সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪

ঘূর্ণিঝড় রেমাল: আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ছাত্রলীগকে নির্দেশ

আপডেটেড
২৬ মে, ২০২৪ ১৬:০৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২৪ ১৬:০২

আসন্ন অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়াবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। আজ রোববার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি।

বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, অতীতে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়কালীন সময়ে, শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে, অগ্নিকাণ্ড বা ভবন ধসে উদ্ধারকাজ চালিয়ে, মহামারী করোনাকালীন অসহায়-অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে, কৃষকের ধান কেটে নিরাপদে ঘরে পৌঁছে দিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সমাজ ও মানুষের প্রতি তার কর্তব্য নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছে।

সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ এ রূপ নিয়েছে যা অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় বা সুপারসাইক্লোনে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এরই মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলবর্তী এলাকাসহ মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরের জন্য ৭ নম্বর এবং চট্রগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরের জন্য ৬ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করেছে।

সংগঠনটি জানায়, ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাগর দ্বীপের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থান করছে। ২৬ মে গভীর রাতে কিংবা ২৭ শে ভোরের মধ্যে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, বরগুনাসহ উপকূলবর্তী এলাকায় তীব্রভাবে আঘাত হানবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আঘাত হানার সময় কেন্দ্রের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার হতে পারে। এ ছাড়াও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সারা দেশব্যাপী অতি ভারী বৃষ্টি, প্রবল দুর্যোগ, বজ্রবৃষ্টি এবং সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সহ উপকূলীয় অঞ্চলে জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হতে পারে। প্রবল বৃষ্টির ফলে ভূমিধস হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

আরও পড়ুন: জ্বলোচ্ছাসে তলিয়ে গেছে সুন্দরবন

সংগঠনটি আরও জানায়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ঘূর্ণিঝড় প্রবণ এলাকার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে, সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়ে, মাইকিং করে, শুকনো ও রান্না করা খাবার, খাবার স্যালাইন ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করে, ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী উদ্ধারকাজ পরিচালনা করে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঘরবাড়ি স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সংস্কার করে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে এবং স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রমে সহযোগিতা দিয়ে পাশে থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার অগ্রদূত, পরিবেশবিষয়ক সর্বোচ্চ বৈশ্বিক পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ এ ভূষিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ বৈশ্বিক রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। দুর্যোগে পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রাণহানি কমিয়ে আনা, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, দুর্যোগে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, বজ্রপাত নিরোধক কর্মসূচি, গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় গৃহ নির্মাণ, সময়োপযোগী আইন প্রণয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগজনিত ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসের ওপর গুরুত্বারোপ করে ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ প্রণয়ন ইত্যাদি কর্মকাণ্ড বাংলাদেশকে দুর্যোগসহনশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলেছে। যার ফলে জাতিসংঘ কর্তৃক বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ‘জনসেবা পদক’ লাভ করেছে।

বিষয়:

ঢাবিতে আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এসময় কিছু মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

আজ সোমবার বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের সামনে প্রথমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে মল চত্বর, ফুলার রোড, নীলক্ষেত এলাকায়ও তা ছড়িয়ে পড়ে।

দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে আন্দোলনকারীরা সমাবেশ ডাকেন। আড়াইটার দিকে সমাবেশস্থলে খবর ছড়ায়, বিজয় একাত্তর হলে শিক্ষার্থীদের আটকে রাখা হয়েছে এবং হামলা হয়েছে। এতে উত্তেজিত কতিপয় শিক্ষার্থী সেখান থেকে বিজয় একাত্তর হলের দিকে মিছিল নিয়ে যেতে থাকেন।

এক পর্যায়ে বিজয় একাত্তর হলের গেইট থেকে ভেতরের দিকে ঢিল ছোড়া হতে থাকে। পাল্টা ভেতর থেকেও বাইরে ঢিল মারা হতে থাকে। তখন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। উভয়পক্ষ পরস্পরকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে।

এদিকে বিজয় একাত্তর হলের পর মল চত্বরেও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। সেখানে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ধাওয়ায় পিছু হটেন আন্দোলনকারীরা। তাদের কেউ ছুটতে থাকেন ফুলার রোডের দিকে, কেউ চলে যান নীলক্ষেতের দিকে। ওই সময় আন্দোলনকারীদের কেউ কেউ পিটুনিরও শিকার হন।

বর্তমানে গোটা ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি থমথমে। তবে বিজয় একাত্তর হল, জিয়া হল, বঙ্গবন্ধু হল ও মাস্টার দা সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের দখলে।


আগেই বলেছিলাম, কোটা আন্দোলনে রাজনৈতিক অপশক্তি ঢুকেছে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৫ জুলাই, ২০২৪ ১৬:০৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, গতকাল রাতে যে ধরনের স্লোগান দেওয়া হয়েছে, তা রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। সেই দেশে রাজাকারের পক্ষে স্লোগান, এটি রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান। এটি সরকারবিরোধী নয়। একইসঙ্গে সেখানে সরকারবিরোধী, প্রধানমন্ত্রীবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়েছে। আমরা আগেই বলেছিলাম, কোটা আন্দোলনের মধ্যে রাজনৈতিক অপশক্তি ঢুকেছে, তা স্পষ্ট।

আজ সোমবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি-জামায়াতসহ যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় তারা ঢুকেছে। তাদের পরিকল্পিত কিছু মানুষ সেখানে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আমরা যা বলেছিলাম, গতকাল তারা তা স্পষ্ট করেছে। কালকের যেসব ঔদ্ধত্যপূর্ণ স্লোগান ও বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তাতে প্রমাণিত হয় এটি কোটাবিরোধী আন্দোলন নয়। এ আন্দোলনকে রাষ্ট্রবিরোধী, সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সেন্টিমেন্টকে ব্যবহার করা হচ্ছে। বাইরে থেকে বিএনপি-জামায়াতসহ অন্যরা সেখানে ইন্ধন দিচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা দেশকে কখনো অস্থিতিশীল করতে দেব না। আমাদের সরকার অনেক শক্তিশালী সরকার। আমরা কোনো রাজনৈতিক অপশক্তিকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সেন্টিমেন্ট নিয়ে খেলা করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেব না।

তিনি আরও বলেন, সরকার স্পষ্ট করে বলেছে আদালতে বিচারাধীন কোনো বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। আদালত যেভাবে নিষ্পত্তি করবেন, সরকারকে সেভাবে কাজ করতে হবে, এটি স্পষ্ট। যারা সংবিধান জানেন, দেশের আইন জানেন, আপনারা সবাই জানেন- এটি স্পষ্ট। এরপরও এ ধরনের স্লোগান দেওয়া এবং আন্দোলন করা এবং কালকের স্লোগান, কালকের বক্তব্য একেবারে দিবালোকের মতো স্পষ্ট করে দিয়েছে এর মধ্যে রাজনীতি ঢুকেছে।


তারা পাকিস্তানি হানাদার-রাজাকার বাহিনীর অত্যাচার দেখেনি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, রাজাকার বাহিনী যেভাবে এদেশে অত্যাচার করেছে। তাদের সেই অত্যাচার, রাস্তায় লাশ পড়ে থাকা এরা (কোটা আন্দোলনকারীরা) দেখেনি তাই নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জা হয় না।

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সমূহের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ‘বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর’ এবং ‘শুদ্ধাচার পুরস্কার’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এসময় কোটা সংস্কার আন্দোলনকে সমর্থন জানানো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ স্লোগান দেওয়াকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি।

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই হচ্ছে আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। লাখো শহীদ রক্ত দিয়ে গেছেন, লাখো মা-বোন নির্যাতিতা, তাদের এই অবদান ভুললে চলবে না। এটা মনে রাখতে হবে। দুর্ভাগ্য এখন যখন শুনি মেয়েরাও স্লোগান দেয়, কোন দেশে আমরা আছি, এরা কী চেতনায় বিশ্বাস করে? কী শিক্ষা তারা নিলো? কী তারা শিখলো?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গর্বের, জাতির পিতার একটি ডাকে এই দেশের মানুষ, ঘর-বাড়ি, পরিবার সব কিছু ছেড়ে দিয়ে যুদ্ধে গেছে, জীবনের মায়া ত্যাগ করে যুদ্ধ করে বিজয় এনে দিয়েছে। আর এই যারা বাহিনীতে (রাজাকার-আল বদর-আল শামস) ছিল তারা এদেশের মানুষের ওপর অত্যাচার করেছে। সেটা ভুলে গেলে চলবে না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের সেই শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নিয়ে; তাহলেই এদেশ এগিয়ে যাবে। ’৭৫ এর পর যারা ক্ষমতায় ছিল ২১ বছর, তারপর ৯ বছর দেশকে কী দিতে পেরেছে? কিচ্ছু দিতে পারেনি। কিন্তু আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করি। যখন ক্ষমতায় এসেছি মাত্র ১৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ আজ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। বিশ্বের মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত বাংলাদেশ। সেই দলটাতো থাকতে হবে।’

দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাই, এই বাংলাদেশ কারো কাছে হাত পেতে চলবে না। মাথা নত করে চলবে না। বিশ্ব দরবারে আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে চলব। সেই বিশ্বাস নিয়ে আপনারা আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন।’

গতকাল রোববার (জুলাই ১৪) সন্ধ্যা রাত থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েটসহ সারা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের পক্ষে থাকা এসব শিক্ষার্থীদের মিছিল থেকে ‘আমি কে? তুমি কে? রাজাকার রাজাকার; কে বলেছে বলেছে স্বৈরাচার স্বৈরাচার’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।


কাল যেসব এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকেব

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি প্রতিস্থাপন কাজের জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আজ সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকাল ১০টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মোট আট ঘণ্টা বনানী ডিওএইচএস, শহীদ মঈনুল রোড এবং স্বাধীনতা সরণি সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যমান সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এছাড়া আশেপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি প্রতিস্থাপন কাজের জন্য রাজধানীর কলাবাগান, কাঁঠালবাগান, পূর্ব রাজাবাজার, গ্রিন রোড ও পান্থপথ এলাকায় সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মোট ১০ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকে। ১০ জুলাই বুধবার এক বার্তায় এ তথ্য জানায় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।


কর্মীদের দক্ষ করে বিদেশে পাঠাতে হবে

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদেশে গমনেচ্ছু কর্মীদের দক্ষ করে জনশক্তিতে রূপান্তর করে বিদেশে পাঠাতে হবে বলে মনে করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমাদের কর্মতৎপরতায় বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীরা বিভিন্ন কারিগরি জ্ঞান ও ভাষার ওপর দক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে। বৈধ পথে তাদের অর্জিত রেমিট্যান্স দেশে পাঠাতে হবে।’

ঢাকা টেকনিক্যাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (ডিটিটিটিআই) আজ রোববার হাউসকিপিং প্রশিক্ষণ কোর্সের প্রস্তুতকৃত ম্যানুয়ালের ওপর প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক সালেহ আহমদ মোজাফফর।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে আধুনিক যুগোপযোগী ও আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শুধু প্রবাসী কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলেই হবে না, প্রশিক্ষকদেরও প্রতিনিয়ত আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। আমি আশা করছি, আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয়ে কিছুদিনের মধ্যে আমাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো ঢেলে সাজাতে সক্ষম হবো।’

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে তথা বাংলাদেশকে সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ইতোমধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন, এখন তিনি লক্ষ্য স্থির করেছেন স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার। আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্তরিকভাবে কাজ করলে ২০৪১ সালের আগেই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সমর্থ হবো।’

বিদেশে গমনেচ্ছু কর্মীদের ভাষা জ্ঞানের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে (টিটিসি) কী ধরনের ট্রেড চালু আছে বা আমরা কোন ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মীদের দিই- তা সবাইকে জানার সুযোগ করে দিতে হবে। প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে।’

হাউসকিপিং কোর্সের প্রশিক্ষকদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রশিক্ষণার্থীদের নিজেদের পরিবারের সদস্য ভাবতে হবে। তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবেন। মনে রাখবেন, আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু তৈরি করতে সমর্থ হয়েছি। সব ধরনের বাধা দূর করে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে আধুনিক করতে পারব। প্রবাসীদের সব সমস্যা আমার জানা। প্রবাসীদের কষ্ট আমি অনুভব করি। প্রবাসীদের সব সমস্যার সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আমি আপনাদের একজন হিসেবে সর্বদা কাজ করব।’


বিদ্যুৎ ব্যবহার ২০ শতাংশ কমাতে ইসির ৮ নির্দেশনা

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদ্যুতের ব্যবহার ২০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে তা বাস্তবায়নে একটি কমিটি গঠন করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গঠিত কমিটির সুপারিশে বিদ্যুৎ অপচয়কারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সংস্থাটি। সম্প্রতি ইসির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সহিদ আব্দুস ছালাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ এরই মধ্যে সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।

ইসির দেওয়া ৮ নির্দেশনা হলো-

১. দিনে কাঁচের দরজা বা জানালা দিয়ে আগত প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারের মাধ্যমে কৃত্রিম আলোর ব্যবহার যতটুকু সম্ভব কমাতে হবে।

২. প্রতিবার অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় এয়ার কন্ডিশনের থার্মোস্ট্যাট, কম্পিউটার, লাইটসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সুইচ বন্ধ করতে হবে।

৩. এয়ার কন্ডিশনের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে রাখতে হবে।

৪. রুমের বাইরে অবস্থানকালীন সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে।

৫. কম্পিউটার মনিটর এবং ফটোকপি মেশিন ব্যবহার শেষে স্লিপ মোডে রাখতে হবে। এতে প্রায় ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়ে থাকে।

৬. ব্যাটারি চার্জার (যেমন- ল্যাপটপ, সেলফোন ইত্যাদি) প্ল্যাগ ইন করে রাখলে বিদ্যুতের অপচয় হয়। তাই চার্জিং শেষে বৈদ্যুতিক পয়েন্ট থেকে চার্জার খুলে রাখতে হবে।

৭. কমন স্পেস (যেমন- সিঁড়ি, ওয়াশরুম, ওয়েটিংরুম, করিডোর ইত্যাদি) প্রয়োজন ছাড়া লাইটের ব্যবহার পরিহার করতে হবে।

৮. বিদ্যুতের অপচয় রোধে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে।

নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাঁচ সদস্যের মনিটরিং কমিটির প্রধান করা হয়েছে সংস্থাটির মেইনটেইনেন্স ইঞ্জিনিয়ার মো. ইকবাল জাভীদকে, আর সেবা শাখার উপসচিব জাকির মাহমুদকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক নির্দেশনার আলোকে কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের আদেশ বহাল

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখায় ভর্তি হওয়া প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আজ রোববার প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। আদালতে শিক্ষার্থীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। ভিকারুননিসার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রাফিউল ইসলাম।

এর আগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণির ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তি বাতিল চেয়ে গত ১৪ জানুয়ারি ভর্তিচ্ছু দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক একটি রিট করেন। রিটে তারা অভিযোগ করেন, নির্দিষ্ট বয়সের বাইরে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে স্কুলটিতে। এরপর ২৩ জানুয়ারি রুল জারিসহ ভর্তি বাতিলের আদেশ দেন হাইকোর্ট। ফলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার (মাউশি) নির্দেশনায় ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ।

পরে ভর্তি বাতিলের বৈধতা নিয়ে ১৩৬ জন অভিভাবক আরেকটি রিট করেন। এই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৫ মার্চ হাইকোর্ট রুল জারি করেন। দুটি রুলের একসঙ্গে শুনানি শেষে গত ২১ মে রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। আদালতে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম শুনানি করেন।

রিট আবেদনকারী দুজন অভিভাবকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শামীম সরদার। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান। রিট আবেদনকারী ১৩৬ জন অভিভাবকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুস্তাফিজুর রহমান খান। আর তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী খুররম শাহ মুরাদ।

রায়ে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণির ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তি বাতিল করে ভর্তিতে ওঠা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তদন্তের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে দেন আদালত। পাশাপাশি প্রথম শ্রেণির ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তি বাতিলই থাকবে বলে আদেশে বলা হয়।

এ ছাড়া শূন্য সিটগুলোতে অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে ভর্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। গত ২৬ মে প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত চেয়ে দুটি লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করা হয়। ভর্তি বাতিল হওয়া শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে এ আবেদন করেন।

বিষয়:

রেড ক্রিসেন্টকে আরও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির (বিডিআরসিএস) সদস্যদের আর্তমানবতার সেবায় আরও তৎপর ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ রোববার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. উবায়দুল কবীর চৌধুরীর নেতৃত্বে সোসাইটির নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন ক্রান্তিকালে আর্তমানবতার সেবায় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীনতার পর থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিডিআরসিএসের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবকদের আরও তৎপর থাকতে হবে। ১৯৭২ থেকে ‘৭৫ পর্যন্ত তৎকালীন পাবনা জেলার রেড ক্রসের মহাসচিব হিসেবে রাষ্ট্রপ্রধান তার নিজের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগ, মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করার কথাও বলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সার্বিক কার্যক্রম এবং চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।


কানেক্টিভিটিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ট্রাভেল এজেন্টদের: পর্যটন মন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান বলেছেন, ট্রাভেল এজেন্টরা কানেক্টিভিটি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। বাইরের দুনিয়ার সঙ্গে তারা মানুষের যোগাযোগ করিয়ে দেয়। তাই ট্রাভেল এজেন্টদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

আজ রোববার অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউশনের প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান কানেক্টিভিটির এই পৃথিবীতে ট্রাভেল এজেন্টদের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো গ্রাহক যাতে প্রতারিত না হয়, বিদেশে যেতে কোনো সমস্যায় না পড়েন সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শুধু নিজেরা সৎ থাকলেই হবে না অন্য কোনো ট্রাভেল এজেন্টও যাতে গ্রাহকদের কোনো প্রকার হয়রানি না করতে পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

পর্যটন খাতে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা তৈরির পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা তৈরির দিকেও গুরুত্ব দেয়ার কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, পর্যটন শিল্পে দক্ষ জনবল তৈরির জন্য ভবিষ্যতে বাংলাদেশে একটি ট্যুরিজম বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

মন্ত্রী বলেন, অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে নিয়ে প্রায়ই নানা অনিয়ম ও অভিযোগের কথা শোনা যায়। সবাইকেই নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। অন্যথায় নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের মহাসচিব আসফিয়া জান্নাত সালেহের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান একেএম আফতাব হোসেন প্রামানিক, আটাবের প্রেসিডেন্ট আবদুস সালাম আরেফ প্রমুখ।


দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালাবে শিক্ষক ফেডারেশন

পুরোনো ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঢাবি প্রতিনিধি

সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিম প্রত্যাহারসহ আরও দুই দাবিতে শিক্ষকদের চলমান আন্দোলন বন্ধ হচ্ছে না। এদিকে বিগত দিনগুলোর মতো আজও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন প্রাঙ্গণে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করবেন না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল ইসলাম।

আজ রোববার সকাল ১০টায় শিক্ষক ফেডারেশনের সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আজ আমাদের শিক্ষক ফেডারেশনের সভা ছিল সেখানে আন্দোলন চালিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর আগে গতকাল শনিবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করেন শিক্ষক ফেডারেশনের নেতারা।

বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের গণমাধ্যমকে বলেন, সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্ক্রিম নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি ছিল। সেটি দূর হয়েছে। এটি আগামী বছর চালু হবে। তার এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি আখতারুল ইসলাম বলেন, ভুল বোঝাবুঝি দূর হয়ে যাওয়া ভালো জিনিস। কিন্তু যদি সেটি হয়ে থাকত তাহলে উনি (ওবায়দুল কাদের) যখন প্রেস ব্রিফিং করছিল সেখানে তো আমাদেরও হাসিমুখে দাঁড়িয়ে থাকার কথা ছিল।

তিনি বলেন, আমরা কি ছিলাম সেখানে? ছিলাম না। আমরা বের হয়ে পরে কথা বলব বলেছি। সব কথা কি আমাদের মুখ ফুটে বলতে হবে? তবে ওনারা আমাদের ডেকেছেন সেটাতে আমরা খুশি হয়েছি। আশা করি আবারও আমাদের ডাকা হবে।

শিক্ষকদের আন্দোলন নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আন্দোলন যেহেতু তারা চালাবেই চালাতে থাক। চালাতে চালাতে যখন ক্লান্ত হয়ে যাবে তখন বলব। এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে গিয়ে অধ্যাপক আখতার বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি এই কথা বলে থাকেন তাহলে এটি একটু হতাশাব্যঞ্জক। আমরা তো উনার ওপরই আস্থা রাখছিলাম যে তিনি আমাদের বিষয়টা ভালো করে শুনবেন।


তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেবে ইইউভুক্ত চার দেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

ইউরোপীয় ইউনিয়নের চারটি দেশ ইতালি, জার্মানি, গ্রিস ও রোমানিয়া বাংলাদেশ থেকে তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

আজ রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির বিদায়ী সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

ড. হাছান জানান, এ তিন হাজার কর্মীর দক্ষতার ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতে আরও কর্মী নেওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন ইইউ রাষ্ট্রদূত। পাশাপাশি বাংলাদেশ ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পরও ২০৩২ সাল পর্যন্ত যাতে আমাদের পণ্যের জন্য ইইউ থেকে জিএসপি বা শুল্কহ্রাস সুবিধাসহ এখন যে অন্যান্য সুবিধা পাই, সেগুলো যেন অব্যাহত থাকে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এ সময় ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ১১-১২ জুলাই অনুষ্ঠিত বিমসটেক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিতীয় রিট্রিট সম্মেলনের বিষয়ে সাংবাদিকদেরকে মন্ত্রী জানান, জলবায়ু পরিবর্তন, চিকিৎসা, জ্বালানি নিরাপত্তা খাতে সহায়তা এবং নেপাল ও ভুটানে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে সবুজ শক্তি ব্যবহার বৃদ্ধি নিয়ে রিট্রিটে কথা হয়েছে।

হাছান মাহমুদ জানান, আগামী সেপ্টেম্বর মাসের চার তারিখে থাইল্যান্ডে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব নেবে বাংলাদেশ।

রিট্রিটের সাইডলাইনে ভারত ও মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের জন্য পচনশীল পণ্য আমদানিতে কোটা নির্ধারণের বিষয়টি আবারও এসেছে। তিস্তা বিষয়ে কারিগরি দল প্রেরণ, ব্রিকসে অন্তর্ভুক্তি ও জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে চায়। কিন্তু সেটি রাখাইনের বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবার পর।

সাংবাদিকরা এ সময় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও আগামী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী সমাবেশে গুলিবর্ষণে তার আহত হওয়ার ঘটনার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আমাদের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। রাজনীতিতে আমরা কোনো সংঘাত চাই না। আমাদের দেশে যেমন মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা হয়, মানুষের সম্পত্তি পোড়ানো হয় সেটি কখনো কাম্য নয়। এটি অনভিপ্রেত, আইনবিরোধী।’ শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভ্যানিয়ায় স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছ’টায় ট্রাম্পের ওপর এ হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অতীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে কখনও ভায়োলেন্স ছিল না। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ হামলায় আমরা কনসার্ন এবং আমরা নিন্দা জানাই। রাজনীতিতে ভায়োলেন্স থাকা উচিত নয়, সেটি আমরা মনে করি।’

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোটার বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে এসেছে। সরকার শিক্ষার্থীদের ওপর সহানুভূতিশীল হয়ে পুরো কোটাই বাতিল করে দিয়েছিল। হাইকোর্ট সেটি পুনর্বহাল করেছিল, সুপ্রিম কোর্ট স্থগিত করেছে। কোটা আদালতের একটি বিচারাধীন বিষয়। সে কারণে এর ওপর সরকার কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। তাহলে আদালত অবমাননা হবে। আদালতের মাধ্যমেই এর সমাধান হতে হবে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, এখন যে আন্দোলন হচ্ছে সেটির কোনো যৌক্তিকতা আছে বলে মনে করি না। এটি আসলে আদালতের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলিও বটে। সরকার সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল। সে কারণে কোটা পদ্ধতি বাতিল করেছিল। তবে বাতিল করার পরিপ্রেক্ষিতে অনেক সমস্যাও দেখা দিয়েছে। যেমন অনেক জেলা থেকে অনেক ক্যাডারে কেউ সুযোগ পাচ্ছে না, মেয়েদের অংশগ্রহণ কমে গেছে -এসব সমস্যা দেখা দিয়েছে।

কোটা আন্দোলন থেকে বিএনপি সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি তো সবসময় চায় দেশকে অস্থিতিশীল করতে। নিজেদের তো কিছু করার ক্ষমতা নেই, তারা অপরের ঘাড়ে চেপে বসে। কোনো সময় কোটার ওপর ভর করে, কোনো সময় তেল-গ্যাসের ওপর ভর করে, কোনো সময় আবার অন্য কিছুর ওপর ভর করে। বিএনপি কোটা আন্দোলন থেকেও সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পর সুপ্রিম কোর্ট স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য আদেশ দিয়েছে। অর্থাৎ সরকার যে কোটা বাতিল করেছিল, সেটিই বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। এরপরও যখন আন্দোলন হয় বুঝতে হবে এটির সঙ্গে রাজনীতি যুক্ত হয়েছে।


প্রশ্নফাঁস করে নিজেদের লোককে চাকরি দেওয়া জিয়ার আমল থেকে শুরু হয়েছিল

রোববার গণভবনে চীন সফর নিয়ে করা সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
আপডেটেড ১৪ জুলাই, ২০২৪ ১৮:৪৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রশ্নফাঁস করে নিজেদের লোককে চাকরি দেওয়াটা সেই জিয়ার আমল থেকে শুরু হয়েছিল। খালেদার আমলে সেটা চলেছে। আমরা এটা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছি এবং সফল হয়েছি। কোটা বাতিলের পর অনেকে চাকরিতে ঢুকে গেলো। তারা এখন অনেক জায়গায় বসে এসব প্রশ্নফাঁসসহ বিভিন্ন অপকর্ম করছে।

আজ রোববার বিকেলে চীন সফর নিয়ে গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নফাঁস বিষয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে কোনো পরীক্ষা নয়, হাওয়া ভবন থেকে পাঠানো তালিকায় বিসিএসে চাকরি হতো।

তিনি বলেন, ২৪তম বিসিএস পরীক্ষা হয়েছিল ২০০২ সালে। ঢাকা কলেজে সেই সময় একটা বিশেষ কামরা রাখা হতো। সেখানে বসে তাদের (বিএনপি) লোক পরীক্ষা দিতো। তাদেরই চাকরি হতো। কোনো উচ্চবাচ্য সেসব কিন্তু নেই। আমরা সরকারে আসার পর ২০০৯ সাল থেকে সম্পূর্ণভাবে এগুলো বন্ধ করে দিয়েছিলাম। যারা এর সঙ্গে জড়িত ছিল তাদেরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ২০১৮- এর পরে এই গ্রুপটা কী করে যেন আবার জায়গা করে ফেলে। যেটা এখন ধরা পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় এগুলো ধরতে গেলে অনেকে বলে যে প্রচার হলে ভালো হবে না ইমেজ নষ্ট হবে। আমি বলেছি যে আমি এগুলোতে বিশ্বাস করি না। কীসের ইমেজ নষ্ট হবে? অন্যায়-অবিচার যারা করবে তাদেরকে আমরা ধরবোই। তাদেরকে ধরতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এভাবে যেন চলতে না পারে তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি সময়ে প্রশ্নফাঁস নিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, যখন ধরা পড়ছে, তদন্ত হবে বিচার হবে। যারা বেনেফিসিয়াল তাদেরকে খুঁজে বের করা গেলে ব্যবস্থা নেব। তাদের চাকরি করার অধিকারই থাকবে না। তাহলে ভবিষ্যতে আর কেউ এসব কাজ করবে না।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রশ্নপত্র যারা ফাঁস করে আর যারা প্রশ্নপত্র ক্রয় করে, দুইজনই অপরাধী। খুঁজে বের করে দেবে কে? সাংবাদিকরা যদি খুঁজে বের করে দেয় তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


কোটা পুনর্বহাল করে‌ হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) কোটা পুনর্বহাল করে দেওয়া হাইকোর্টের আলোচিত রায়ের মূল অংশ প্রকাশ করা হয়। এরপর আজ রোববার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হল। রায়ে বলা হয়, ‘সরকার প্রয়োজনে অথবা চাইলে কোটা সংস্কার করতে পারবে।’

যদিও এর আগেই রাষ্ট্র ও সাধারণত শিক্ষার্থীদের পক্ষে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ওই প্রজ্ঞাপনের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করে আদেশ দিয়েছেন। গত ১০ জুলাই সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর একমাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

এর আগে গত ৫ জুন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। ফলে সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল থাকবে। এ সংক্রান্ত রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন।

আদালতে ওইদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মো. মুনসুরুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ (এসকে) সাইফুজ্জামান জামান।

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের সাতদিনের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছিল।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর এ পরিপত্র জারি করা হয়। তখন রিটকারীরা জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কোটা নবম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) এবং দশম থেকে ১৩তম গ্রেড (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) বাতিল করে (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) ১৪ থেকে ২০তম গ্রেডে রাখা হয়েছে। যা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে হেয়প্রতিপন্ন করার শামিল।


banner close