৫৪টি ভোটকেন্দ্রে ৭,২০২ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন এবং একটি সুসংগঠিত দল হিসেবে কাজ করার লক্ষ্যে তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। অতিরিক্ত মহাপরিচালক তাঁর ভাষণে প্রতিটি সদস্যকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা এবং সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন যে, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে আনসার সদস্যদের শৃঙ্খলাবোধ ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ভূমিকা অত্যন্ত অপরিহার্য। তিনি বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে, দায়িত্ব পালনের সময় কোনো ধরনের চাপ বা প্রলোভনের কাছে নতি স্বীকার না করে বাহিনীর নির্দেশনা যেন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়। মূলত বাহিনীর এভিএমআইএস (AVMIS) সফটওয়্যারের মাধ্যমে সকল সদস্যের তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং তরুণ শক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।


হরিরামপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে পাকিস্তানি অবৈধ রিভলবার-বিস্ফোরক উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জ জেলায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে যৌথবাহিনী। নির্বাচনী পরিবেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে এক বিশেষ অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ) দুপুরে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারী ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার লেছড়াগঞ্জ বাজার এলাকায় ব্রীজের নিচে যৌথবাহিনী একটি সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে পাকিস্তানে প্রস্তুতকৃত একটি রিভলবার, পাঁচটি ককটেল বোমা, দেশীয় ধারালো অস্ত্র এবং একটি বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত বোমা উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত বৈদ্যুতিক বোমাটি সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল টিম নিরাপদে ধ্বংস করে। অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযানে সেনাবাহিনীর ৫৪ জন সদস্য ও পুলিশের ২১ জন সদস্য অংশ নেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, যৌথবাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সঙ্গে অভিযানটি সম্পন্ন করেছে এবং যে কোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে তারা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট আয়োজনের লক্ষ্যে যৌথবাহিনী সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানানো হয়। নির্বাচন ঘিরে মানিকগঞ্জ জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও জোরদার করা হয়েছে।


রাজবাড়ীর খানখানাপুরে অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপু ইউনিয়নের মল্লিকপাড়া এলাকা থেকে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ওয়ান শুটারগানসহ আকরামুজ্জামান সুমন (৪০) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সে ওই এলাকার মৃত মোস্তফা মাস্টারের ছেলে।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০ সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের চৌকস আভিযানিক দল ৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ভোর সোয়া ৪ টার দিকে রাজবাড়ী সদর খানখানাপুর মল্লিকপাড়া এলাকার একটি বসত বাড়ীতে অভিযান পরিচালনা করে হতে ১ টি দেশীয় ওয়ান শুটারগান’সহ একজন আসামী’কে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া সদর থানায় ১ টি মামলা রয়েছে। উদ্ধারকৃত আলামত ও গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা রুজুর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় র‌্যাব।

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিঃ সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার জানান, এই অভিযান প্রমাণ করে যে, দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে র‌্যাব সদা প্রস্তুত ও সচেষ্ট। জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রিয় স্বার্থে র‌্যাব ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। র‌্যাব-১০ এর এই সফল অভিযানে দেশের জনগণ আরও একবার আশ্বস্ত হয়েছে যে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনী হিসেবে সক্রিয় ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।


দৌলতদিয়ায় পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে এক ব্যক্তি নিখোঁজ, উদ্ধারে মেলেনি খোঁজ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৩ নং ফেরিঘাটে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে পদ্মা নদীতে মোঃ রেজাউল শিকদার (৩৫) নামে এক ব্যাক্তি নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ ব্যাক্তি বাহিরচর শাহাদাৎ মেম্বার পাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত মহিউদ্দিন শিকদারের ছেলে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটায় ৩ নম্বর ফেরিঘাট হতে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন তিনি। নিখোঁজ ব্যাক্তির সন্ধানে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ চলমান রেখেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী রিয়াজুল শেখ নামে একজন জানান, নিখোঁজ রেজাউল ফেরির একজন যাত্রীর সাথে পন্টুনে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে নদীতে লাফ দিলে যাত্রীও সাথে সাথে নদীতে লাফ দেয়। স্থানীয়রা এক পর্যায়ে যাত্রীকে উঠাতে সক্ষম হলেও নিখোঁজ রেজাউল সাঁতরে পাড়ে উঠতে গিয়ে তলিয়ে যায়। স্থানীয়রা পরে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে ফোন দেয়। খবর পেয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মানিকগঞ্জে ডুবুরি দলকে খবর দিলে তারা এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে।

নিহতের বড় ভাই মোঃ হারুন শিকদার বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে হয়ত আমার ভাইকে নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে। ভাইকে খুঁজে পাওয়ার পর আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিবো।

এ ব্যাপারে গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশনের লিডার মোঃ আব্দুল বাছেদ জানান, খবর পেয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ ও আমরা ঘটনাস্থলে এসে মানিকগঞ্জ ডুবুরি দলকে খবর দিলে তারা সন্ধ্যা ৬ টার দিকে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে। রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলমান থাকলেও মরদেহ খুঁজে পাওয়া যায়নি। রাতে উদ্ধার কাজ চলবে কিনা এ বিষয়ে উদ্ধর্তন কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।


ভাঙ্গুড়ায় ফসলি জমির মাটি কাটায় তিনজনকে কারাদণ্ড

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সরকারি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে ফসলি জমির মাটি বিক্রি করার অভিযোগে তিন ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান আদালত পরিচালনা করে এই রায় দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামে ফসলী জমি কেটে মাটি বিক্রি করছেন স্থানীয় বাসিন্দা সুজন খান (২৮) নাইমুল ইসলাম (২৪), মিজানুর রহমান (৪৩) ও ইকবাল হোসেন (৩২)নামে চার ব্যক্তি। এক পর্যায়ে ফসলি জমি নষ্ট করায় এবং আশেপাশের জমি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় এলাকার অন্যান্য জমির মালিকরা মাটি কাটতে বাধা দিলেও তোয়াক্কা করেনি এই চার ব্যক্তি।

এতে উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে অভিযোগ করলে এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালতে সুজনকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা এবং অন্যদেরকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। গত কয়েক দিনে এই চার ব্যক্তি লক্ষাধিক টাকার মাটি বিক্রি করেছেন বলে জানা যায়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় এসব ব্যক্তিদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। ফসলি জমি রক্ষায় এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে হাদি হত্যার আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি ইনকিলাব মঞ্চের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্তে রাষ্ট্রীয় অবহেলা ও অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে জাতিসংঘের সরাসরি তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক তদন্তের জোরালো দাবি জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি উত্থাপন করা হয়।

সংগঠনের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এ বিষয়ে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জাতিসংঘে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানোর জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে জাবের তদন্তের ধীরগতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলাকে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের মতো বারবার শুনানির তারিখ পেছানো হচ্ছে। আমরা স্পষ্টভাবে জানতে চাই– আর কত দিনে এই মামলার তদন্ত শেষ হবে?’ তিনি আরও অভিযোগ করেন যে মামলার বাদী হওয়া সত্ত্বেও তাকে কোনো অগ্রগতির তথ্য প্রদান করা হচ্ছে না এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রাখাসহ স্বাক্ষর জাল হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ওসমান হাদিকে গুলির ৫৩ দিন অতিবাহিত হলেও প্রকৃত খুনিদের শনাক্ত না হওয়ায় তিনি অভিযোগ করেন যে তদন্তের নামে অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা চলছে এবং এমতাবস্থায় লেবাননের রফিক হারিরি হত্যার নজির অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক তদন্তই একমাত্র সমাধান।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে ব্যর্থতা প্রকাশ করে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘গত চার দিন ধরে সব ধরনের চেষ্টা করেও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করা সম্ভব হয়নি। তিনি যদি সত্যিই জনগণের সরকার হন, তাহলে শহীদ ওসমান হাদির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এত প্রতিবন্ধকতা কেন?’ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন যে কেবল সিসি ক্যামেরায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত সম্ভব নয়, বরং ঝুঁকিপূর্ণ ৪৫ হাজার কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বডি ক্যামেরার আওতায় আনতে হবে এবং পেশিশক্তির ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর পররাষ্ট্রনীতি ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত অস্পষ্ট অবস্থানের সমালোচনা করেন এবং হুঁশিয়ারি দেন যে হাদি হত্যার বিচার ও সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যাহত হওয়ার দায়ভার নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকেই বহন করতে হবে।


মাগুরায় সরকারি কর্মচারীদের ৯ম পে-স্কেলসহ ৭ দফা দাবিতে তিন দিনের অবস্থান কর্মসূচি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা জেলা প্রতিনিধি

সরকারি কর্মচারীদের বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেলসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে মাগুরায় তিন দিনের অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ মাগুরার উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

কর্মসূচিতে মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) ও আইটি অ্যান্ড বিএম কলেজের কর্মচারীরা অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে গড়িমসি বন্ধ করে দ্রুত ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় আগামী দিনে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এ সময় বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী স্বপন কুমার, বিভাগীয় প্রধান ফুড ডিপার্টমেন্ট, মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট; মোঃ আওলাদ হোসেন, কেয়ারটেকার মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউ। মোঃ হাবিবুর রহমান জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং মাদুলি টুম্পা, প্রভাষক (গণিত), মাগুরা আইডিয়াল টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ অন্যান্যরা।


সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে যুক্ত হলেন সিনিয়র সচিবসহ সাত কর্মকর্তা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে নতুন সিনিয়র সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমান। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। এছাড়া এক অতিরিক্ত সচিব, একজন যুগ্ম সচিব, দুজন উপসচিব ও দুজন সিনিয়র সহকারী সচিবকে পদায়ন করা হয়েছে।

অতিরিক্ত সচিব হলেন জেলা ও দায়রা জজ রুহুল আমীন, যুগ্ম সচিব বি এম তারিকুল কবির, উপসচিব পঞ্চগড়ের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাফিজুল ইসলাম ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সুব্রত ঘোষ শুভ, সিনিয়র সহকারী সচিব মহসিনা হোসেন তুষি ও সাদিয়া আফরিন।

প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন আইন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এএফএম গোলজার রহমান।


পিস্তল-গুলিসহ পল্লবীর ‘ভাগিনা মুন্না’ গ্রেপ্তার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবী থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী সোয়েব হোসেন মুন্না ওরফে ভাগিনা মুন্নাকে (৫৩) বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। তার বিরুদ্ধে ৩০টির বেশি মামলা ও ১৭টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানা গেছে। পল্লবীর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকা থেকে সোমবার তাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৪।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তুরাগের হরিরামপুর এলাকার বাংলোবাড়ি থেকে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, ১৭ রাউন্ড গুলি ও দুটি ম্যাগাজিন জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে র‍্যাব-৪-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপস অ্যান্ড মিডিয়া অফিসার) কে এন রায় নিয়তি জানান, গোয়েন্দা সূত্র ধরে জানা যায়- নির্বাচনকে সামনে রেখে পল্লবী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী সোয়েব হোসেন মুন্না ওরফে ভাগিনা মুন্না অস্ত্রসহ নাশকতা করার জন্য এলাকায় প্রবেশ করেছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে পল্লবীর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্নার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তুরাগের বাংলোবাড়ি থেকে বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিয়তি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না জানান, উদ্ধার করা অবৈধ অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তিনি রাজধানীর তুরাগ, মিরপুর, কাফরুল, পল্লবী, ভাষানটেক, ক্যান্টনমেন্ট থানাসহ আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতেন। এ ছাড়া তিনি পিস্তলটি বিভিন্ন পেশাদার অপরাধীদের ভাড়া দিতেন—যা দিয়ে অপরাধীরা খুন, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতেন। গ্রেপ্তার করা শীর্ষ সন্ত্রাসী মুন্নার বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্তে বিভিন্ন থানায় ৩০টির বেশি মামলা ও ১৭টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


banner close