শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
১৫ ভাদ্র ১৪৩২

সুনামগঞ্জে বাড়ি থেকে বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক ও সরঞ্জাম। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
৮ জানুয়ারি, ২০২৩ ২০:৪৬
প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ
প্রকাশিত
প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ
প্রকাশিত : ৮ জানুয়ারি, ২০২৩ ২০:৪৫

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে গ্রেপ্তারি পারোয়ানাভুক্ত আসামির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। রোববার উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের দিঘলবাক এলাকার আখলাকুর রহমানের ছেলে আফজল হোসেনের বাড়ি থেকে ওই সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রিপন কুমার মোদক এসব তথ্য জানিয়েছেন।

পুলিশ সুপার রিপন কুমার মোদক জানান, রোববার জগন্নাথপুর উপজেলার দিঘলবাক এলাকার আখলাকুর রহমানের ছেলে আফজল হোসেনের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম, বিস্ফোরক জাতীয় পাউডার ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযানে পুলিশের পাশাপাশি বাংলাদেশের সেনাবহিনীর একটি বিশেষজ্ঞ দলসহ ডিসপোজাল ইউনিট, স্পেশাল একশন গ্রুপ, ডিএমপি কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম, এন্টিটেরোরিজম ইউনিট কাজ করে।

পুলিশ জানায়, গত ৬ জানুয়ারি আসামি আফজল হোসেনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেন আদালত, তার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে পুলিশ আসামিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার জন্য বললে আফজল হোসেন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে পালিয়ে যান। এ সময় দায়িত্বরতরা বাড়িতে বিপুল পরিমাণে পাউডার ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস দেখে কর্তৃপক্ষকে জানালে শুরু হয় অভিযান। এতে অংশ নেয় সেনাবাহিনীসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অন্য ইউনিটগুলো। টানা ৯ ঘণ্টার অভিযান শেষে আসামি ধরতে পারেনি পুলিশ।

আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বর) শওকত হোসেন বলেন, ‘আফজল হোসেন এলাকায় সন্ত্রাস বলেই চিহ্নিত, তার বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা আছে শুনেছি। তার বাড়িতে কেউ তেমন বেশি যাওয়া আসে করে না।’

বিষয়:

কুষ্টিয়ায় বিজিবির অভিযানে নকল বিড়ি, বিদেশি সিগারেট ও কারেন্ট জাল জব্দ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কর্তৃক পরিচালিত দুটি পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল বিড়ি, শুল্ক ফাঁকি দেওয়া বিদেশি সিগারেট এবং ভারতীয় কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫ লাখ ৮৮ হাজার ১০০ টাকা।

শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায়।

বিজিবির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম অভিযানটি চালানো হয় গত ২৮ আগস্ট ভেড়ামারা উপজেলার বারমাইল বাজার এলাকায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে ৩৪২০ প্যাকেট অবৈধ নকল বিড়ি এবং বৈধ মূসক চালানপত্র (৬.৩) না থাকায় ২০০০ প্যাকেট বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব পণ্যের মূল্য প্রায় ৩ লাখ ৮৮ হাজার ১০০ টাকা।

পরদিন ২৯ আগস্ট দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী আশ্রায়ন বিওপি এলাকার ভাগজোত ঘাটে বিজিবির আরেকটি বিশেষ অভিযানে ভারত থেকে আনা ৫০ কেজি কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ২ লাখ টাকা।

জব্দকৃত বিদেশি সিগারেট যাচাই করে মালিকপক্ষ থেকে মূসক বাবদ ১৮ হাজার টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক বাবদ ৮০ হাজার ৪০০ টাকা—মোট ৯৮ হাজার ৪০০ টাকা রাজস্ব আদায় করে সিগারেটগুলো ফেরত দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, নকল বিড়ি কাস্টমসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং কারেন্ট জাল ধ্বংসের জন্য ব্যাটালিয়নের সিজার স্টোরে সংরক্ষিত রয়েছে।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান, পিএসসি বলেন, "সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বদা তৎপর রয়েছে। মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে।"


পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার ৩২ বস্তা টাকা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাকিবুল হাসান রোকেল, স্টাফ রিপোর্টার- কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জের আলোচিত পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে, যেগুলোর গণনা চলছে।

জেলা শহরের ঐতিহাসিক মসজিদটিতে ১৩ টি দানবাক্স

আছে, যেগুলো সাধারণত তিন মাস পরপর খোলা হয়। এবার খোলা হয়েছে ৪ মাস ১৮ দিন পর। ধারণা করা হচ্ছে অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে এবার।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো: এরশাদুল আহমেদের তত্ত্বাবধানে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফৌজিয়া খান ও পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ হাছান চৌধুরীর উপস্থিতিতে সকাল সোয়া ৭ দিকে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

এর আগে ২০২৫ সালের ১২ এপ্রিল সকালে মসজিদটির ১১ টি দানবাক্স খুলে ২৮ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। গণনা শেষে টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা । এছাড়াও পাওয়া যায় বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা ও রুপা। তখন ৪ মাস ১২ দিনে এই পরিমাণ টাকা জমা পড়েছিল মসজিদের দানবাক্সগুলোতে। তখনকার সময়ে এই পরিমাণ অর্থ ছিল সর্বোচ্চ রেকর্ড। টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়াও প্রচুর পরিমাণ হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলও দান করেন অনেকে।

পাগলা মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানায়, টাকা গণনায় অংশ নেয় পাগলা মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসার ১২০ জন ও আল-জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ২২০ জন ছাত্র, পাগলা মসজিদের ৪৫ জন স্টাফ, রূপালী ব্যাংকের ১০০ জন কর্মকর্তা, এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রায় অর্ধশতাধিক সদস্য গণনায় অংশ নিয়েছেন।

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান জানান, পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলে এবার ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এখন চলছে গণনার কাজ। তিনি আরও জানান, কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদকেন্দ্রিক একটি ইসলামি কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হবে। ভবনটি হবে ১০ তলাবিশিষ্ট এবং এখানে বহুমুখী কাজ করা হবে। এখানে অনাথ–এতিমদের জন্য লেখাপড়ার ব্যবস্থা, ধর্মীয় শিক্ষা, মাদ্রাসাশিক্ষা, একটি সমৃদ্ধ পাঠাগার, ক্যাফেটেরিয়া ও আইটি সেকশনও থাকবে।

এই মসজিদের বর্তমান আয়তন ৫ দশমিক ৫ একর। ১০ তলাবিশিষ্ট আধুনিক ভবনের জন্য আরও কিছু জায়গা কেনা হবে। এই মুহূর্তে পাগলা মসজিদের অ্যাকাউন্টে মানুষের দানের ৯০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা জমা আছে।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে মসজিদ কমপ্লেক্সের জন্য নকশা জমা দিয়েছে ১২টি প্রতিষ্ঠান। রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ দল পরীক্ষা করে একটি প্রতিষ্ঠানকে মনোনয়ন দিয়েছে। জেলা প্রশাসন ও মসজিদ কমিটি দ্রুত কার্যাদেশ দেবে এবং কাজ শুরু হয়ে যাবে।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী বলেন, দানবাক্স খোলা থেকে শুরু করে বস্তায় ভরা এবং গণনা শেষে ব্যাংক পর্যন্ত সব টাকা নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত সার্বিক নিরাপত্তার কাজে তিনিসহ তাঁর পুলিশ সদস্যরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করেন।

দানবাক্স খোলার পর গণনা দেখতে মসজিদের আশপাশে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ। তাদের মধ্যে অনেকে আসেন দূরদুরান্ত থেকে। তবে বেশি লোকজন আসেন প্রতি শুক্রবারে।

মসজিদটিতে নিয়মিত হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগলের পাশাপাশি নানা ধরনের জিনিসপত্র দান করেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষ।


নওগাঁয় গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সবুজ হোসেন, নওগাঁ প্রতিনিধি
গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির বিরুদ্ধে কমিটি বানিজ্য, অনিয়ম, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, দুর্নীতি, একক আধিপত্য বিস্তারসহ নানান অভিযোগ তুলে নওগাঁয় জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটের শতাধিক নেতাকর্মী একযোগে পদত্যাগ করেছেন।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে নওগাঁ শহরের প্যারীমোহন সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ পদত্যাগের ঘোষনা দেন নেতাকর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা গণঅধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি এবাদুল ইসলাম। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সহ- সভাপতি আখতারুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু রায়হান, জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি শাকিব খানসহ জেলা ও উপজেলার নেতারা।
এবাদুল ইসলাম তার লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলেন, নীতি, নৈতিকতা ও আদর্শের কথা বলে সংগঠন শুরু হলেও বর্তমানে তা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্যুত হয়েছে। সংগঠনের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সম্পূর্ণভাবে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। যারা মাঠে-ময়দানে সর্বস্ব দিয়ে সংগঠন গড়ে তুলেছেন, তাদের কোনো মূল্য নেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে স্বৈরাচারী আচরণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক এবং অপমানজনক। দলের অভ্যন্তরে মতামতের কোনো মূল্য নেই, উপর থেকে একতরফা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি নওগাঁ জেলা গণঅধিকার পরিষদের সকল অঙ্গসংগঠনের নেতাদের মৌখিক ভোট উপেক্ষা করে জেলা কমিটি গঠনের জন্য একটি উপকমিটি গঠন করা হলেও তাদের সিদ্ধান্তের তোয়াক্কা না করে অলৌকিক ক্ষমতায় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে যা ওই উপকমিটিই জানে না। মূল সংগঠন গণঅধিকার পরিষদ হলেও, নিয়ন্ত্রণ করছে অঙ্গ সংগঠন যুব অধিকার পরিষদ যা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন কমিটি গঠনে অর্থ বাণিজ্য হয়েছে। কোনো কর্মসূচি করতে হলে কেন্দ্রীয় নেতাদের আনতে জেলা থেকেই অর্থ সংগ্রহ করতে বলা হয়, যা একপ্রকার চাপ ও অবিচার। নতুন ধারার রাজনীতির কথা বলে সংগঠন শুরু হলেও বর্তমানে পুরনো ধ্যানধারণা ও আচরণেই চলছে সব কিছু। শুধু নওগাঁ জেলা নয় রাজশাহী বিভাগ উচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সংগঠনের প্রতিনিয়ত ক্ষতি করে যাচ্ছে। রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন কবির.
গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য আমিনুল ইসলাম মাসুদ, কেন্দ্রীয় সংসদ যুব অধিকার পরিষদের রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এস এম সাব্বির এদের সকল প্রকার অনৈতিক কাজকে প্রশ্রয় দেন কেন্দ্রীয় নেতারা
বর্তমান সংগঠন তার মূল পথ ও উদ্দেশ্য থেকে সরে এসেছে। তাই নিজের আত্মমর্যাদা, রাজনৈতিক আদর্শ ও তৃণমূল কর্মীদের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই এই সংগঠন থেকে শতাধিক নেতাকর্মী সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান তিনি।
জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি শাকিব খান বলেন, নওগাঁ জেলায় গণঅধিকার পরিষদের যে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে সেখানে সাধারণ সম্পাদকের পদে যার নাম আছে তার কোন যোগ্যতা নেই। শুধুমাত্র স্বজন প্রীতি করে তাকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। বর্তমান কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করে আমরা নওগাঁ জেলাতে গণধিকার পরিষদকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করলাম। গণঅধিকার পরিষদের অস্তিত্ব নওগাঁতে থাকবে না।
সংবাদ সম্মেলনে নওগাঁ জেলার গণ অধিকার পরিষদ, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও যুব অধিকার পরিষদের জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং সংগঠনের বর্তমান কমিটি ঘোষনার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।


পর্যটন নগরী রাঙামাটিতে হাজারো মানুষের উল্লাসে জশনে জুলুস পালিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিজয় ধর, রাঙামাটি

হাজারো মানুষের উল্লাসে পর্যটন নগরী রাঙ্গামাটিতে সর্ববৃহৎ ও ঐতিহাসিক জশনে জুলুস পবিত্র ঈদ-এ- মিলাদুন্নবী পালিত হয়েছে। এসময় শায়েররা গাড়ি বহর নিয়ে গাইতে থাকলেন ‘আজে ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুস চলতেছে,আনন্দে উল্লাসে সারা জগৎ ভরেছে’ এমন মধুর কণ্ঠে হাম-নাত আর দরুদ মুখর পরিবেশে রাঙামাটিতে পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহি জশনে জুলুস। জুলুসকে ঘিরে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
জুলুসের পতাকা, ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন, তরুণের সাজে রাঙামাটি শহরের সড়ক ও মোড়গুলো। হামদ-নাত আর দরুদে মুখর পরিবেশে জুলুসে হাজারো মানুষের ঢল নামে। জুলুসে শিশু কিশোরসহ নানা বয়সী মানুষের অংশগ্রহণে একাকার হয়ে পড়ে শহরের রাজপথ। বাসাবাড়ির ছাদে শুধু মানুষ আর মানুষ। যেদিকে চোখ যায় শুধু পাঞ্জাবি টুপি পরিহিত মুসল্লিদের ভিড় ।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বাদে জুমার নামাজের পরে রাঙামাটি জেলার গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে রিজার্ভবাজার জামে মসজিদ থেকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহি জশনে জুলুসের একটি বর্ণাঢ্য বিশাল শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে হাজারো মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। এ সময় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নানা রঙ-বেরঙের ব্যানার ফেস্টুন ও কালেমা খচিত পতাকা নিয়ে ‘নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবর, নারায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ (সঃ) ধ্বনিতে স্লোগান দিতে থাকে। এতে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো শহর। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের বনরূপা জামে মসজিদের সামনে এসে শেষ হয়। পরে বনরূপা জামে মসজিদে নবী করিম হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর জীবনী নিয়ে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয় এবং মিলাদ-ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে জুলুসের সমাপ্তি করা হয়।
এ সময় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রামের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি আব্দুল ওয়াজেদ, বনরূপা মসজিদের খতিব মাওলানা ইকবাল হোসাইন আল কাদেরী, কাঠালতলি জামে মসজিদের খতিব হাফেজ ক্বারী মাওলানা সেকান্দর হোসাইন আল ক্বাদেরী, বনরূপা জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা সুলতান মাহমুদ, রিজার্ভবাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা ছৈয়দ আবু নওশদ নঙ্গমী ।


খাবার সংকটে লোকালয়ে বানরের উৎপাত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সালাউদ্দীন শুভ, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
খাবার সংকটে মৌলভীবাজারে বেড়েছে বানরের উৎপাত। সুযোগ পেলেই বাসাবাড়িতে ঢুকে রান্না করা খাবার এবং কাঁচা সবজি ও ফলমূল নিয়ে যাচ্ছে। এক সময় বনজঙ্গলের ফলফলাদি খেয়েই বেঁচে থাকত বানরগুলো। বর্তমানে বনজঙ্গল কেটে ফেলায় দেখা দিয়েছে বানরের খাবার সংকট। খাবার না পেয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ায় এ প্রাণীগুলো হুমকির মধ্যে পড়েছে। এদিকে বানর বন ছেড়ে লোকালয়ে আসার ঘটনায় পরিবেশকর্মীরা বনের খাদ্যসংকটকে দায়ী করছেন। বনে খাদ্য সংকট, অন্যদিকে ঘনবসতির কারণে বানরের সংখ্যা কমে গেছে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এ প্রাণীকে টিকিয়ে রাখার আহ্বান জানান এলাকাবাসী। শুক্রবার (২৯আগস্ট) দুপুরে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের টিকিট কাউন্টারের ছাদ থেকে তুলা।


মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শিউলি আফরোজ সাথী, মাগুরা প্রতিনিধি
মাগুরায় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসব-২০২৫ এর উদ্বোধন হয়েছে। শুক্রবার সকালে মাগুরা জেলা প্রশাসন চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালী শহর প্রদক্ষিণ করে নোমানি ময়দানে গিয়ে শেষ হয়। বর্ণাঢ্য এ র‍্যালীতে মাগুরা সদর উপজেলার ২৫টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
র‍্যালী শেষে মাগুরা জেলা অডিটরিয়ামে জেলা প্রশাসক মো: অহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মো: মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে প্রধান বিতর্ক ব্যক্তিত্ব ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশন বাংলাদেশ এনডিএফ বি ডির চেয়ারম্যান এ কে এম শোয়েব ও বিশেষ বিতর্ক ব্যক্তিত্ব ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশন বাংলাদেশ এম ডি এফ বিডি খুলনা অঞ্চলের মডারেটর মোঃ তাকদীরুল গনি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হাসিবুল হাসান।
দিনব্যাপী এ উৎসবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের পরিচালনায় আন্তর্জাতিক শিশু বিতর্ক রম্য, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সনাতনী স্কুল বিতর্ক, তাৎক্ষণিক বিতর্কে অংশ নেয় মাগুরা সদর উপজেলার ২৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৬ টি বিতর্ক ক্লাবের শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে মাগুরা আদর্শ বিতর্ক সংঘের সার্বিক সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন মাগুরা সদর এ উৎসবের আয়োজন করে। সার্বিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাগুর আদর্শ বিতর্ক সংঘের চেয়ারম্যান নাহিদুর রহমান দুর্জয়। পরে বিতার্কিক দের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয় ।


নারায়ণগঞ্জে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
এম এস ডালিম, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্যানেল ১৬ পদে বিশাল জয় পেয়েছে। আর মাত্র একটি পদে জয় পেয়েছেন জামায়াত ইসলাম সমর্থিত বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল প্যানেলের একজন সদস্য।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) রাত বারোটায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল বারী ভুঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে নারায়ণগঞ্জ বার ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ১ হাজার ১৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৫৩ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ১২০ জন।
নির্বাচনে ১৭টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে ১৬টি পদে জয় পেয়েছেন বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নীল প্যানেল। বিজয়ীরা হলেন, সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ূন কবীর ৬০০ ভোট ও সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট এইচ এম আনোয়ার প্রধান ৭১৮ ভোটে পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী আব্দুল গাফ্ফার ৬৯৭ ভোট, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সাদ্দাম হোসেন ৫৫৫ ভোট, যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক নয়ন ৬৭৫ ভোট, কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট শাহাজাদা দেওয়ান ৭৫৫ ভোট, আপ্যায়ন সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাইন উদ্দিন রেজা ৭৯৭ ভোট, লাইব্রেরি সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান ৫৯০ ভোট, ক্রীড়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ৬৪৫ ভোট, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সারোয়ার জাহান ৫৭২ ভোট, সমাজসেবা সম্পাদক অ্যাডভোকেট রাজিব মন্ডল ৬০০ ভোট, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুন মাহমুদ মিয়া ৫৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
সদস্য পদে যথাক্রমে বিজয়ী হয়েছেন অ্যাডভোকেট দেওয়ান আশরাফুল ইসলাম ৭৩৪ ভোট, অ্যাডভোকেট ফাতেমা আক্তার সুইটি ৬৯৭ ভোট, অ্যাডভোকেট আবু রায়হান ৬৯৪ ভোট, অ্যাডভোকেট তেহসিন হাসান দিপু ৫৭৪ ভোট এবং অ্যাডভোকেট আফরোজা জাহান ৫২৩ ভোট। এদের মধ্যে মাত্র একটি সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত ইসলাম সমর্থিত অ্যাডভোকেট আফরোজা জাহান।
উল্লেখ, নির্বাচনে ১৭টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন মোট ৪৯ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের পূর্ণ প্যানেল,
জামায়াত ইসলাম সমর্থিত বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের পূর্ণ প্যানেল, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের আংশিক প্যানেল সহ স্বতন্ত্র প্রার্থীও অংশগ্রহণ করেন।


কিশোরগঞ্জে ট্রাক-সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাকিবুল হাসান রোকেল, স্টাফ রিপোর্টার- কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জে ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকালে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের মাইজহাটি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শরিফুল ইসলাম শরীফ (৪০) বাজিতপুর উপজেলার গজারিয়া এলাকার মৃত বকুল মিয়ার ছেলে। পেশায় তিনি অটোরিকশা চালক।

কটিয়াদী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মারগুব তৌহিদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে তিনি জানান, আজ সকালে দুর্ঘটনার শিকার সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি কোন যাত্রী ছাড়াই কটিয়াদী থেকে কিশোরগঞ্জ যাচ্ছিল। এসময় মাইজহাটি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম শরীফ মারা যায়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

কটিয়াদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মারগুব তৌহিদ জানান, অটোরিকশাটি খালি থাকায় এই ঘটনায় আর কেউ আহত নেই। অটোরিকশা ও ট্রাক আটক করা হলেও ট্রাকের চালক পলাতক। যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।


প্রধান উপদেষ্টা ওয়াদা ভঙ্গ করে রোডম্যাপ দিয়েছেন, এই রোডম্যাপ সুষ্ঠ নির্বাচন ভন্ডুল করার নীল নকশা: ডা. তাহের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

প্রধান উপদেষ্টা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে নির্বাচনী রোড ম্যাপ ঘোষণা করেছেন, এই রোডম্যাপ একটি সুষ্ঠ নির্বাচনকে ভন্ডুল করার জন্য নীল নকশা বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোঃ তাহের। আজ শুক্রবার সকালে কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজে মিলনায়তনে কুমিল্লার কালিবাজার ইউনিয়নের নির্বাচনী দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, চুড়ান্ত সংস্কারের সিদ্ধান্তে পৌঁছার আগেই প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন। এবং বিচার এখনো দৃশ্যমান হয়নি। এর মাঝে বোধহয় তিনি কোন শক্তির কাছে মাথানত করে পরিকল্পিত নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে দেশবাসী শঙ্কা পোষন করছে। অন্তর্বর্তী সরকার কমিটমেন্ট দিয়ে আসছিল তারা নিরপেক্ষ থাকবে, তারা সংস্কার করবে এবং বিচার দৃশ্যমান করবে। এবং নির্বাচন হবে। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা তার ওয়াদা ভঙ্গ করেই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন।

তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের কোন আপত্তি নেই। আমরা ১৫ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের জন্যই প্রস্তুতি নিচ্ছি। কিন্তু একটি সুষ্ঠ অবাধ নির্বাচনের জন্য কিছু বিষয় সুরাহা হওয়া খুবই জরুরী। এরমধ্যে জুলাই চার্টারকে আইনগত ভিত্তি দিতে হবে এবং এর ভিত্তিতেই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দিতে হবে। কিন্তু সেগুলো না করেই নির্বাচনের যে পথ নকশা ঘোষণা করা হয়েছে সেটি একটি সুষ্ঠু নির্বাচন ভন্ডুল করার নীল নকশা বলে আমি মনে করি। আমরা এটা হতে দেব না। আমরা সরকার ও নির্বাচন কমিশন কে বাধ্য করবো জুলাই চার্টার রিফান্ড ও পিআর এর মাধ্যমে নির্বাচন হতে হবে।
এছাড়াও আগের ট্র্যাডিশনাল পদ্ধতি ও নতুন প্রস্তাবিত পিআর দুইটার মধ্যে একটি নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত রোড ম্যাপ ঘোষণা করার নির্বাচন কমিশনের বড় ধরনের অপরাধ বলেও মন্তব্য করেন ডাক্তার সৈয়দ আব্দুল মোঃ তাহের। এজন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে দেশবাসীর প্রতি ক্ষমা চাওয়ারও আহ্বান জানান।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে আমীর মাহফুজুর রহমান এর সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন জামায়াতে কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য আব্দুস সাত্তার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ শাহজাহান এডভোকেট,উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন,সহকারী সেক্রেটারী আব্দুর রহিম,কালিকাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবুল হাসেম।


বেনাপোলে গভীর রাতে নিজ বাড়ির গেটের সামনে বিএনপি'র কর্মীকে গলা কেটে হত্যা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বেনাপোল প্রতিনিধি

যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল পোর্ট থানার ছোটআঁচড়া গ্রামে মিজানুর রহমান সর্দার (৪৩) নামে বিএনপি'র এক কর্মীকে কে বা কারা গরু কাটার ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে।

শুক্রবার (২৯ আগষ্ট) দিবাগত রাতে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। মৃত মিজানুর রহমান সর্দার বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আঁচড়া গ্রামের হানিফ আলী সর্দারের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, মিজানুর বেনাপোল চেকপোস্টে একটি কসায়ের দোকানে গরু কাটা ঝোড়ার কাজ করে। প্রতিদিন সে ভোরে উঠে ওই কাজে যায়। আজ ও তার কসায়ের দোকানে কাজ করতে যাওয়ার কথা ছিল। জানা মতে এলাকায় কারো সাথে তার কোন ঝগড়া বিবাদ ছিল না। সে সবার সাথে মিলে মিশে থাকতো। সকালে ঘুম থেকে উঠে শুনি কে বা কারা বাড়ির গেটের সামনে উঠোনে গলা কেটে হত্যা করে রেখে গেছে।

নিহতের ভাই খায়রুল সরদার জানান, আমার ভাইয়ের সাথে কারো কোন শত্রুতা ছিল না । সে একটা কসায়ের দোকানে কাজ করে। প্রতিদিনের মতো আজও কাজে যাওয়ার কথা ছিল। রাত পৌনে তিনটার কে বা কারা তাকে ফোনে কল দিয়ে ডাকলে ভাই তার কাজে ব্যবহৃত ছুরি নিয়ে বাহিরে বের হন। পরে দেখি কে বা কারা গেটের ভিতরে তাকে গলা কেটে হত্যা করে চলে গেছে। বেনাপোল পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা আহাদ হোসেন জানান, দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত মিজানুর রহমান আমাদের বিএনপির একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। আমার জানামতে তার সাথে কারো কোন কলহ ছিল না। সে গরুর মাংসের দোকানে কাজ করতেন। তবে কি কারণে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হলো আমাদের জানা নাই।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রাসেল মিয়া ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান দূর্বৃত্তরা তাকে কেন গলা কেটে হত্যা করেছে এটা তদন্ত না করে কোন কিছু বলা সম্ভব না।থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন পূর্বক মৃতদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান। ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।


শিক্ষাঙ্গনকে কোনোভাবেই  কলুষিত করা  ঠিক নয়

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের শিক্ষার বেহাল অবস্থার প্রতি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের হতাশায় গোটা দেশের জনগণ উদ্বিগ্ন। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উচ্ছৃঙ্খলতা, অব্যবস্থা, অনিয়ম, মব ভায়োলেন্স, বিভিন্ন দাবি আদায়ের হুংকার, লেখাপড়ার প্রতি অনিচ্ছার প্রবণতা লক্ষণীয়। তারপর ধীরে ধীরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মের পথে যাওয়ার চেষ্টা করলেও গুণগত শিক্ষার মান বাড়ানো যাচ্ছে না। আমরা জানি শিক্ষা হলো- এমন একটি পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে জ্ঞান, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়। জন্মের পর থেকে একটি শিশুকে বড় হওয়া পর্যন্ত, তার সার্বিক বিকাশ থেকে শুরু করে সমাজের একজন সৃষ্টিশীল এবং প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যম হচ্ছে শিক্ষা। এ জন্যই সমাজ-বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে সকল মহান ব্যক্তিরাই বলে গেছেন শিক্ষাজাতি গঠন করে এবং শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা জাতির- চরিত্র গঠন করে। আর শিক্ষাঙ্গন হলো-সেই প্রতিষ্ঠান, যেখানে জ্ঞান, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করার স্থান। শিক্ষাঙ্গন, যেখানে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলতে সক্ষম এবং চরিত্র গঠন ও সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রকৃত মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে থাকে। তাই শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন একে অপরের পরিপূরক। একটিকে বাদ দিয়ে অন্যটিকে ভাবা অসম্ভব। ফলে শিক্ষার এবং শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ সব সময় থাকতে হবে সর্বাধিক উত্তম। অথচ ব্যাথিত হই যখন দেখি রাজধানীর ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ বা আইডিয়াল কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের মধ্যে অহরহ বিবেধ-সংঘর্ষ। যা কারও জন্য কাম্য নয়। জোড়পূর্বক সচিবালয়ে প্রবেশ করা- শিক্ষার্থীদের কাজ নয়। ইতোমধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভদ্রতা, শ্রদ্ধা, সম্মান, ভালোবাসা এবং মানবতার পরিবর্তে হিংসা, বিদ্ধেষ, অহংকার, অহমিকা, মবের দৌরাত্ম্য, অপমান, অপদস্ত, মারামারি, অভদ্রতা ইত্যাদির আর্বিভাবে দেশ ও দেশের মানুষ আতঙ্কিত ও হতাশ। কেউ কী বলতে পারবে আমাদের এই ছোট্ট বাংলাদেশে শিক্ষার এবং শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ সর্বাধিক উত্তম? না কখনোই না বরং দিন দিন খারাপের দিকে। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ বড় ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে দাড়িয়েছে যা কখনোই কাম্য ছিল না। এতে করে মারাত্মকভাবে কলুষিত হচ্ছে শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ। এতে সচেতন মহল আতঙ্কিত । শিক্ষাঙ্গনে যেভাবে লেখাপড়ার পরিবর্তে চাঁদাবাজি বা মব ভায়োলেন্স ঢোকেছে তাতে এক শ্রেণির ছাত্র সমাজ জড়িত হয়ে পড়েছে তাতে গোটা শিক্ষার্থীরা দেশের বাইরে যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে। তাদের বক্তব্য এদেশে উচ্চশিক্ষার তেমন পরিবেশ বা শিক্ষার গুণগত মানের অভাব দেখা দিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এক প্রকার অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়া, অনৈতিক অর্থ আদায়, শিক্ষাঙ্গনে হুমকি, তাণ্ডব কিছুই বাদ নেই। এমন কী শিক্ষাঙ্গনে পুলিশের প্রবেশ বা শিক্ষার্থীদের অযৌক্তিক দাবির বিরুদ্ধে পুলিশকে লাঠিপেটা করতে দেখা যায়। অনেক শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষক-ছাত্রীর সঙ্গে এমন সব কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িত করছে তাতে লজ্জায় অভিভাবক সমাজ ক্ষুব্ধ। দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সকল প্রকার অনিয়ম ও উচ্ছৃঙ্খলতা দূর করে শিক্ষাঙ্গনে সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলতে সচেষ্ট হওয়ার জন্য দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুশীল সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

লেখক: গণমাধ্যমকর্মী


শাহিদের সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণ জানালেন কারিনা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

অনেকে ধরেই নিয়েছিলেন যে শাহিদ কাপুরকেই বিয়ে করবেন কারিনা কাপুর। যেভাবে তাদের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা বলিউডে, তা শুনে কারিনা ও শাহিদের পরিবারও এই বিয়ে নিয়ে মোটামুটি ভাবতে শুরু করেছিলেন। বিশেষ করে কারিনা ও শাহিদের চুমুর ভিডিও ভাইরাল হতেই তাদের প্রেম যেন আরও প্রকট হয়ে ওঠে।

কিন্তু হঠাৎই অঘটন। রাতারাতি শাহিদের সঙ্গে বিচ্ছেদ করেন কারিনা। তখন সবে দুজনে শুরু করেছেন, ‘জাব উই মেট’ সিনেমার শুটিং। আর তার মাঝেই এই বিচ্ছেদ কাণ্ড! কিন্তু ওই বিচ্ছেদের খবর সবাই জানলেও, এর নেপথ্যের কারণটা অজানা ছিল বহুদিন। তবে সম্প্রতি কারিনাই এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট জানালেন, এই শাহিদের সঙ্গে বিচ্ছেদ করার কারণ।

সাইফ আলী খানের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার পর পরই শাহিদের সঙ্গে প্রেম প্রসঙ্গে কারিনা জানিয়েছিলেন, তিনি অতীত নিয়ে কথা বলতে চান না। বিশেষ করে শাহিদ নিয়েই তো একেবারেই নয়। কারিনার এমন বক্তব্যে জল্পনা শুরু হয়। নিন্দুকদের মুখে নানান প্রশ্ন, কী এমন হয়েছে, যে কারিনা এই বিষয়ে মুখ খুলছেন না।

শেষমেশ সম্প্রতি নিজেই স্পষ্ট করলেন। কারিনা জানান, শাহিদ বন্ধু হিসেবে ভাল। কিন্তু ওর ইগো বড্ড বেশি, যা কিনা সমস্যা সৃষ্টি করেছিল। তবে শাহিদের এখন অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ওরা ভাল থাকুক, সুখে থাকুক।


ফেনীর পাঁচগাছিয়ায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, যুবক আটক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মুহাম্মদ আবু তাহের ভূঁইয়া, ফেনী প্রতিনিধি

ফেনীর পাঁচগাছিয়ায় এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ব্রিকফিল্ডের পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংন্ক থেকে স্থানীয়রা পাঁচ বছরের শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় রাসেল (১৮) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৭ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মাথিয়ারা গ্রামের সোনালী ব্রিকফিল্ড এলাকা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাথিয়ারা এলাকার ওই মেয়ে শিশুটি বুধবার দুপুরের দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরে আশপাশের এলাকায় স্বজনরা মাইকিং করে খোঁজ করলেও তার সন্ধান মেলেনি। রাত ১২টার দিকে স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সেখানকার সোনালী ব্রিকসের পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকের পাশে মেয়েটির জামা দেখতে পায়। পরে সেখানে পরিত্যক্ত একটি সেপটিক ট্যাংকের পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ব্রিকফিল্ডে কর্মরত রাসেল নামে এক যুবককে সন্দেহজনকভাবে আটক করে স্থানীয়রা পুলিশে সোপর্দ করে। আটক রাসেল ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার কলতাপাড়া গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে।

শিশুর মা মুক্তা বেগম বলেন, আমার মেয়ে দুপুর বেলা হারিয়ে যায়। তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করি। না পাওয়ায় এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। রাত ১১টার সময় ব্রিক ফিল্ডের পাশে লোকজন তার সালোয়ার দেখতে পান। পরে আমার আত্মীয়-স্বজনরা খোঁজাখুঁজি করে। সেখানে সেফটি ট্যাংকের ভিতরে তার মরদেহ পাওয়া যায়। আমার মেয়েকে যেভাবে মারা হয়েছে, আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, আমি তার ফাঁসি চাই। আমার মেয়ের ধর্ষকের বিচার চাই।

শিশুর বাবা সোলায়মান আলী বলেন, আমার পাঁচ বছরের মেয়েকে যে ধর্ষণ করেছে, নির্মমভাবে হত্যা জন্য তার ফাঁসি চাই। আমি বাংলাদেশের সবার কাছে আমার মেয়ের এই নির্মম ঘটনার বিচার চাই। এ ধরনের ক্ষতি যেন আর কারো না হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের সময় শরীরে কোনো কাপড় ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য নূর নবী বলেন, আটক ছেলেটি প্রায় দুই বছর ধরে ওই ব্রিকফিল্ডে কাজ করে। তার বাড়ি ময়মনসিংহে। মেয়েটির বাবার বাড়ি ভোলা ও মায়ের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছার রসুলপুরে হলেও কাজের সুবাদে তারা মাথিয়ারায় একটি কলোনিতে বসবাস করেন। পূর্ব থেকে মেয়েটি রাসেলকে চিনত। রাসেল দুপুরে শিশুটিকে ব্রিকফিল্ডে এনে খাবার দেয়। পরে ধর্ষণ করে হত্যার পর মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দিয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।

ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো: আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে রাসেল নামে এক যুবককে আটক করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত রাসেল ঘটনার সাথে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে। আইনানুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ও প্রক্রিয়া চলছে।


banner close