বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
১১ ভাদ্র ১৪৩৩

সীতাকুণ্ডে একদিনে ২ কিশোর-কিশোরীর আত্মহত্যা

ছবি: সীতাকুণ্ড মডেল থানা
নন্দন রায়, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম)
প্রকাশিত
নন্দন রায়, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম)
প্রকাশিত : ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩১

সীতাকুণ্ডে একই দিনে দুই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সীতাকুণ্ড উপজেলার পৌরসভার ইয়াকুব নগর ও বারআউলিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বার আউলিয়া এলাকায় চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন জেলেপাড়ায় সঞ্জিতা জলদাশ (১৬) নামে এক কলেজ ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সে ওই বাড়ির সন্তোষ জলদাসের কন্যা বলে জানাগেছে।

সোনাইছড়ি জেলেপাড়ার সর্দার ধনবাসী জলদাশ বলেন, সঞ্জিতা দাশ কুমিরা লতিফ সিদ্দিকী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী । সকালে মায়ের সাথে রাগ করে গলায় ফাঁস দিলে তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

একই দিন সীতাকুণ্ড পৌরসভার ইয়াকুবনগর বটতল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় রোজেন হোসেন সিয়াম (১৭) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার মরদেহটি উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ। সিয়াম ওই এলাকায় মা-বাবার সাথে বসবাস করলেও তার প্রকৃত গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলায় । সে ওই জেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলমগীর ফরাজির ছেলে।

সিয়াম সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে কেন আত্মহত্যা করেছে সেটা অজানা রয়ে গেছে । পুলিশ তার রুম থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করে। তাতে লিখা ছিল, ” তোমরা আমাকে মাফ করে দিও। এই ছাড়া আমার উপায় নাই”।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহিনুল ইসলাম দুই আত্মহত্যার বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, সীতাকুণ্ডের বার আউলিয়ায় এক কিশোরী এবং পৌরসভার ইয়াকুব নগর এলাকায় এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে । লাশ দুটি হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে । এই বিষয়ে থানায় আইন গত ব্যবস্হা নেওয়া হচ্ছে ।


নির্বাচিত

মাজার বা ধর্মীয় স্থান ভাঙচুর করতে দেওয়া হবে না : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৫৯
পঞ্চগড় প্রতিনিধি

দেশের কোনো মাজার বা ধর্মীয় স্থান ভাঙচুর সহ্য করা হবে না এবং এ ধরনের অপতৎপরতা চললে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। বুধবার (২৬ আগস্ট) পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ পৌর সদরের বিজয় চত্বরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, “পীর-তরিকতের মাজার বা কোনো ধর্মীয় স্থান ভাঙচুর করতে দেওয়া হবে না।”

বিগত সময়ের সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা উল্লেখ করে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “গত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দেশের ১২৭টি মাজার ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছিল। একজন মুসলমান হয়ে আরেকজন মুসলমান মাজারের খাদেমকে পুড়িয়ে হত্যা করেছেন। ভবিষ্যতে কোনো মাজার ধ্বংস করা হলে আমরা আর ঘরে বসে থাকব না।” তিনি ধর্মীয় উগ্রবাদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, “আমরা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে চাই না। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আমাদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য পৃথিবীতে এসেছিলেন। আমরা তাঁর আদর্শ ও নীতি অনুসরণ করে ঐক্যবদ্ধ থাকব।”

জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও কৃষি খাতের সমস্যা সমাধানে আশ্বস্ত করে প্রতিমন্ত্রী জানান, সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে যেখানে ডিলার নেই সেখানে নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে এবং কৃষকরা যাতে সঠিক মূল্যে সার পান তা তদারকি করা হবে। এছাড়া বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটাতে সোলার প্রকল্প গ্রহণ এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বয়স্ক ভাতা ও কৃষক কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের ঘোষণাও দেন তিনি। আহলে সুন্নত ওয়াল জামা’য়াতের দেবীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হামিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

দেশের প্রতিটি শিশু বিদ্যালয়ে যাবে, সুশিক্ষিত হতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আব্দুর রব নাহিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন দেশের প্রতিটি শিশু বিদ্যালয়ে যাবে, কেউ বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না। প্রতিটি শিশু মানসম্মত শিক্ষালাভ করবে। সকল শিক্ষার্থীকে সঠিক শিক্ষায় সুশিক্ষিত হতে হবে। দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নত দেশগুলোর মত হতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সরকার এসব বাস্তবায়নেই কাজ করে যাচ্ছে।

বুধবার(২৬ আগষ্ট) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহীদ সাটু অডিটোরিয়ামে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচী’ শীর্ষক প্রকল্প সম্পর্কে প্রধান শিক্ষগণের ওরিয়েন্টেশন এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী হাজ্জাজ এ সব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিভাবে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন করা যায়, প্রতিটি বিদ্যালয়ের পরিবেশ উপযুক্ত করে শিক্ষার্থীদের চাহিদা পূরণ করা যায় তা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। ফিডিং কর্মসূচীতে সুফল পাওয়া গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামীতে দেশের সকল বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচী চালু করা হবে। খাবার মান ঠিক রাখতে চলমান ঠিকাদরি প্রক্রিয়ার প্রতি কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ঠিকাদারি প্রক্রিয়া পরিবর্তনের বিষয়টিও ভেবে দেখা হচ্ছে। পাশের কয়েকটি দেশের উদহারণ টেনে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের রান্না করা খাবার সরবরাহ করা যায় কিনা সেটিও ভেবে দেখা হচ্ছে।

হাজ্জাজ আরও বলেন, শিশুদের পাঠদানের সময়সূচী, বিদ্যালয় ভবনেই ওয়াশরুম,প্লে গ্রাউন্ড এবং খেলার মাঠ, সাংস্কৃতিক চর্চা, নদীভাঙ্গণ কবলিত বিদ্যালয়গুলো যেন সরিয়ে নেয়া যায় এমনভাবে নির্মাণ, বিদ্যালয়ে অফিস কর্মচারী ও নাইটগার্ড দেয়ার বিষয়গগুলো বিবেচনাধীণ।

জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মূসা জঙ্গীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সদর এমপি নুরুল ইসলাম বুলবুল, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ, স্কুল ফিডিং কর্মসূচীর প্রকল্প পরিচালক আবুল আমিন প্রমুখ।


নির্বাচিত

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ১

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কক্সবাজার প্রতিনিধি 

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে ঢেউয়ের প্রবল তোড়ে ভেসে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ইয়াছিন খান (২৫) নামের এক পর্যটক। বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে সৈকতের সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টের মধ্যবর্তী সিগাল পয়েন্ট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। একই ঘটনায় মোহাম্মদ ইব্রাহিম খান (২৭) নামের আরও এক পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহত ইয়াছিন রাজধানীর আফতাবনগর এলাকার বাসিন্দা এবং নিখোঁজ ইব্রাহিমও তার সঙ্গে ঢাকা থেকে এসেছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও উদ্ধারকর্মীরা জানান, দুপুরে কয়েকজন পর্যটক সিগাল পয়েন্টের নন-লাইফগার্ড এলাকায় সমুদ্রে নামলে স্রোতের টানে ইয়াছিন ও ইব্রাহিম হারিয়ে যান। খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টের লাইফগার্ড কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। সংকটাপন্ন অবস্থায় ইয়াছিনকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে নিখোঁজ ইব্রাহিমকে উদ্ধারে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

উদ্ধার অভিযানের বিষয়ে সি সেইফ লাইফগার্ডের সুপারভাইজার সাইফুল্লাহ সিফাত বলেন, “দুপুর দুইটার পর পাঁচজন পর্যটক নন-লাইফগার্ড এলাকায় গোসলে নামেন। সেখানে দুজন ঢেউয়ের মধ্যে হারিয়ে যান। খবর পেয়ে সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত লাইফগার্ড সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অপরজনকে উদ্ধারে অভিযান চলছে।”

দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়ে লাইফগার্ড সদস্য আব্দুস সালাম বলেন, “সমুদ্রে দুজন ডুবে যাওয়ার খবর পেয়ে কাছে হওয়ায় সুগন্ধা পয়েন্টে দায়িত্বে থাকা লাইফগার্ড সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। একই সঙ্গে লাবণী পয়েন্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত আমাদের সদস্যদেরও খবর দেওয়া হয়। পরে একজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও অন্যজনকে এখনো পাওয়া যায়নি।”

বর্তমানে নিখোঁজ পর্যটক মোহাম্মদ ইব্রাহিম খানকে খুঁজে পেতে ফায়ার সার্ভিস, লাইফগার্ড, বিচকর্মী ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা যৌথ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছেন। সৈকতের ঝুঁকিপূর্ণ ও নন-লাইফগার্ড এলাকায় গোসলে না নামতে প্রতিনিয়ত সতর্ক করা সত্ত্বেও অনেক পর্যটক তা উপেক্ষা করায় এমন প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।


নির্বাচিত

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে রাজধানীতে জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও ১২ই রবিউল আউয়াল উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকায় বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস ও আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার সকালে শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারীর নেতৃত্বে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলিমের অংশগ্রহণে এই শোভাযাত্রাটি বের হয়। সাদা পোশাক, টুপি এবং কালেমা খচিত পতাকায় সুসজ্জিত জনস্রোতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে ভোরের আলো ফোটার আগেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সুফিবাদী জনতা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমবেত হতে থাকেন। সকাল গড়িয়ে দুপুর হওয়ার আগেই পুরো উদ্যান লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। শোভাযাত্রাটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পশ্চিম গেট থেকে শুরু হয়ে দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন ও সচিবালয় সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উদ্যানে এসে সমাপ্ত হয়।

শোভাযাত্রার সম্মুখভাগে থাকা বিশাল ব্যানারে ‘ইয়া নবী সালামু আলাইকা’ স্লোগানটি শোভা পাচ্ছিল। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা, বিচিত্র প্ল্যাকার্ড ও রঙিন ফেস্টুন। পুরো রাজপথজুড়ে ‘নারায়ে তাকবীর’ ও ‘নারায়ে রিসালাত’ ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হয়। নবীপ্রেমের এই মহতী আয়োজনে নারী ও শিশুদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

শোভাযাত্রা পরবর্তী আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশে শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) হলেন সমগ্র বিশ্বের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে শ্রেষ্ঠ রহমত। তাঁর আদর্শ ও শিক্ষা বর্তমানের সংঘাতময় বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) মানবজাতিকে যে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও সহনশীলতার শিক্ষা দিয়েছেন, তা ব্যক্তি ও রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রতিফলিত করা জরুরি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ঈদে মিলাদুন্নবীর প্রকৃত সার্থকতা নিহিত রয়েছে মহানবীর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে।

মহাসমাবেশে শাহজাদা সৈয়দ মেহেবুবে মইনুদ্দীন, প্রফেসর এমিরেটস ড. আনিসুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আখতারুজ্জামানসহ আরও অনেক বিশিষ্ট ওলামা ও বুদ্ধিজীবী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং সমগ্র বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী।


নির্বাচিত

বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্থগিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে নির্ধারিত সরকারি ছুটির কারণে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে পণ্য আনা-নেওয়া কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। একটি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে যে, বুধবার (২৬ আগস্ট) কাস্টমস ও বন্দরের দাপ্তরিক সকল কাজও স্থগিত থাকবে, তবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুর সবুর জানান, "সরকারি ছুটির কারণে বুধবার বন্দর দিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কাস্টমস ও বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম আবার শুরু হবে।" অন্যদিকে, পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকলেও বৈধ পাসপোর্টধারীদের যাতায়াত চালু থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন খান।

বন্দরের সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন জানান, "সরকারি ছুটির কারণে আমদানি-রপ্তানি, কাস্টমসসহ বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুনরায় পণ্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হবে।" তবে আগে আসা ট্রাকগুলো পণ্য খালাস করে ভারতে ফেরত যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রতিদিন এই বন্দর দিয়ে প্রায় ৫০০ ট্রাকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে, যা থেকে সরকারের প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়। এছাড়া চিকিৎসা ও ব্যবসার তাগিদে প্রতিদিন দেড় সহস্রাধিক যাত্রী এই চেকপোস্ট ব্যবহার করেন, যেখান থেকে দৈনিক আরও প্রায় ২০ লাখ টাকার রাজস্ব অর্জিত হয়।


নির্বাচিত

ঝিনাইদহে ঘাস কাটার মেশিনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় গবাদিপশুর ঘাস কাটার মেশিনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক কৃষক দম্পতির করুণ মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে উপজেলার মাধবপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন—মাধবপুর গ্রামের অমরেন্দ্র নাথ ভৌমিক (৭০) এবং তাঁর স্ত্রী মিনাক্ষি রানী ভৌমিক (৬৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার খুব ভোরে অমরেন্দ্র নাথ ভৌমিক গবাদিপশুর খাবারের জন্য বৈদ্যুতিক মেশিন দিয়ে ঘাস কাটতে শুরু করেন। কাজ করার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত মেশিনের বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে এসে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। স্বামীকে ছটফট করতে দেখে তাঁকে বাঁচাতে মিনাক্ষি রানী দ্রুত এগিয়ে যান এবং স্পর্শ করা মাত্রই তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তারা দুজন অচেতন হয়ে লুটিয়ে পড়েন।

তাঁদের উদ্ধারকারী প্রতিবেশী নব কুমার দাস ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, “সকাল সাড়ে ৫টার দিকে ঘাস কাটার আওয়াজ শুনে গোয়ালঘরের দিকে গিয়ে দেখি অমরেন্দ্র নাথ মাটিতে পড়ে আছেন এবং তাঁর স্ত্রী মেশিনটি ধরে কাঁপছেন। তাৎক্ষণিক বিপদের গুরুত্ব বুঝে আমি চিৎকার করি এবং মেইন সুইচ বন্ধ করে দিই। এরপর প্রতিবেশীদের সহায়তায় তাঁদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।” তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনায় পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।


নির্বাচিত

সম্পর্কটা কতটুকু ইতিবাচক হওয়া উচিত তা ভারতকে চিন্তা করতে হবে

ছবি: পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফেনী প্রতিনিধি

ভারতীয় পানি আগ্রাসন নিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘ভারতকেও চিন্তা করতে হবে পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশ বন্ধু দেশ। বন্ধুত্বের সম্পর্ক কতটুকু ইতিবাচক হওয়া দরকার তা তাদের দেখা উচিত না? আমরা আশা করছি, ভারত এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সজাগ থাকবে এবং বন্ধুপ্রতিম দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ভালো সম্পর্ক বজায় রাখবে। কোনো ধরনের আগ্রাসনের স্বীকার যেন আমাদের দেশের মানুষ না হন, সে জন্য আমরা আরও বেশি সজাগ থাকব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশবাসীও সজাগ থাকবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ফেনীর পরশুরাম উপজেলার সুবার বাজার সড়কের মুহুরী সেতু এলাকায় মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও চ্যালেঞ্জ থাকবে উল্লেখ করে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ট্রেন্ড ছিল। এখন জনগণ আমাদের নির্বাচিত করেছে, আমরাও দায়িত্ব নিয়ে দেশ পরিচালনা করছি। এ মুহূর্তে জিরো টলারেন্সে চলে যাব বলব না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও চ্যালেঞ্জ থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই চ্যালেঞ্জটুকু আমরা হাতে নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু আমি নিজেও বৃহত্তর নোয়াখালীর সন্তান, সেই হিসেবে এ প্রকল্পসহ দেশের সব প্রকল্প যথাযথভাবে শেষ করা, দুর্নীতি প্রতিরোধ করা এবং দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করা আমার নিজেরও দায়িত্ব। দায়িত্বটুকু পালন করছি খুব সতর্কতার সাথে। কোনো ধরনের প্রভাবশালীর প্রভাব, দুর্নীতি বা কেউ যেন ক্ষতি করতে না পারে সেই বিষয়ে আমরা সজাগ থাকব।

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্প নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘এ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। তবে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে অধিগ্রহণ নেই। দ্বিতীয় পর্যায়ে কিছু জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হলে সেটির জন্য ক্ষতিগ্রস্তদের প্রাপ্যটুকু দিয়েই কাজ করা হবে। সবমিলিয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা, বাঁধের ভাঙন ও বন্যায় মানুষ যে ক্ষতির মুখে পড়েন তা থেকে রক্ষা পাবেন। সামগ্রিকভাবে এ বৃহত্তর অঞ্চলের মানুষ এটির সুফল পাবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী মাসের যেকোনো সময় বা মাসের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী ফেনী এসে এ প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করবেন। এখানকার মানুষের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন।’ ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

এ সময় ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এমএ খালেক, জেলা প্রশাসক মনিরা হক, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, পানি উন্নয়ন বোর্ড ফেনী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেকে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকার ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ এখনো শুরু হয়নি।

এ প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণ করা হবে। পরবর্তী পর্যায়ে মুহুরী ও কহুয়া নদীতে নতুন বাঁধ নির্মাণ এবং সিলোনিয়া নদীতেও বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন ও সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে।


নির্বাচিত

জিএস আম্মারের দায় নেবে না শিবির

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের দায় নেবে না ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানায় সংগঠনটি।

দাপ্তরিক খরচের বাজেট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে রাবি শিবির সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, জিএস দাপ্তরিক কাজের কথা বলে তিন লাখ ৭০ হাজার টাকা তুলে বিভিন্ন দপ্তরের নামে খরচ দেখিয়েছেন, যা আমাদের কাছে অবাস্তব মনে হয়েছে। আমাদের প্রতিনিধিদের হিসাব অনুযায়ী, অন্য সব দপ্তর মিলে সর্বসাকুল্যে ৫০-৬০ হাজার টাকার বেশি খরচ হওয়ার কথা নয়। এভাবে অন্যান্য দপ্তরের ওপর দায় চাপিয়ে তিনি ব্যক্তিগত অনিয়ম এড়াতে পারেন না। কোন দপ্তরে কত টাকা খরচ হয়েছে, এর তথ্য-প্রমাণসহ সুনির্দিষ্ট হিসাব প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি। সালাহউদ্দিন আম্মার আমাদের প্যানেলের না হওয়ায় তাঁর কর্মকাণ্ড ও আর্থিক হিসাবের কোনো দায় ছাত্রশিবির নেবে না।

সংবাদ সম্মেলনে রাকসু নির্বাচনের তপশিল ঘোষণাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। তাদের অন্য দাবিগুলো হচ্ছে– বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ আবাসিকতা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ভাতা চালু, পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কার্যকর করতে হবে।

রাকসু নির্বাচনকে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে লিখিত বক্তব্যে শিবির সভাপতি বলেন, ইতোমধ্যেই রাকসু নির্বাচনের ১০ মাস অতিবাহিত হচ্ছে। এখনই যদি পরবর্তী রাকসু নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা না যায়, তবে যথাসময়ে রাকসু বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের চাওয়া পূরণ করা সম্ভব হবে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিক। শিক্ষার্থীরা যাতে প্রতিবছর রাকসু নির্বাচন পায়, এটি নিশ্চিত করতে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে রাকসু নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানাই।

১০ মাসে রাকসুর অর্জনের বিষয়ে তিনি বলেন, আপনারা দেখবেন, ক্যাম্পাসে ট্যাগিং-ফ্রেমিং বা নারী শিক্ষার্থীদের বুলিং কিন্তু আগের মতো হচ্ছে না। আগের মতো ক্যাম্পাসে মাদকের ছড়াছড়ি নেই। ক্যাম্পাসের রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত হয়েছে এবং আসন বাণিজ্যের কবর রচিত হয়েছে। গেস্টরুম কালচার, গণরুম কালচার নেই। ক্যাম্পাসগুলোতে মেধা এবং সিনিয়রিটির ভিত্তিতে আসন বণ্টন হচ্ছে, যেটি সবচেয়ে বড় একটি পরিবর্তন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন শিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানসহ বিভিন্ন হলের নির্বাচিত রাকসু প্রতিনিধি ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা।


নির্বাচিত

ঢাকা ওয়াসার নতুন এমডি মনিরুজ্জামান

ছবি: ড. মো. মনিরুজ্জামান
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মনিরুজ্জামানকে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) প্রেষণে তাকে নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

অপর এক আদেশে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আমিনুল ইসলামকে সচিব পদমর্যাদায় এক বছরের জন্য জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের (এনআইএলজি) মহাপরিচালক (ডিজি) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

অন্যদিকে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীনকে প্রত্যাহার করে সচিব হিসেবে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। আর জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (সচিব) ড. রওশন আরা বেগমকে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে।

আলাদা প্রজ্ঞাপনে অভোগ করা অবসরোত্তর ছুটি ও এ-সংক্রান্ত সুবিধা স্থগিতের শর্তে মো. বেলাল হোসেনকে এক বছরের চুক্তিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে গ্রেড-১-এর প্রধান প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পেয়েছেন তিনি। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারণ করা হবে।


নির্বাচিত

জ্বালানি সংকটে চট্টগ্রামে বিপর্যস্ত পোশাক খাত, রপ্তানিতে শঙ্কা

* দিনে দিনে ছোট হচ্ছে কারখানার তালিকা * গ্যাস-বিদ্যুতের অভাব ও ব্যাংকিং জটিলতায় মারাত্মক ধস
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের শিল্প এলাকাগুলোর বাতাসে এখন উদ্বেগ আর অনিশ্চয়তার ছাপ স্পষ্ট। রপ্তানি আয়ের অন্যতম মূল চালিকাশক্তি এই অঞ্চলের পোশাক ও শিল্প খাত আজ অভ্যন্তরীণ নানা সংকট ও আন্তর্জাতিক বাজারের টানাপোড়েনে দেয়ালে গিয়ে ঠেকেছে।

উৎপাদন ব্যয় জ্যামিতিক হারে বাড়লেও বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম মেলেনি, উল্টো আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে ক্রয়াদেশ। বাধ্য হয়ে অনেক কারখানা বন্ধ রাখতে হচ্ছে, যার চূড়ান্ত মাশুল গুনছেন হাজার হাজার সাধারণ শ্রমিক।

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ডায়িং ও বয়লারসহ কারখানার প্রধান প্রধান উৎপাদন প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিকল্প হিসেবে জেনারেটর চালাতে গিয়ে আকাশচুম্বী হচ্ছে ডিজেল খরচ। চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (সিইপিজেড) বিজিএমইএ সহসভাপতি অঞ্জন শেখর দাশ জানান, সিইপিজেডে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে একসময় মাত্র ৬ মেগাওয়াট সরবরাহ মিলত। বর্তমানে তা বাড়িয়ে ৩৫ মেগাওয়াটে নেওয়া হলেও প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ৮০০ লিটার ডিজেল পুড়িয়ে কারখানা সচল রাখতে হচ্ছে। অতিরিক্ত জ্বালানি খরচের কারণে সামগ্রিক উৎপাদন ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে গেছে এবং গড় উৎপাদন সক্ষমতা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।

জ্বালানি সংকটের সঙ্গে যোগ হয়েছে উচ্চ ব্যাংক সুদ, ডলার-সংকট ও ঋণপত্র (এলসি) খোলার জটিলতা। বিজিএমইএর পরিচালক সাইফ উল্যাহ মানসুর জানান, চট্টগ্রাম অঞ্চলে একসময় প্রায় ৭০০টি পোশাক কারখানা সচল থাকলেও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কমতে কমতে তা এখন মাত্র ৩০০টিতে নেমে এসেছে। সংকট কতটা ঘনীভূত তার উদাহরণ দিয়ে বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানান, লোকসান ও জ্বালানি সংকটে টিকতে না পেরে গত ছয় মাসে তিনি নিজের ৪টি কারখানা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন।

শিল্প পুলিশ-৩-এর হিসাব অনুযায়ী, গত ছয় মাসে চট্টগ্রামের ২৫টি কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে, যেখানে কর্মরত ছিলেন ৪ হাজার ৮৬৪ জন শ্রমিক। সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে আরও ২৫টি কারখানা, যার ওপর নির্ভরশীল ছিলেন ২ হাজার ৪৬৮ জন। এ ছাড়া চালু থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেও ছাঁটাই করা হয়েছে ৫৩০ জন শ্রমিককে। স্থায়ী-অস্থায়ী কারখানা বন্ধ ও ছাঁটাই মিলিয়ে মোট ৭ হাজার ৮৬২ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থান এখন তীব্র অনিশ্চয়তার মুখে।

আন্তর্জাতিক বাজারাংশ দখলেও পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ। মার্কিন বাজারের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্র চীন থেকে পোশাক আমদানি ৪২.৮ শতাংশ কমালেও সেই সুযোগ বাংলাদেশ নিতে পারেনি; উল্টো বাংলাদেশ থেকে তাদের আমদানি কমেছে ৮.১ শতাংশ। বিপরীতে ভিয়েতনাম ১.৫ শতাংশ, কম্বোডিয়া ১৪.৯ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়া ৫.৫ শতাংশ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। উদ্যোক্তাদের মতে, কাঁচামাল আমদানি থেকে পণ্য রপ্তানির অতিরিক্ত সময় (লিড টাইম), চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার জট ও এলসি জটিলতার কারণেই প্রতিযোগী দেশগুলোর কাছে বাজার হারাচ্ছে বাংলাদেশ।

কাজ কমে যাওয়ায় ওভারটাইম একপ্রকার বন্ধ, ফলে কর্মরত শ্রমিকদের মাসিক আয় নেমে এসেছে অর্ধেকে। আর চাকরি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন অনেক শ্রমিক। চীনা মালিকানাধীন এক প্রতিষ্ঠানের ছাঁটাই হওয়া শ্রমিক মাঈননুদ্দিন জানান, ক্রয়াদেশ নেই জানিয়ে তাদের বিদায় দেওয়া হয়েছে। নতুন কাজ এলে আবার ডাকার আশ্বাস দেওয়া হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

শিল্প এলাকায় অসন্তোষ এড়াতে নজরদারি ও তদারকি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান চট্টগ্রাম শিল্প পুলিশ সুপার মাহমুদা বেগম।

তিনি বলেন, যেকোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে সার্বক্ষণিক সমন্বয় রাখা হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট বক্তব্য, দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ব্যাংকিং খাতের নীতিমালা সহজ করা না গেলে চট্টগ্রামের শিল্প খাতকে বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।


নির্বাচিত

কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি জব্দ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

চোরাচালান রোধে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ঢাকার ধোলাইপাড়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি জব্দ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘ঢাকার যাত্রাবাড়ি থানাধীন ধোলাইপাড় বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন এলাকায় মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড স্টেশন পাগলা কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় সন্দেহজনক ২টি ভ্যান গাড়ি তল্লাশি করে প্রায় ২ কোটি ৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ১০১৭ পিস ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়। এ সময় প্রকৃত মালিক না পাওয়ায় ভ্যানচালকদের মুচলেকা নিয়ে ভ্যানসহ ছেড়ে দেওয়া হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘জব্দকৃত শাড়ির পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বংশাল সার্কেল কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটরের নিকট হস্তান্তর করা হয়।’

চোরাচালান রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।


নির্বাচিত

রাউজানে ৮০০ বছরের পুরোনো দৃষ্টিনন্দন সাহেববিবি মসজিদ

৮০০ বছরের পুরোনো দৃষ্টিনন্দন ঐতিহাসিক সাহেববিবি মসজিদ।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের রাউজানে ৮০০ বছরের পুরোনো দৃষ্টিনন্দন ঐতিহাসিক সাহেববিবি মসজিদ।এখনো কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মসজিদটি রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের হাঁড়ি মিয়া চৌধুরী বাড়িতে অবস্থিত। এ মসজিদ শুধু রাউজানেই নয়, পুরো চট্টগ্রামের একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন ও কালজয়ী নাম।

জানা যায়, এই মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা হলে ওই এলাকার জমিদার আমির মোহাম্মদ চৌধুরীর সহধর্মিণী ও আলোচিত মালকা বানুর মা সাহেববিবি। ওনার নামে এই মসজিদ প্রতিষ্ঠিত।

ইতিহাস ঘেটে জানা যায়, আরাকান রাজ সভার কবি মহাকবি আলাওলের একমাত্র কন্যা সাহেববিবি (প্রকাশ সাহাবিবি) নামকরণে এই মসজিদ ‘সাহেববিবি মসজিদ’ নামে পরিচিত। জমিদার হাঁড়িমিয়া চৌধুরী বংশের আমির মোহাম্মদ চৌধুরীও তার সহধর্মিণী সাহেববিবি দম্পতির দুই কন্যা আলাকা বানু ও মালকা বানু। মালকা বানু বাংলাদেশের এক ঐতিহাসিক কালজয়ী নাম ও চরিত্র। মালকা বানু নিয়ে দেশে হয়েছে অসংখ্যা নাটক ও ছবি। মালকা বানু চট্টগ্রামের বাঁশখালির জমিদার মনু মিয়ার প্রেমে পড়ে বিয়ে করেন এবং বাঁশখালিতে বসবাস করেন। মালকা বানু আর মনু মিয়াকে নিয়ে হয়েছিল চলচ্চিত্র।

সেই ঐতিহাসিক মালকা বানুর মা সাহেববিবির নামে করা সাহেববিবি মসজিদ। যা এখনো কালজয়ী এক সাক্ষী হয়ে রয়েছে রাউজানের বুকে। স্থানীয়দের তথ্যমতে, কবরস্থানসহ মসজিদটি ৩০ শতক জমির উপর নির্মিত। বিভিন্ন কারুকাজ সংবলিত টেরাকোটার ইট ও চুন-সুরকির গাঁথুনিতে মসজিদটি নির্মিত। মসজিদের পূর্ব দেয়ালে তিনটি প্রবেশপথ। পশ্চিম দিকে গম্বুজ থেকেও উঁচু মিনার।

মসজিদের বিষয়ে নিয়ে এলাকার কয়েকজন বৃদ্ধলোক দের সাথে কথা হলে তারা বলেন, ‘ছোটবেলায় দাদার মুখে শুনেছিলাম এই মসজিদটি বহু বছর পূর্বে নির্মাণ করা হয়েছিল। আমার দাদাও তার দাদার মুখে শুনেছিল এটি বিদেীশ মিস্ত্রী দ্বারা শত শত বছর পূর্বে নির্মাণ করেছে।

এই মসজিদে নাকি তখন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোছাভাত (আঞ্চলিক শব্দ) অর্থাৎ কয়েক দিনের খাবার নিয়ে পাঁয়ে হেটে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসত নামাজ পড়ার জন্য। বাদশা মুহাম্মদ শাহ স্টেটের আমলে ডিমের আটা, চুন-সুরকি দিয়ে দেশের ২২টি গ্রামে একই রকম মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। ২২টি মসজিদের মধ্যে প্রথম নির্মাণ করা হয়েছিল সাহেববিবি মসজিদ।’ সাহেববিবি মসজিদটির ভেতরে প্রায় শতাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।


নির্বাচিত

banner close